অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল, আছে ব্যর্থতাও
jugantor
যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কালিয়া পৌরসভার মেয়র
অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল, আছে ব্যর্থতাও

  মো. শাহীদুল ইসলাম শাহী, নড়াইল  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের কালিয়া পৌরসভা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ পৌরসভার আয়তন ২৯ দশমিক ২২ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ২৯ হাজার ২৫৫ জন। মোট ভোটার ১৫ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬১৬ এবং মহিলা ৭ হাজার ৬০০ জন। ২০১১ সালের নভেম্বরে এ পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে পৌরসভার অষ্টম মেয়র নির্বাচিত হন ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন।

পৌরবাসীর অভিযোগ, ৪৩ বছর বয়সী এ পৌরসভাটির কাক্সিক্ষত উন্নয়ন হয়নি। ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শেখ সরোয়ার হোসেন বলেন, শহরের অধিকাংশ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী। বিশেষ করে ব্যস্ততম কলেজ-বাজার সড়কে খানখন্দের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। শহরে কুকুরের উৎপাত বেড়েছে। সড়কে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা অন্ধকারে বাড়তি সুবিধা নিচ্ছে। একমাত্র বাসস্ট্যান্ডের দীর্ঘদিন কোনো উন্নয়ন হয়নি। স্যানিটেশন ব্যবস্থা আরও মানসম্পন্ন হওয়া দরকার।

১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা উৎপল কুমার ঘোষ বলেন, এ শহরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হলেও যে ধরনের নাগরিক সুবিধা থাকা দরকার তা নেই। শিশুদের জন্য কোনো খেলার মাঠ বা পার্ক নেই। ট্যাক্সের পরিমাণ বেশি, সেবার মান কম। ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টি হলে শহরের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পশু ব্যবসায়ী মো. শহিদুল শেখ বলেন, পশুর হাটটি ভেঙে যেতে বসেছে। এ কারণে পৌরসভা মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ হাটের রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এছাড়া নদীভাঙন একটি বড় সমস্যা। বড়কালিয়া, কুলশুর, বেন্দায় নবগঙ্গা নদীর ভাঙন লেগেই আছে। এসব গ্রামের বাসিন্দারা নদীভাঙনের কবলে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।

এসব অভিযোগের জবাবে পৌর মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন যুগান্তরকে বলেন, গত নির্বাচনের আগে পৌরবাসীকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেইনি। তবে পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সব সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করব বলে কথা দিয়েছিলাম। নির্বাচনের পর পৌরবাসীর সুপারিশ ও মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমার সাফল্য আছে। কিছু কিছুু ক্ষেত্রে ব্যর্থতাও রয়েছে।

তিনি বলেন, পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়কে রাতে বাতির ব্যবস্থা করেছি। গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিকসহ নানাভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। পৌরবাসীর ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়নি। অপরদিকে সেবা নিতে এসে কেউ হয়রানির শিকার হননি। নাগরিকদের ডেঙ্গুসহ সর্বক্ষেত্রে সচেতন করতে সভা-সমাবেশ করে যাচ্ছি। পৌরসভাকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করতে পেরেছি। তবে ময়লা-আবর্জনা বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি রয়েছে। বাজেটের অপ্রতুলতা এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা না পাওয়ায় এ সমস্যার সমাধান করতে পারিনি।

মেয়র আরও বলেন, সাড়ে তিন বছরে কালিয়া পৌর এলাকায় ১২ কোটি ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। এরই মধ্যে জরাজীর্ণ খানাখন্দের সড়কগুলো মেরামতের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে। এরপর যাতায়াত ও যানবাহন চলাচলে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। একমাত্র বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়ন করা হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও করা হবে। পৌরসভায় অবস্থিত কবরস্থানগুলোর উন্নয়নে অনুদান দেয়া হচ্ছে। চলতি বছর চাঁদপুর কবরস্থানের জন্য ১ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে সৃষ্টিকর্তা যদি অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন এবং বিজয়ী হই, তাহলে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার চেষ্টা করব। সে কারণে পৌরসভার রাজস্ব বাড়ানোর জন্য এখন থেকেই কাজ করে যাচ্ছি।

ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পৌসভার কর্মী নিয়োগ দিয়ে সহায়তা করছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের কোনো ভ্যাকসিন নেই। ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হলে রোগীরা পৌরসভায় আসেন এবং ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে নিয়ে যান। পৌরসভার চাহিদা মোতাবেক সরকারি বরাদ্দ পেলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। আর নদীভাঙন রোধে নড়াইল-১ আসনের এমপি মো. কবিরুল হক মুক্তির সহযোগিতায় কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব এলাকার ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে।

মেয়র বলেন, এ পৌরসভায় রয়েছে অনেক ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন- সরকারি শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজে রয়েছে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ সম্পূর্ণ পিতলের তৈরি ৫ টন ওজনের জগন্নাথ দেবের রথ। এছাড়া পৌরসভার পুরনো ভবনের পূর্বপাশে উদয় শংকর ও রবিশঙ্করের স্মৃতিবিজড়িত সৌন্দর্যমণ্ডিত দ্বিতল আদি বাড়ি রয়েছে। এখানে রয়েছে প্রয়াত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মামাবাড়ির স্মৃতিও। প্রতিদিন অনেক মানুষ স্মৃতিবিজড়িত কালিয়া শহরকে একনজর দেখতে আসেন।

শিশুদের জন্য পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্র প্রসঙ্গে মেয়র লিটন বলেন, একটি শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠা করা খুবই প্রয়োজন, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, পৌরসভার একজন খাদেম হিসেবে পৌরবাসীর খেদমত করে যাচ্ছি। সাফল্যের পাশাপাশি কিছুটা যে ব্যর্থতা আছে, এটা আমি অকপটে স্বীকার করতে দ্বিধা করব না।

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কালিয়া পৌরসভার মেয়র

অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল, আছে ব্যর্থতাও

 মো. শাহীদুল ইসলাম শাহী, নড়াইল 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের কালিয়া পৌরসভা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ পৌরসভার আয়তন ২৯ দশমিক ২২ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ২৯ হাজার ২৫৫ জন। মোট ভোটার ১৫ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬১৬ এবং মহিলা ৭ হাজার ৬০০ জন। ২০১১ সালের নভেম্বরে এ পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে পৌরসভার অষ্টম মেয়র নির্বাচিত হন ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন।

পৌরবাসীর অভিযোগ, ৪৩ বছর বয়সী এ পৌরসভাটির কাক্সিক্ষত উন্নয়ন হয়নি। ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শেখ সরোয়ার হোসেন বলেন, শহরের অধিকাংশ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী। বিশেষ করে ব্যস্ততম কলেজ-বাজার সড়কে খানখন্দের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। শহরে কুকুরের উৎপাত বেড়েছে। সড়কে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা অন্ধকারে বাড়তি সুবিধা নিচ্ছে। একমাত্র বাসস্ট্যান্ডের দীর্ঘদিন কোনো উন্নয়ন হয়নি। স্যানিটেশন ব্যবস্থা আরও মানসম্পন্ন হওয়া দরকার।

১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা উৎপল কুমার ঘোষ বলেন, এ শহরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হলেও যে ধরনের নাগরিক সুবিধা থাকা দরকার তা নেই। শিশুদের জন্য কোনো খেলার মাঠ বা পার্ক নেই। ট্যাক্সের পরিমাণ বেশি, সেবার মান কম। ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টি হলে শহরের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পশু ব্যবসায়ী মো. শহিদুল শেখ বলেন, পশুর হাটটি ভেঙে যেতে বসেছে। এ কারণে পৌরসভা মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ হাটের রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এছাড়া নদীভাঙন একটি বড় সমস্যা। বড়কালিয়া, কুলশুর, বেন্দায় নবগঙ্গা নদীর ভাঙন লেগেই আছে। এসব গ্রামের বাসিন্দারা নদীভাঙনের কবলে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।

এসব অভিযোগের জবাবে পৌর মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন যুগান্তরকে বলেন, গত নির্বাচনের আগে পৌরবাসীকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেইনি। তবে পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সব সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করব বলে কথা দিয়েছিলাম। নির্বাচনের পর পৌরবাসীর সুপারিশ ও মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমার সাফল্য আছে। কিছু কিছুু ক্ষেত্রে ব্যর্থতাও রয়েছে।

তিনি বলেন, পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়কে রাতে বাতির ব্যবস্থা করেছি। গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিকসহ নানাভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। পৌরবাসীর ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়নি। অপরদিকে সেবা নিতে এসে কেউ হয়রানির শিকার হননি। নাগরিকদের ডেঙ্গুসহ সর্বক্ষেত্রে সচেতন করতে সভা-সমাবেশ করে যাচ্ছি। পৌরসভাকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করতে পেরেছি। তবে ময়লা-আবর্জনা বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি রয়েছে। বাজেটের অপ্রতুলতা এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা না পাওয়ায় এ সমস্যার সমাধান করতে পারিনি।

মেয়র আরও বলেন, সাড়ে তিন বছরে কালিয়া পৌর এলাকায় ১২ কোটি ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। এরই মধ্যে জরাজীর্ণ খানাখন্দের সড়কগুলো মেরামতের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে। এরপর যাতায়াত ও যানবাহন চলাচলে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। একমাত্র বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়ন করা হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও করা হবে। পৌরসভায় অবস্থিত কবরস্থানগুলোর উন্নয়নে অনুদান দেয়া হচ্ছে। চলতি বছর চাঁদপুর কবরস্থানের জন্য ১ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে সৃষ্টিকর্তা যদি অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন এবং বিজয়ী হই, তাহলে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার চেষ্টা করব। সে কারণে পৌরসভার রাজস্ব বাড়ানোর জন্য এখন থেকেই কাজ করে যাচ্ছি।

ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পৌসভার কর্মী নিয়োগ দিয়ে সহায়তা করছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের কোনো ভ্যাকসিন নেই। ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হলে রোগীরা পৌরসভায় আসেন এবং ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে নিয়ে যান। পৌরসভার চাহিদা মোতাবেক সরকারি বরাদ্দ পেলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। আর নদীভাঙন রোধে নড়াইল-১ আসনের এমপি মো. কবিরুল হক মুক্তির সহযোগিতায় কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব এলাকার ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে।

মেয়র বলেন, এ পৌরসভায় রয়েছে অনেক ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন- সরকারি শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজে রয়েছে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ সম্পূর্ণ পিতলের তৈরি ৫ টন ওজনের জগন্নাথ দেবের রথ। এছাড়া পৌরসভার পুরনো ভবনের পূর্বপাশে উদয় শংকর ও রবিশঙ্করের স্মৃতিবিজড়িত সৌন্দর্যমণ্ডিত দ্বিতল আদি বাড়ি রয়েছে। এখানে রয়েছে প্রয়াত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মামাবাড়ির স্মৃতিও। প্রতিদিন অনেক মানুষ স্মৃতিবিজড়িত কালিয়া শহরকে একনজর দেখতে আসেন।

শিশুদের জন্য পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্র প্রসঙ্গে মেয়র লিটন বলেন, একটি শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠা করা খুবই প্রয়োজন, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, পৌরসভার একজন খাদেম হিসেবে পৌরবাসীর খেদমত করে যাচ্ছি। সাফল্যের পাশাপাশি কিছুটা যে ব্যর্থতা আছে, এটা আমি অকপটে স্বীকার করতে দ্বিধা করব না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন