অনুদান স্বল্পতা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে সফল: গোপালপুর পৌরসভার মেয়র
jugantor
যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার
অনুদান স্বল্পতা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে সফল: গোপালপুর পৌরসভার মেয়র

  মো. সেলিম হোসেন, গোপালপুর (টাঙ্গাইল)  

০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রকিবুল হক ছানা

গোপালপুর পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৯৭৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২৩.১৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় প্রায় ৬০ হাজার লোকের বাস। ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজারের মতো। পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন রকিবুল হক ছানা। দায়িত্ব নিয়ে তিনি পৌরসভায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেক কাজ করেছেন।

তারপরও রয়ে গেছে অনেক সমস্য। সাড়ে চার দশকের বেশি বয়সের এ পৌরসভা এখনও পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধায় আসেনি। গড়ে উঠেনি পৃথক বাস স্ট্যান্ড, রিকশা ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড। ফলে প্রতিদিই যানজট লেগে থাকে। ত্রুটিপূর্ণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিনোদন কেন্দ্র ও খেলার মাঠ না থাকায় শিশু-কিশোররা নেশার দিকে ঝুঁকছে। এসব কারণে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা রায়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, ‘পৌর এলাকার গ্রামীণ রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী। পর্যাপ্ত সড়ক বাতি নেই। দখল ও দূষণে বৈরান নদীর অবস্থা খারাপ। এ নদী এখন পৌরবাসীর দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নদী রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নেই।’

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) গোপালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব রেজা সরকার আতিক বলেন, ‘পৌরসভায় উল্লেখ করার মতো কোনো উন্নয়ন হয়নি। দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে পৌরবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সহসভাপতি কেএম মিঠুর অভিযোগ, ‘বর্জ্যরে দুর্গন্ধের সঙ্গে পৌরবাসীর বসবাস। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের পাশে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে; যা একেবারেই সমীচীন নয়।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেয়র রকিবুল হক ছানা। তিনি বলেন, সমস্যা আছে। তবে সমস্যা সমাধানের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। বৈষম্যমূলক নীতির কারণে কম অনুদান পাচ্ছি আর তা দিয়েই পৌরবাসীর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

বছরে ৫০-৬০ লাখ টাকার যে অনুদান বরাদ্দ মিলে তা দিয়ে দৃশ্যমান উন্নয়ন সম্ভব হয় না। সর্বনিু ট্যাক্স ২০ টাকা দিয়ে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নাগরিক সুবিধা উন্নত করা শুধু কঠিন নয়, মহাকঠিন। তবুও ‘কঠিনেরে ভালোবেসে’ কাজ করে যাচ্ছি। আর এর মধ্য দিয়েই সফলতা পাচ্ছি। আমার সময়েই পৌরসভা ‘গ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।’

মেয়র বলেন, ‘পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পাম্প স্থাপন করেছি। যার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক পৌরবাসী বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছেন। ১২শ’র মতো সড়ক বাতি স্থাপন করেছি; যা পৌর এলাকার রাতের অন্ধকার দূর করে নাগরিকদের নিরাপত্তা দিচ্ছে।

পৌর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছি। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে মাদক ,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ইত্যাদি সামাজিক অনাচার বন্ধ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘পৌরসভার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ১২ বছর বন্ধ ছিল। এটি চালু করেছি। মাসের শেষ মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে পৌরবাসীকে চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

পৌরসভার সহায়তায় কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন, ইপি আই, টিকা দান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন কর্মসূচি চলছে।’

বৈরান নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে মেয়র ছানা বলেন, ‘পৌরসভার মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া বৈরান নদীর কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় না বললেই চলে। বৃষ্টির পরপরই পানি নদীতে নেমে যায়। এজন্যই ড্রেনেজ ব্যবস্থা তেমন গড়ে উঠেনি। কিন্তু দুই ধার দখল ও বসবাসকারী মানুষের ফেলা বর্জ্যে বৈরান নদী আগের চেহারায় নেই।

দখল-দূষণে এ নদী পৌরবাসীর জন্য দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে না থাকায় বৈরান দখলমুক্ত করার কোনো উদ্যোগ নেয়া যাচ্ছে না। প্রশাসন ও বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি বারবার তুলে ধরেছি।’

বিনোদন কেন্দ্র ও শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ না থাকার বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘পৌর এলাকার ৪০ বিঘা জমি দখল হয়ে আছে। ইচ্ছে ছিল ওই জমি গণপূর্ত বিভাগের কাছ থেকে লিজ নিয়ে বিনোদন কেন্দ্রসহ ব্যবহার উপযোগী করব।

ওই জমিতে আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আমার আবেদন বাতিল হয়ে গেছে।’

দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পৌরসভাকে দুর্নীতি মুক্ত করেছি। এখন পৌর কর্মচারীদের কেউ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। সর্বোচ্চ ২০ মাসের বেতন বাকি থাকার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পৌরবাসীকে নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘৩৫ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রাপ্তির খুব কাছাকাছি রয়েছি। এ প্রকল্প অনুমোদন পেলে অনেক সমস্যার সমাধানই হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও নির্বাচনের সময় দেয়া প্রতিশ্রুতির ৮০ ভাগ পূরণ করেছি। বাকি ২০ ভাগ কাজ আগামী নির্বাচনের আগেই শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।’

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার

অনুদান স্বল্পতা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে সফল: গোপালপুর পৌরসভার মেয়র

 মো. সেলিম হোসেন, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) 
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
রকিবুল হক ছানা
রকিবুল হক ছানা। ছবি: যুগান্তর

গোপালপুর পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৯৭৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২৩.১৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় প্রায় ৬০ হাজার লোকের বাস। ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজারের মতো। পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন রকিবুল হক ছানা। দায়িত্ব নিয়ে তিনি পৌরসভায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেক কাজ করেছেন।

তারপরও রয়ে গেছে অনেক সমস্য। সাড়ে চার দশকের বেশি বয়সের এ পৌরসভা এখনও পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধায় আসেনি। গড়ে উঠেনি পৃথক বাস স্ট্যান্ড, রিকশা ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড। ফলে প্রতিদিই যানজট লেগে থাকে। ত্রুটিপূর্ণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিনোদন কেন্দ্র ও খেলার মাঠ না থাকায় শিশু-কিশোররা নেশার দিকে ঝুঁকছে। এসব কারণে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা রায়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, ‘পৌর এলাকার গ্রামীণ রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী। পর্যাপ্ত সড়ক বাতি নেই। দখল ও দূষণে বৈরান নদীর অবস্থা খারাপ। এ নদী এখন পৌরবাসীর দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নদী রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নেই।’

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) গোপালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব রেজা সরকার আতিক বলেন, ‘পৌরসভায় উল্লেখ করার মতো কোনো উন্নয়ন হয়নি। দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে পৌরবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সহসভাপতি কেএম মিঠুর অভিযোগ, ‘বর্জ্যরে দুর্গন্ধের সঙ্গে পৌরবাসীর বসবাস। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের পাশে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে; যা একেবারেই সমীচীন নয়।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেয়র রকিবুল হক ছানা। তিনি বলেন, সমস্যা আছে। তবে সমস্যা সমাধানের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। বৈষম্যমূলক নীতির কারণে কম অনুদান পাচ্ছি আর তা দিয়েই পৌরবাসীর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

বছরে ৫০-৬০ লাখ টাকার যে অনুদান বরাদ্দ মিলে তা দিয়ে দৃশ্যমান উন্নয়ন সম্ভব হয় না। সর্বনিু ট্যাক্স ২০ টাকা দিয়ে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নাগরিক সুবিধা উন্নত করা শুধু কঠিন নয়, মহাকঠিন। তবুও ‘কঠিনেরে ভালোবেসে’ কাজ করে যাচ্ছি। আর এর মধ্য দিয়েই সফলতা পাচ্ছি। আমার সময়েই পৌরসভা ‘গ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।’

মেয়র বলেন, ‘পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পাম্প স্থাপন করেছি। যার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক পৌরবাসী বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছেন। ১২শ’র মতো সড়ক বাতি স্থাপন করেছি; যা পৌর এলাকার রাতের অন্ধকার দূর করে নাগরিকদের নিরাপত্তা দিচ্ছে।

পৌর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছি। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে মাদক ,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ইত্যাদি সামাজিক অনাচার বন্ধ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘পৌরসভার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ১২ বছর বন্ধ ছিল। এটি চালু করেছি। মাসের শেষ মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে পৌরবাসীকে চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

পৌরসভার সহায়তায় কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন, ইপি আই, টিকা দান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন কর্মসূচি চলছে।’

বৈরান নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে মেয়র ছানা বলেন, ‘পৌরসভার মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া বৈরান নদীর কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় না বললেই চলে। বৃষ্টির পরপরই পানি নদীতে নেমে যায়। এজন্যই ড্রেনেজ ব্যবস্থা তেমন গড়ে উঠেনি। কিন্তু দুই ধার দখল ও বসবাসকারী মানুষের ফেলা বর্জ্যে বৈরান নদী আগের চেহারায় নেই।

দখল-দূষণে এ নদী পৌরবাসীর জন্য দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে না থাকায় বৈরান দখলমুক্ত করার কোনো উদ্যোগ নেয়া যাচ্ছে না। প্রশাসন ও বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি বারবার তুলে ধরেছি।’

বিনোদন কেন্দ্র ও শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ না থাকার বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘পৌর এলাকার ৪০ বিঘা জমি দখল হয়ে আছে। ইচ্ছে ছিল ওই জমি গণপূর্ত বিভাগের কাছ থেকে লিজ নিয়ে বিনোদন কেন্দ্রসহ ব্যবহার উপযোগী করব।

ওই জমিতে আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আমার আবেদন বাতিল হয়ে গেছে।’

দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পৌরসভাকে দুর্নীতি মুক্ত করেছি। এখন পৌর কর্মচারীদের কেউ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। সর্বোচ্চ ২০ মাসের বেতন বাকি থাকার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পৌরবাসীকে নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘৩৫ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রাপ্তির খুব কাছাকাছি রয়েছি। এ প্রকল্প অনুমোদন পেলে অনেক সমস্যার সমাধানই হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও নির্বাচনের সময় দেয়া প্রতিশ্রুতির ৮০ ভাগ পূরণ করেছি। বাকি ২০ ভাগ কাজ আগামী নির্বাচনের আগেই শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন