ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির রেকর্ড
jugantor
ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির রেকর্ড

  সাইফ আহমাদ  

০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে অনলাইনে পশুর হাট এবারই প্রথম নয়। তবে মহামারী করোনার কারণে এ বছর সাড়া জাগিয়ে অনলাইনে রেকর্ডসংখ্যক কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ডিজিটাল পশুর হাটে।

আয়োজকরা জানিয়েছে, এবার সর্বমোট ২৭ হাজার গরু-ছাগল ও অন্যান্য কোরবানির পশু প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। অনলাইন থেকে ছবি দেখে কৃষকের বাড়িতে এসে বা খামারে এসে ক্রেতারা যে পরিমাণ গরু ক্রয় করেছেন তার সংখ্যা হবে এর তিন থেকে চারগুণ।

সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এক যৌথ অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হয়েছে। ডিজিটাল হাট, ডিজিটাল হাটের সঙ্গে সম্পৃক্ত মার্চেন্ট ও ই-ক্যাব মেম্বারদের অনলাইনে বিক্রি গরু, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৬ হাজার ৮০০।

জেলাভিত্তিক সরকারি প্ল্যাটফর্মে আরও সাড়ে পাঁচ হাজার। সর্বোচ্চ নরসিংদী জেলায় সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশু বিক্রি হয়েছে ৫১৭টি। বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত কোম্পানির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে বিক্রীত পশু ৯ হাজার ৫০০’র কাছাকাছি। সরকারি প্ল্যাটফর্ম ফুড ফর ন্যাশনে ৪০০০ গরু বিক্রি ট্র্যাক করতে পেরেছে।

আয়োজকরা জানান, পুরো অনলাইন বাজারে প্রত্যক্ষ বিক্রীত পশুর সংখ্যা বের হয়ে আসছে। ধারণা করা হয়, আরও লাখখানেক কোরবানির পশু পরোক্ষভাবে এবারের বিভিন্ন অনলাইন শপ থেকে বিক্রি করা হয়েছে। অন্তত পাঁচ লাখ গরু ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হয়েছে।

ডিএনসিসি’র মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিশাল এ কর্মযজ্ঞ সফল করতে গিয়ে ডিএনসিসি, আইসিটি ডিভিশন ই-ক্যাব, আইএসএসএল, ধানসিঁড়ি ও সাদিক এগ্রো’র সম্মিলিত টিমকে রাতদিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। নানা ধরনের জটিল ইস্যু ছিল- যেগুলো তারা আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধান করেছে।

এটুআইয়ের হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে এ ধরনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে সেখানে শ’খানেক উদ্যোক্তাকে সংযুক্ত করে দেশব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করে ২৭ হাজার গরু অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়ার এ কাজ ই-কমার্সের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির রেকর্ড

 সাইফ আহমাদ 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে অনলাইনে পশুর হাট এবারই প্রথম নয়। তবে মহামারী করোনার কারণে এ বছর সাড়া জাগিয়ে অনলাইনে রেকর্ডসংখ্যক কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ডিজিটাল পশুর হাটে।

আয়োজকরা জানিয়েছে, এবার সর্বমোট ২৭ হাজার গরু-ছাগল ও অন্যান্য কোরবানির পশু প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। অনলাইন থেকে ছবি দেখে কৃষকের বাড়িতে এসে বা খামারে এসে ক্রেতারা যে পরিমাণ গরু ক্রয় করেছেন তার সংখ্যা হবে এর তিন থেকে চারগুণ।

সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এক যৌথ অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হয়েছে। ডিজিটাল হাট, ডিজিটাল হাটের সঙ্গে সম্পৃক্ত মার্চেন্ট ও ই-ক্যাব মেম্বারদের অনলাইনে বিক্রি গরু, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৬ হাজার ৮০০।

জেলাভিত্তিক সরকারি প্ল্যাটফর্মে আরও সাড়ে পাঁচ হাজার। সর্বোচ্চ নরসিংদী জেলায় সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশু বিক্রি হয়েছে ৫১৭টি। বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত কোম্পানির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে বিক্রীত পশু ৯ হাজার ৫০০’র কাছাকাছি। সরকারি প্ল্যাটফর্ম ফুড ফর ন্যাশনে ৪০০০ গরু বিক্রি ট্র্যাক করতে পেরেছে।

আয়োজকরা জানান, পুরো অনলাইন বাজারে প্রত্যক্ষ বিক্রীত পশুর সংখ্যা বের হয়ে আসছে। ধারণা করা হয়, আরও লাখখানেক কোরবানির পশু পরোক্ষভাবে এবারের বিভিন্ন অনলাইন শপ থেকে বিক্রি করা হয়েছে। অন্তত পাঁচ লাখ গরু ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হয়েছে।

ডিএনসিসি’র মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিশাল এ কর্মযজ্ঞ সফল করতে গিয়ে ডিএনসিসি, আইসিটি ডিভিশন ই-ক্যাব, আইএসএসএল, ধানসিঁড়ি ও সাদিক এগ্রো’র সম্মিলিত টিমকে রাতদিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। নানা ধরনের জটিল ইস্যু ছিল- যেগুলো তারা আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধান করেছে।

এটুআইয়ের হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে এ ধরনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে সেখানে শ’খানেক উদ্যোক্তাকে সংযুক্ত করে দেশব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করে ২৭ হাজার গরু অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়ার এ কাজ ই-কমার্সের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।