Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণ

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মে ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণ

Advertisement

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর পাঁচদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে স্থানীয় বখাটেরা। মঙ্গলবার রাতে পিবিআই ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে গ্রামছাড়া করা ধর্ষিতার পরিবারকে এখন মামলা তুলে নিতে হুমকি-ধমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। টাঙ্গাইলের মধুপুরে পলাতক ধর্ষক সহিদুলকে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে দিয়েছে জনতা।

ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

চট্টগ্রাম : বাঁশখালীতে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের ৫ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে জোর করে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। আটক অবস্থায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে স্বজনদের কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অন্যথায় ওই ছাত্রীকে খুন করার হুমকি দেয়া হয়।

এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর পরিবার রোববার চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১এর আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা পেয়ে তদন্তে নেমে ১২ ঘণ্টার মধ্যে স্থানীয় বেসাতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ডাকাতিয়া ঘোনা এলাকার জসিম উদ্দিনের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণকারীরা ওই ছাত্রীকে বাসায় রেখে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারের পর ওই ছাত্রী পিবিআইকে জানায়, স্থানীয় বখাটে ফাহিম উদ্দিন (২২) ও তার ভাই তৌহিন উদ্দিন (১৯) এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাকে অপহরণ করে।

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) : চরভদ্রাসনে গ্রামছাড়া করা ধর্ষিতার পরিবারকে এখন মামলা তুলে নিতে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে ধর্ষিতা তরুণীর মা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন।

উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের ছবুল্ল্যা শিকদার ডাঙ্গী গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের কথা দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরে তার গর্ভপাত করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই কেএম রাশেদুল বারী ওরফে টিও খানের বিরুদ্ধে।

২০১৩ সালের ২৬ জুলাই ওই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে প্রভাবশালীরা ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে একই ইউপির আরজখার ডাঙ্গী গ্রামে পদ্মা নদীর পাড়ে বসতি গেড়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে নির্যাতিত পরিবারটি।

তরুণীর মা জানান, ওই ঘটনায় তারা মামলা করেছিলেন। সম্প্রতি আসামিরা জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত তাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে মামলার প্রধান আসামি টিও খান যুগান্তরকে বলেন, আমি এ মামলায় আড়াই মাস হাজত খেটে জামিনে আছি। ওই পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কথাই বলি না, কাজেই মামলা ওঠানোর হুমকি দেব কীভাবে। অন্যদিকে তার বড় ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল বারী দীপু বলেন, যে মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে চাপা পড়ে আছে তা নিয়ে সাংবাদিকদের এত মাতামাতি করা উচিত না। আমরা বাদী পরিবারকে কোনো হুমকি দেইনি।

মধুপুর (টাঙ্গাইল) : মধুপুরের বেকারকোনায় শিশু ধর্ষণের ঘটনার ৪ দিনের মাথায় পলাতক ধর্ষক সহিদুল ইসলাম জনতার হাতে আটক হয়েছে। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বুধবার দুপুরে মধুপুরের পাশের উপজেলা ঘাটাইলের পাকুটিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাকে আটক করা হয়। ধর্ষক সহিদুল মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের বেকারকোনা গ্রামের শাহজাহান আলী ওরফে ইয়াজউদ্দীন দর্জির ছেলে।

Advertisement

মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ ধর্ষণ

Advertisement

আরও পড়ুন

সুন্দরবনে ঝুঁকিতে প্রাণ-প্রকৃতি: পর্ব-২ শ্বাসমূলে প্লাস্টিক-বর্জ্য বাধাগ্রস্ত চারার বৃদ্ধি

শ্বাসমূলে প্লাস্টিক-বর্জ্য বাধাগ্রস্ত চারার বৃদ্ধি

বরিশালে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র আটকে আছে নকশায়

বরিশালে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র আটকে আছে নকশায়

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর বিতর্কিতদের হাতে ফ্লাইট

বিতর্কিতদের হাতে ফ্লাইট

কালীগঞ্জের বাদেডিহি গ্রাম চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেটের অর্ধেক দোকান দখল

চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেটের অর্ধেক দোকান দখল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম