ওয়েবসাইটে আপলোড না করায় ভোগান্তি
jugantor
আয়কর রিটার্নের তথ্য
ওয়েবসাইটে আপলোড না করায় ভোগান্তি

  সাদ্দাম হোসেন ইমরান  

১১ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইমাম হোসেন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে উচ্চপদে কর্মরত।

ঋণ নেওয়ার জন্য ব্যাংকে আবেদন করলে তাকে জানানো হয়, বেতন বিবরণীর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র (প্রাপ্তিস্বীকারপত্র) জমা দিতে হবে।

এ কারণে তড়িঘড়ি করে ২০২২-২৩ করবর্ষের রিটার্ন দিয়ে ব্যাংকে প্রমাণপত্র জমা দেন। কিন্তু প্রমাণপত্র সঠিক কিনা ব্যাংক সেটি যাচাই করতে পারছে না।

কারণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটে রিটার্ন জমার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ব্যাংকও ঋণ দিতে গড়িমসি করছে।

এবারের বাজেটে ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, ট্রেড লাইসেন্স ও আমদানি-রপ্তানি সনদ গ্রহণসহ মোট ৩৮ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা পেতে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়। শুধু তাই নয়, সেবাগ্রহীতার প্রমাণপত্র আসল কিনা-সেটি যাচাই করতে সেবাপ্রদানকারীর ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। এজন্য এনবিআর’র ওয়েবসাইটে রিটার্ন ভেরিফাই অপশন চালু করা হয়েছে। সেবাপ্রদানকারী প্রমাণপত্র সত্যতা যাচাই ছাড়া সেবা দিলে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন কর কর্মকর্তারা। এ কারণে বাধ্য হয়ে সেবাপ্রদানকারী এনবিআর’র ওয়েবসাইটে তথ্য যাচাই করছে।

প্রমাণপত্রের সিল-স্বাক্ষরসহ কাগজের কপি জমা দিলেও সেটি আমলে নেওয়া হচ্ছে না। শুধু ইমাম হোসেন নন, এ ধরনের ভোগান্তি পড়ছেন অনেকে। অনেক করদাতার রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র ওয়েবসাইটে (www.incometax.gov.bd) আপলোড না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে কর সার্কেলে দৌড়ঝাঁপ করেও লাভ হচ্ছে না। ইমাম হোসেনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কেন ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না-এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩০ নভেম্বর রিটার্ন জমার শেষ দিন হওয়ায় ব্যস্ত সময় কাটছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। করদাতাদের সুবিধার্থে প্রতিটি কর অঞ্চলে ‘কর সেবা’ মাস পালন করায় রিটার্ন গ্রহণে বেশি সময় দিতে হচ্ছে। সেখানে যেসব রিটার্ন জমা পড়ছে, সেগুলো তৎক্ষণাৎ গ্রহণের পর প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে রিটার্নের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করা হচ্ছে না। আর এতেই যত ভোগান্তি।

এ বিষয়ে এনবিআর’র সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) শাহীন আক্তার যুগান্তরকে বলেন, নভেম্বরজুড়েই রিটার্ন জমার চাপ থাকে। এ কারণে কোথাও কোথাও ওয়েবসাইটে অন টাইমে তথ্য আপলোড করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ নিয়ে কাজ চলছে।

একাধিক করদাতা ও কর আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে যুগান্তরকে বলেন, রিটার্ন জমার সংখ্যা বাড়াতে এনবিআর’র সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া সব পদক্ষেপ প্রশংসাযোগ্য। তবে বিষয়গুলো আরও সহজ করা দরকার ছিল। যেমন আয়কর পরিপত্রে রিটার্ন ভেরিফাই করতে শুধু ওয়েবসাইটের কথা বলা হয়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান জরিমানার ভয়ে প্রমাণপত্রের সিল-স্বাক্ষরসহ কাগজের কপি আমলে নিচ্ছে না। যদি সিল-স্বাক্ষরসহ প্রমাণপত্র গ্রহণ করা হতো, তাহলে ভোগান্তি হতো না।

এ বিষয়ে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, এখন এনবিআর শুধু রিটার্ন জমা নিচ্ছে। সময় স্বল্পতা বা জনবলের অভাবের কারণে হয়তো সেগুলো ওয়েবসাইটে আপলোড দিতে পারছে না। এ কারণে অনেক করদাতা ভোগান্তি পড়ছেন। কারণ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থাকে পরিপত্রের মাধ্যমে বলা হয়েছে, রিটার্ন ভেরিফাই শুধু ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করতে হবে।

অন্যদিকে নতুন করদাতারা আছেন ‘ধোঁয়াশা’র মধ্যে। এমনিতে নিয়মিত করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় হচ্ছে ৩০ নভেম্বর। এ সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা দিতে হয়। বাজেটে ট্যাক্স ডে’র সংজ্ঞা পরিবর্তন করে নতুন করদাতাদের বছরের যে কোনো দিন রিটার্ন জমার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। নতুন করদাতারা ৩০ জুন পর্যন্ত যে কোনোদিন সর্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে আগে টিআইএন নিয়েছেন, করযোগ্য আয় ছিল, কিন্তু রিটার্ন জমা দেননি-এমন করদাতারাও একসঙ্গে বিগত বছরের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে চলতি করবর্ষের (২০২২-২৩) রিটার্ন সর্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে। আর আগের করবর্ষের রিটার্ন সাধারণ পদ্ধতিতে জমা দিতে হবে। এখানেই যত বিপত্তি! সাধারণ পদ্ধতিতে রিটার্ন জমা দিলে নিয়ম অনুযায়ী সেই রিটার্ন অ্যাসেসমেন্ট করা হয়। অর্থাৎ রিটার্নে ঘোষিত করদাতা আয়-ব্যয়ের তথ্য, জীবনযাত্রার মান ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের সঠিকতা যাচাই করা হয়। উপকর কমিশনার করদাতার কাগজপত্র যাচাই করে দেখতে পান, করদাতার আগেই রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল; কিন্তু রিটার্ন জমা দেননি। সে ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তা জরিমানা করতে পারবেন।

মাঠপর্যায়ের একাধিক কর কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, নতুন করদাতাদের রিটার্ন জমার বিষয়ে এবারের পরিপত্রে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের করদাতাদের জরিমানা করা হবে নাকি জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন নিষ্পত্তি করা হবে, তা নিয়ে একেক কর অঞ্চলে একেক ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

আয়কর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে এনবিআর’র একটি ব্যাখ্যা দেওয়া খুবই জরুরি। এ কারণে অনেক করদাতা রিটার্ন জমা দিতে ভয় পাচ্ছেন।

সাধারণ নিয়মের পরিবর্তে সামান্য অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা হলে করদাতারা নির্ভয়ে রিটার্ন জমা দিতে পারতেন। বর্তমানে নতুন করদাতাদের রিটার্ন জমায় কোথাও জরিমানা নিচ্ছে না, আবার কোথাও নেওয়া হচ্ছে।

আয়কর রিটার্নের তথ্য

ওয়েবসাইটে আপলোড না করায় ভোগান্তি

 সাদ্দাম হোসেন ইমরান 
১১ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইমাম হোসেন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে উচ্চপদে কর্মরত।

ঋণ নেওয়ার জন্য ব্যাংকে আবেদন করলে তাকে জানানো হয়, বেতন বিবরণীর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র (প্রাপ্তিস্বীকারপত্র) জমা দিতে হবে।

এ কারণে তড়িঘড়ি করে ২০২২-২৩ করবর্ষের রিটার্ন দিয়ে ব্যাংকে প্রমাণপত্র জমা দেন। কিন্তু প্রমাণপত্র সঠিক কিনা ব্যাংক সেটি যাচাই করতে পারছে না।

কারণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটে রিটার্ন জমার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ব্যাংকও ঋণ দিতে গড়িমসি করছে।

এবারের বাজেটে ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, ট্রেড লাইসেন্স ও আমদানি-রপ্তানি সনদ গ্রহণসহ মোট ৩৮ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা পেতে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়। শুধু তাই নয়, সেবাগ্রহীতার প্রমাণপত্র আসল কিনা-সেটি যাচাই করতে সেবাপ্রদানকারীর ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। এজন্য এনবিআর’র ওয়েবসাইটে রিটার্ন ভেরিফাই অপশন চালু করা হয়েছে। সেবাপ্রদানকারী প্রমাণপত্র সত্যতা যাচাই ছাড়া সেবা দিলে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন কর কর্মকর্তারা। এ কারণে বাধ্য হয়ে সেবাপ্রদানকারী এনবিআর’র ওয়েবসাইটে তথ্য যাচাই করছে।

প্রমাণপত্রের সিল-স্বাক্ষরসহ কাগজের কপি জমা দিলেও সেটি আমলে নেওয়া হচ্ছে না। শুধু ইমাম হোসেন নন, এ ধরনের ভোগান্তি পড়ছেন অনেকে। অনেক করদাতার রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র ওয়েবসাইটে (www.incometax.gov.bd) আপলোড না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে কর সার্কেলে দৌড়ঝাঁপ করেও লাভ হচ্ছে না। ইমাম হোসেনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কেন ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না-এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩০ নভেম্বর রিটার্ন জমার শেষ দিন হওয়ায় ব্যস্ত সময় কাটছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। করদাতাদের সুবিধার্থে প্রতিটি কর অঞ্চলে ‘কর সেবা’ মাস পালন করায় রিটার্ন গ্রহণে বেশি সময় দিতে হচ্ছে। সেখানে যেসব রিটার্ন জমা পড়ছে, সেগুলো তৎক্ষণাৎ গ্রহণের পর প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে রিটার্নের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করা হচ্ছে না। আর এতেই যত ভোগান্তি।

এ বিষয়ে এনবিআর’র সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) শাহীন আক্তার যুগান্তরকে বলেন, নভেম্বরজুড়েই রিটার্ন জমার চাপ থাকে। এ কারণে কোথাও কোথাও ওয়েবসাইটে অন টাইমে তথ্য আপলোড করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ নিয়ে কাজ চলছে।

একাধিক করদাতা ও কর আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে যুগান্তরকে বলেন, রিটার্ন জমার সংখ্যা বাড়াতে এনবিআর’র সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া সব পদক্ষেপ প্রশংসাযোগ্য। তবে বিষয়গুলো আরও সহজ করা দরকার ছিল। যেমন আয়কর পরিপত্রে রিটার্ন ভেরিফাই করতে শুধু ওয়েবসাইটের কথা বলা হয়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান জরিমানার ভয়ে প্রমাণপত্রের সিল-স্বাক্ষরসহ কাগজের কপি আমলে নিচ্ছে না। যদি সিল-স্বাক্ষরসহ প্রমাণপত্র গ্রহণ করা হতো, তাহলে ভোগান্তি হতো না।

এ বিষয়ে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, এখন এনবিআর শুধু রিটার্ন জমা নিচ্ছে। সময় স্বল্পতা বা জনবলের অভাবের কারণে হয়তো সেগুলো ওয়েবসাইটে আপলোড দিতে পারছে না। এ কারণে অনেক করদাতা ভোগান্তি পড়ছেন। কারণ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থাকে পরিপত্রের মাধ্যমে বলা হয়েছে, রিটার্ন ভেরিফাই শুধু ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করতে হবে।

অন্যদিকে নতুন করদাতারা আছেন ‘ধোঁয়াশা’র মধ্যে। এমনিতে নিয়মিত করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় হচ্ছে ৩০ নভেম্বর। এ সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা দিতে হয়। বাজেটে ট্যাক্স ডে’র সংজ্ঞা পরিবর্তন করে নতুন করদাতাদের বছরের যে কোনো দিন রিটার্ন জমার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। নতুন করদাতারা ৩০ জুন পর্যন্ত যে কোনোদিন সর্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে আগে টিআইএন নিয়েছেন, করযোগ্য আয় ছিল, কিন্তু রিটার্ন জমা দেননি-এমন করদাতারাও একসঙ্গে বিগত বছরের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে চলতি করবর্ষের (২০২২-২৩) রিটার্ন সর্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে। আর আগের করবর্ষের রিটার্ন সাধারণ পদ্ধতিতে জমা দিতে হবে। এখানেই যত বিপত্তি! সাধারণ পদ্ধতিতে রিটার্ন জমা দিলে নিয়ম অনুযায়ী সেই রিটার্ন অ্যাসেসমেন্ট করা হয়। অর্থাৎ রিটার্নে ঘোষিত করদাতা আয়-ব্যয়ের তথ্য, জীবনযাত্রার মান ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের সঠিকতা যাচাই করা হয়। উপকর কমিশনার করদাতার কাগজপত্র যাচাই করে দেখতে পান, করদাতার আগেই রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল; কিন্তু রিটার্ন জমা দেননি। সে ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তা জরিমানা করতে পারবেন।

মাঠপর্যায়ের একাধিক কর কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, নতুন করদাতাদের রিটার্ন জমার বিষয়ে এবারের পরিপত্রে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের করদাতাদের জরিমানা করা হবে নাকি জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন নিষ্পত্তি করা হবে, তা নিয়ে একেক কর অঞ্চলে একেক ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

আয়কর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে এনবিআর’র একটি ব্যাখ্যা দেওয়া খুবই জরুরি। এ কারণে অনেক করদাতা রিটার্ন জমা দিতে ভয় পাচ্ছেন।

সাধারণ নিয়মের পরিবর্তে সামান্য অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা হলে করদাতারা নির্ভয়ে রিটার্ন জমা দিতে পারতেন। বর্তমানে নতুন করদাতাদের রিটার্ন জমায় কোথাও জরিমানা নিচ্ছে না, আবার কোথাও নেওয়া হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন