সমস্যার সমাধান করছি পর্যায়ক্রমে: নজিপুর পৌরসভার মেয়র
jugantor
যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার
সমস্যার সমাধান করছি পর্যায়ক্রমে: নজিপুর পৌরসভার মেয়র

  মো. আবু সাঈদ, পত্নীতলা (নওগাঁ)  

২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী

নওগাঁ জেলার নজিপুর পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৯৯৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভার আয়তন ১১.৮১ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ৪৫ হাজার মানুষের বসবাস।

ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৭৭৬ জন।

নারী ভোটার ৮ হাজার ৭৭ জন। ২০১৮ সালে পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল কবির চৌধুরী।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির আনোয়ার হোসেনকে পরাজিত করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালনের সাড়ে তিন বছরে উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন তিনি। তারপরও রয়ে গেছে অনেক সমস্যা।

বৃষ্টি হলেই শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি রয়েছে। ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। যানবাহনে চাঁদাবাজি হচ্ছে। অনেক রাস্তাই খানাখন্দে ভরা। রাস্তাগুলোয় পর্যাপ্ত বাতি নেই। নেই বাসস্ট্যান্ড। এসব কারণে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

নজিপুর সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ (অব.) ময়েজ উদ্দীনের অভিযোগ, প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে যেসব সুবিধা থাকার কথা তা এখানে নেই। পৌরবাসীর ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ নাগরিক ও শিশুদের জন্য বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নজরদারি না থাকায় শিক্ষার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। পৌরসভার অলিগলিতে অবাধে মাদক বেচাকেনা হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর এলাকার সড়কগুলো দিন দিন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাস্তার পাশে বেআইনিভাবে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এখানে আবাসিক হোটেলের নামে দেহব্যবসা চলছে। এ নিয়ে মেয়রের মাথা ব্যথা নেই।’

নজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক বলেন, ‘পৌর মেয়র ও কাউন্সিলররা যখন নিজেরাই ঠিকাদার বনে যান তখন ভালো কিছু আশা করাটা দুরাশা।’

এসব অভিযোগের জবাব ও নিজের সফলতার কথা জানাতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনের সাড়ে তিন বছরে পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

পানির লাইন নির্মাণ, সরকারি গোরস্থান সংস্কার ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেছি। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছি। শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছি। মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা-সেমিনার করছি।’

অহেতুক করের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কর বৃদ্ধি করেছি পৌরবাসীর সেবা দেয়ার জন্য। সরকারি বিধিমালার পরিপ্রেক্ষিতে কর নির্ধারণ করা হয়েছে। অনেক পৌরসভা আছে যারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না। কিন্তু বেতন-ভাতা নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

পানি নিষ্কাশন, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন কিছু ড্রেন নির্মাণ করেছি। পুরাতন ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করছি। এর ফলে শহরে তেমন জলবদ্ধতা নেই। পর্যায়ক্রমে পুরো পৌর এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করা হবে। বর্জ্য ফেলানোর জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হবে।’

অবৈধভাবে ফুটপাত দখল প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘ফুটপাতে যারা ব্যবসা করেন তারা অত্যন্ত গরিব মানুষ। এ কথা ভেবেই তাদের উচ্ছেদ করা হয়নি। তাদের একটি নির্ধারিত জায়গায় পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে সব সমস্যা একবারে সমাধান করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।’

পৌরসভার টোকেন দিয়ে যানবাহনে চাঁদাবাজি বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা তো চাঁদা তুলছি না। পৌরসভা থেকে স্ট্যান্ড ইজারা দিয়েছি। ইজারা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন হচ্ছে। এখানে সমস্যার কিছু দেখি না।’ রাস্তাঘাটের অবস্থা সম্পর্কে মেয়র বলেন, ‘৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। আর যেসব রাস্তা সংস্কার করার প্রয়োজন তা সংস্কার করা হচ্ছে।’

মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাঝে সমন্বয়হীনতা ও টেন্ডার বাণিজ্য প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘এখানে কোনো টেন্ডার বাণিজ্য হয় না। নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আমি নিজে ও কাউন্সিলররা ঠিকাদারির সঙ্গে জড়িত নই। তবে দু’জন কাউন্সিলর অন্য ঠিকাদারের কাজ কিনে নিয়ে কাজ করছেন। দায়িত্ব নেয়ার পর পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত করেছি।’

আবাসিক হোটেলগুলোতে দেহব্যবসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অসামাজিক কাজ বন্ধ করতে পুলিশের সহায়তা নিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ অপরাধে ইতিপূর্বে সৌদিয়া আবাসিক হোটেল বন্ধ করে দিয়েছি।’

নিয়মবহির্ভূতভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বিষয়ে মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘গ্যাস ব্যবসায়ীদের ডেকে সতর্ক করা হবে। তারপরও কাজ না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’ বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে ইজারাদারদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে।’

পর্যাপ্ত সড়ক বাতি না থাকা বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘সড়ক বাতি স্থাপনের জন্য ৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পুরো পৌরসভা আলোকিত হবে।’

বাসস্ট্যান্ড না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করার মতো জায়গা নেই। জমি ক্রয় করে বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করব।’

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার

সমস্যার সমাধান করছি পর্যায়ক্রমে: নজিপুর পৌরসভার মেয়র

 মো. আবু সাঈদ, পত্নীতলা (নওগাঁ) 
২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী
নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী। ছবি- যুগান্তর

নওগাঁ জেলার নজিপুর পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৯৯৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভার আয়তন ১১.৮১ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ৪৫ হাজার মানুষের বসবাস।

ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৭৭৬ জন।

নারী ভোটার ৮ হাজার ৭৭ জন। ২০১৮ সালে পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল কবির চৌধুরী।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির আনোয়ার হোসেনকে পরাজিত করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালনের সাড়ে তিন বছরে উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন তিনি। তারপরও রয়ে গেছে অনেক সমস্যা।

বৃষ্টি হলেই শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি রয়েছে। ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। যানবাহনে চাঁদাবাজি হচ্ছে। অনেক রাস্তাই খানাখন্দে ভরা। রাস্তাগুলোয় পর্যাপ্ত বাতি নেই। নেই বাসস্ট্যান্ড। এসব কারণে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

নজিপুর সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ (অব.) ময়েজ উদ্দীনের অভিযোগ, প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে যেসব সুবিধা থাকার কথা তা এখানে নেই। পৌরবাসীর ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ নাগরিক ও শিশুদের জন্য বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নজরদারি না থাকায় শিক্ষার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। পৌরসভার অলিগলিতে অবাধে মাদক বেচাকেনা হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর এলাকার সড়কগুলো দিন দিন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাস্তার পাশে বেআইনিভাবে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এখানে আবাসিক হোটেলের নামে দেহব্যবসা চলছে। এ নিয়ে মেয়রের মাথা ব্যথা নেই।’

নজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক বলেন, ‘পৌর মেয়র ও কাউন্সিলররা যখন নিজেরাই ঠিকাদার বনে যান তখন ভালো কিছু আশা করাটা দুরাশা।’

এসব অভিযোগের জবাব ও নিজের সফলতার কথা জানাতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনের সাড়ে তিন বছরে পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

পানির লাইন নির্মাণ, সরকারি গোরস্থান সংস্কার ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেছি। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছি। শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছি। মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা-সেমিনার করছি।’

অহেতুক করের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কর বৃদ্ধি করেছি পৌরবাসীর সেবা দেয়ার জন্য। সরকারি বিধিমালার পরিপ্রেক্ষিতে কর নির্ধারণ করা হয়েছে। অনেক পৌরসভা আছে যারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না। কিন্তু বেতন-ভাতা নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

পানি নিষ্কাশন, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন কিছু ড্রেন নির্মাণ করেছি। পুরাতন ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করছি। এর ফলে শহরে তেমন জলবদ্ধতা নেই। পর্যায়ক্রমে পুরো পৌর এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করা হবে। বর্জ্য ফেলানোর জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হবে।’

অবৈধভাবে ফুটপাত দখল প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘ফুটপাতে যারা ব্যবসা করেন তারা অত্যন্ত গরিব মানুষ। এ কথা ভেবেই তাদের উচ্ছেদ করা হয়নি। তাদের একটি নির্ধারিত জায়গায় পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে সব সমস্যা একবারে সমাধান করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।’

পৌরসভার টোকেন দিয়ে যানবাহনে চাঁদাবাজি বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা তো চাঁদা তুলছি না। পৌরসভা থেকে স্ট্যান্ড ইজারা দিয়েছি। ইজারা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন হচ্ছে। এখানে সমস্যার কিছু দেখি না।’ রাস্তাঘাটের অবস্থা সম্পর্কে মেয়র বলেন, ‘৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। আর যেসব রাস্তা সংস্কার করার প্রয়োজন তা সংস্কার করা হচ্ছে।’

মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাঝে সমন্বয়হীনতা ও টেন্ডার বাণিজ্য প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘এখানে কোনো টেন্ডার বাণিজ্য হয় না। নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আমি নিজে ও কাউন্সিলররা ঠিকাদারির সঙ্গে জড়িত নই। তবে দু’জন কাউন্সিলর অন্য ঠিকাদারের কাজ কিনে নিয়ে কাজ করছেন। দায়িত্ব নেয়ার পর পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত করেছি।’

আবাসিক হোটেলগুলোতে দেহব্যবসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অসামাজিক কাজ বন্ধ করতে পুলিশের সহায়তা নিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ অপরাধে ইতিপূর্বে সৌদিয়া আবাসিক হোটেল বন্ধ করে দিয়েছি।’

নিয়মবহির্ভূতভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বিষয়ে মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘গ্যাস ব্যবসায়ীদের ডেকে সতর্ক করা হবে। তারপরও কাজ না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’ বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে ইজারাদারদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে।’

পর্যাপ্ত সড়ক বাতি না থাকা বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘সড়ক বাতি স্থাপনের জন্য ৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পুরো পৌরসভা আলোকিত হবে।’

বাসস্ট্যান্ড না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করার মতো জায়গা নেই। জমি ক্রয় করে বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করব।’