৬৭ দেশের সঙ্গে ব্যবসায়ের সুযোগ
jugantor
ডব্লিউসিআইটি ২০২১
৬৭ দেশের সঙ্গে ব্যবসায়ের সুযোগ

  সাইফ আহমাদ  

২২ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি (ডব্লিউসিআইটি)-এর ২৫তম আসর। ৭৫টিরও বেশি দেশের শতাধিক প্রযুক্তিবিদের অংশগ্রহণে ‘আইসিটি দ্য গ্রেট ইকুলাইজার’ প্রতিপাদ্যে ১১-১৪ নভেম্বর এ সম্মেলনে বিশ্বের ৬৭টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বিটুবি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে ওইসব দেশে ব্যবসায়ের সুযোগ তৈরি হলো।

সম্মেলনে উইটসা এবং অ্যাসোসিওর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। ‘এমিনেন্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমবার ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

এদিকে ‘অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), ডেভেলপমেন্ট অব ন্যাশনাল আইসিটি ইনফো নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট (ইনফো-সরকার), বইঘর এবং জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অ্যাসোসিও পুরস্কার অর্জন করেছে।

চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উদ্যোক্তা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি এবং দর্শক অংশগ্রহণ করেন। একই সময়কালে অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অ্যাসোসিও ‘ডিজিটাল সামিট ২০২১’।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ১১ নভেম্বর ২০২১ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি)-এ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনের বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন সারা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন আধুনিক ইন্টারনেটের অন্যতম জনক মি. ভিন্ট সার্ফ, আধুনিক ইন্টারনেটের অন্যতম জননী ড. রাদিয়া পারম্যান ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক স্যার টিমোথি বারনার্স লি, উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়জান্ট, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (সেন্টার ফর দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন, চায়না) উপ-প্রধান ডেনিয়েল কেরিমি, উই রোবটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. পেট্রিক মেয়ার, চীনভিত্তিক আলীবাবার মূল কোম্পানি এন্ট গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (আলিপে ও গ্লোবাল পেমেন্ট পার্টনারশিপ) গৌমিং চেং, ইন্টেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান ওমর এস ইশরাক প্রমুখ।

এ ছাড়া দেশীয় বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এশিয়ার নোবেল হিসাবে খ্যাত ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী, বাংলাদেশে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অনুজীববিজ্ঞানী ও পরিচালক সেঁজুতি সাহা এ আয়োজনকে সমৃদ্ধ করেন।

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরতে সম্মেলনের প্রথম দিন ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নাইট’। বাংলাদেশের বিগত ১২ বছরের তথ্যপ্রযুক্তিতে অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হয়। তৃতীয় দিন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রগতি, অর্জন-গৌরবের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এদিন ‘উইটসা আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড নাইট’ অনুষ্ঠানে সারা বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তিতে চতুর্থ দিন ডব্লিউসিআইটির রজতজয়ন্তী উদযাপন ও সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স।

আয়োজনে ‘সাসটেইনেবল গ্রোথ/সার্কুলার ইকোনমি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিজিএমইএ, ‘ইনোভেশন ই-হেলথ সলিউশন’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন-১৬২৬৩ এবং ‘ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিয়ানমার, হংকং, নেপাল, তাইওয়ান, গ্রিস, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে।

আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, উইটসা চেয়ারম্যান ইয়ানিস সিরোস, উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়সান্ট, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এ বিশ্ব সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও বিকাশ হবে। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’ উল্লেখ্য, পরবর্তী উইটসা বিশ্ব সম্মেলন মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

ডব্লিউসিআইটি ২০২১

৬৭ দেশের সঙ্গে ব্যবসায়ের সুযোগ

 সাইফ আহমাদ 
২২ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি
ফাইল ছবি

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি (ডব্লিউসিআইটি)-এর ২৫তম আসর। ৭৫টিরও বেশি দেশের শতাধিক প্রযুক্তিবিদের অংশগ্রহণে ‘আইসিটি দ্য গ্রেট ইকুলাইজার’ প্রতিপাদ্যে ১১-১৪ নভেম্বর এ সম্মেলনে বিশ্বের ৬৭টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বিটুবি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে ওইসব দেশে ব্যবসায়ের সুযোগ তৈরি হলো।

সম্মেলনে উইটসা এবং অ্যাসোসিওর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। ‘এমিনেন্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমবার ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

এদিকে ‘অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), ডেভেলপমেন্ট অব ন্যাশনাল আইসিটি ইনফো নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট (ইনফো-সরকার), বইঘর এবং জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অ্যাসোসিও পুরস্কার অর্জন করেছে।

চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উদ্যোক্তা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি এবং দর্শক অংশগ্রহণ করেন। একই সময়কালে অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অ্যাসোসিও ‘ডিজিটাল সামিট ২০২১’।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ১১ নভেম্বর ২০২১ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি)-এ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনের বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন সারা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন আধুনিক ইন্টারনেটের অন্যতম জনক মি. ভিন্ট সার্ফ, আধুনিক ইন্টারনেটের অন্যতম জননী ড. রাদিয়া পারম্যান ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক স্যার টিমোথি বারনার্স লি, উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়জান্ট, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (সেন্টার ফর দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন, চায়না) উপ-প্রধান ডেনিয়েল কেরিমি, উই রোবটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. পেট্রিক মেয়ার, চীনভিত্তিক আলীবাবার মূল কোম্পানি এন্ট গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (আলিপে ও গ্লোবাল পেমেন্ট পার্টনারশিপ) গৌমিং চেং, ইন্টেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান ওমর এস ইশরাক প্রমুখ।

এ ছাড়া দেশীয় বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এশিয়ার নোবেল হিসাবে খ্যাত ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী, বাংলাদেশে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অনুজীববিজ্ঞানী ও পরিচালক সেঁজুতি সাহা এ আয়োজনকে সমৃদ্ধ করেন।

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরতে সম্মেলনের প্রথম দিন ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নাইট’। বাংলাদেশের বিগত ১২ বছরের তথ্যপ্রযুক্তিতে অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হয়। তৃতীয় দিন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রগতি, অর্জন-গৌরবের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এদিন ‘উইটসা আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড নাইট’ অনুষ্ঠানে সারা বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তিতে চতুর্থ দিন ডব্লিউসিআইটির রজতজয়ন্তী উদযাপন ও সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স।

আয়োজনে ‘সাসটেইনেবল গ্রোথ/সার্কুলার ইকোনমি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিজিএমইএ, ‘ইনোভেশন ই-হেলথ সলিউশন’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন-১৬২৬৩ এবং ‘ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিয়ানমার, হংকং, নেপাল, তাইওয়ান, গ্রিস, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে।

আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, উইটসা চেয়ারম্যান ইয়ানিস সিরোস, উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়সান্ট, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এ বিশ্ব সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও বিকাশ হবে। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’ উল্লেখ্য, পরবর্তী উইটসা বিশ্ব সম্মেলন মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন