Logo
Logo
×
   

Advertisement

আইটি বিশ্ব

ইন্টারনেট উৎসবে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার শেখালেন পলক

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ইন্টারনেট উৎসবে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার শেখালেন পলক

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

Advertisement

শিশুদের ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার নানা নিয়ম-কানুন শেখালেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একবিংশ শতাব্দীর জয়জয়কার চলছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়। মা-বাবার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন শিশুরাও সময়ে-অসময়ে ব্যবহার করছে ইন্টারনেট।

ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা হোক কী পারদর্শিতা বড়দের চেয়ে কোনো দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই শিশুরা। ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ভুল তথ্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অনেক শিশু-কিশোর-তরুণ নিজেদের ঠেলে দিচ্ছে নানা অন্যায়-অপকর্মের দিকে। যার ফলে তারা ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে নৈতিকতা-মূল্যবোধ থেকে। ‘ইন্টারনেট’ আজ শিশুর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

স্কুলের প্রজেক্টের উদ্দেশ্য থেকে শুরু করে নিজের পছন্দের কোনো গেম আর সিনেমা ডাউনলোডের জন্য শিশুরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। শুক্রবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ফেসবুকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইন্টারনেট উৎসবে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের বিভিন্ন কলাকৌশল উপস্থাপন করেন তিনি।

পলক বলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল জগতে প্রবেশের ফলে শিশুদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরির পাশাপাশি ঝুঁকিও বাড়ছে। অনলাইনে নানা ক্ষতিকর কনটেন্ট রয়েছে। সেগুলো শিশুদের প্রভাবিত করতে পারে।

তাই শিশুরা যেন অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখে। অনলাইনে শিশুদের নিরাপদ রাখতে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে দূরে রাখলে সমস্যার কোনো সমাধান হবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শেখাতে হবে অনলাইনে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায়। কী কী বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার। তাহলে শিশুদের জন্য অনলাইন হয়ে উঠবে একটি নিরাপদ মাধ্যম।

পলক বলেন, অনলাইন শিশুদের নিরাপদ রাখতে মা-বাবার অনেক ভূমিকা রয়েছে। শিশুটি অনলাইনে কী করছে তা নিয়মিত খেয়াল রাখা উচিত অভিভাবকদের। এ ছাড়া শিশুদের অনলাইনে সচেতন থাকার বিষয়ে সচেতন করার কাজটি বাবা-মাকেই করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বেগবেদার বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম হয়েছে ইন্টারনেট। কিন্তু শিশুদের উপযোগী কনটেন্ট তুলনামূলকভাবে কম।

তাই ইউনিসেফ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এ ছাড়া এ মাধ্যমটিতে যেন শিশুরা নিরাপদ থাকতে পারে সেই লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় শিশুদের জন্য এ ইন্টারনেট উৎসব। ফেসবুক ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার পলিসি প্রোগ্রাম ম্যানেজার শ্র“তি মুওহে বলেছেন, অনেক শিশু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করছে।

তাদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন টুলস তৈরি করেছে ফেসবুক। এ ছাড়া শিশুরা যেন ফেসবুক হয়রানির শিকার না হয় এর জন্য নিয়মিত কাজ করছেন তারা। উৎসবে এসে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার বিষয়ে জানতে পেরে খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ উৎসবে ৫০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান শিশু-কিশোরদের উপযোগী পণ্য, মোবাইল ফোন অ্যাপ, সফটওয়্যার, সামাজিক যোগাযোগের সাইট, ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।

-সাইফুল আহমাদ

Advertisement

ইন্টারনেট

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম