Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

সাক্ষাৎকারে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জরিমানা যথেষ্ট নয়

Advertisement

Icon

আবদুল্লাহ আল মামুন

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৩, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জরিমানা যথেষ্ট নয়

Advertisement

ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশার বিস্তার রোধে সিঙ্গাপুরের মতো শাস্তির বিধান প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সিঙ্গাপুর এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে শাস্তি হিসাবে শুধু জরিমানা করে না, জেলও দেয়। যাদের বাড়িতে পুনঃপুন পরীক্ষায় এডিস মশার উপস্থিতি পাওয়া যায়, তাদের জেল দেওয়া হয়। এ ধরনের বিধান আমাদের দেশেও প্রয়োজন।

সচিবালয়ে বুধবার যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যেসব বাসা-বাড়ি ও স্থাপনায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা মিলছে, দুই সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সেক্ষেত্রে কেবল দায়ী ব্যক্তিদের জরিমানা করতে পারছে। তাই এ ব্যবস্থায় ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না।’

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ সময় বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তার সরকারের গৃহীত নানান উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, নির্বাহী ক্ষমতা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের মধ্যকার টানাপোড়েন, পদমর্যাদার দাবিতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের আন্দোলন প্রসঙ্গ রয়েছে।

যুগান্তর : ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও মশা নিধনে সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না-এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

তাজুল ইসলাম : ২০১৯ সালে অসংখ্য মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় এবং দুঃখজনক হলো ওই সময় কিছু লোকের মৃত্যুও হয়েছে। ওই বছর জানুয়ারিতে আমি মন্ত্রী হয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার উদ্যোগ নিই। মানুষকে সচেতন করতে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন তৈরি করে তা প্রচারের ব্যবস্থা করি। যেসব দেশ কয়েক দশক ধরে ডেঙ্গু রোগের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ করছে যেমন:

ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা কী উপায়ে এডিস মশার বিস্তার রোধ করছে; তা জেনে পদক্ষেপ নিই। ২০১৯ সালের সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা ২০২০ ও ২০২১ সালে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখি। প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ২০২২ সালে আমরা থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের তুলনায় ভালো নিয়ন্ত্রণ করেছিলাম।

যুগান্তর : ভরা ডেঙ্গু মৌসুমে একজন মেয়র দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশ সফর করেছেন, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে?

তাজুল ইসলাম : সিটি করপোরেশন শুধু একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়। এই সংস্থার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে হাজার হাজার লোক জড়িত। অতএব তাদের কার্যক্রম অনুপস্থিত কখনো ছিল না। তাছাড়া আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সব কাউন্সিলরের সঙ্গে সভা করেছি; যাতে তারা আরও সক্রিয় হন। তারা আমাকে কথা দিয়েছেন, শপথ করেছেন এবং বলেছেন তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। তবে একেবারে হলফ করে বলা যাবে না যে, সবাই শতভাগ কাজ করছে। তাদের সবার কর্মক্ষমতাও একরকম নয়। ঘাটতি থাকতে পারে। কিন্তু ‘ওভারঅল’ তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন।

যুগান্তর : তাহলে কি আমরা বলতে পারি ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ইতিবাচক সংবাদ পাব?

তাজুল ইসলাম : এটা আসলে এককভাবে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এই শহরে দুই কোটি মানুষকে তাদের বসবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এটা দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষে করা সম্ভব নয়। সক্ষমতা থাকলেও এডিস মশা নিধনের জন্য প্রতিদিন স্প্রে করা যাবে না। এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা রয়েছে। তবে প্রত্যেক মানুষ যদি সচেতন হন এবং আমরা আমাদের দায়িত্ব যদি পালন করি, তাহলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই সম্ভব। সিঙ্গাপুর বলেছে, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে তারা শুধু শাস্তি হিসাবে জরিমানা করে না, জেলও দেয়। যাদের বাড়িতে পুনঃপুন পরীক্ষায় এডিস মশার উপস্থিতি পাওয়া যায়, তাদের জেল দেওয়া হয়। এ ধরনের শাস্তির বিধান আমাদেরও প্রয়োজন রয়েছে।

যুগান্তর : বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী বা প্রতিনিধি হিসাবে আন্তর্জাতিক ফোরামে ডেঙ্গু রোগের টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের বিষয়ে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন কি?

তাজুল ইসলাম : ভ্যাকসিন আবিষ্কারে সারা পৃথিবী ৫০-৬০ বছর আগে থেকে চেষ্টা করছে। এর মধ্যে কয়েকবার আবিষ্কারের দাবিও করা হয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে মানবদেহে ব্যবহারের পর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সেজন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শেষ পর্যন্ত তা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। আমি কয়েকদিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেলের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি।

যুগান্তর : কর্তৃত্ব নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের মধ্যে একধরনের টানাপোড়েন চলছে, বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। একজন রাজনীতিক হিসাবে আপনি কি মনে করেন, উপজেলা প্রশাসনের কর্তৃত্ব বা নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা চেয়ারম্যানদের কাছে থাকা উচিত?

তাজুল ইসলাম : আসলে সমন্বয় থাকতে হবে। আমার লক্ষ্য জনপ্রতিনিধিদের বড় করা বা সরকারি কর্মকর্তাদের ছোট করা নয়। মূল লক্ষ্য হলো জনগণকে উন্নত জীবন দেওয়া। জনপ্রতিনিধিদের প্রশিক্ষিত করে তোলা কিংবা এজন্য তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা আর না করলে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা-এগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে এখনো আমরা পুরোপুরি করে উঠতে পারিনি। এখানেই আমার মনে হয় কিছুটা দুর্বলতা রয়ে গেছে।

যুগান্তর : ২০০৮ সালের ইশতেহারে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকার করেছিল স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করবে। আপনি কি মনে করেন আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করেছে?

তাজুল ইসলাম : অবশ্যই আমরা শক্তিশালী করেছি। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক শক্তিশালী।

যুগান্তর : অনেক পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে বেতন হয় না। অবসরে যাওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য আপনাদের কি কোনো পরিকল্পনা আছে?

তাজুল ইসলাম : বর্তমানে হয়তো দু-একটা পৌরসভায় বেতন নিয়ে সমস্যা থাকতে পারে। আগে শতকরা ১০ ভাগ পৌরসভায় বেতন হতো। এখন শতকরা ৯৯ ভাগ পৌরসভা বেতন দেয়।

যুগান্তর : প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের দাবিটি সব মহলের। এই প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল। সরকার কি শেষ পর্যন্ত এটা করবে?

তাজুল ইসলাম : প্রশাসনিক বিষয়ে অনেক কাজের জন্য এখন মানুষকে ঢাকায় আসতে হয় না। ডিজিটালি তারা সাপোর্ট পেয়ে যাচ্ছেন। কর্মকর্তারা আগে অনেক কাগজ নিয়ে ঢাকায় আসতেন। ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে এখন আর প্রয়োজন হয় না। এ রকম বহু সেবা এখন জেলা পর্যায় থেকেই দেওয়া হচ্ছে। এটাই বিকেন্দ্রীকরণ বলে আমি মনে করি।

যুগান্তর : জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপমন্ত্রীর পদমর্যাদার দাবিতে আন্দোলন করছেন। বিষয়টি নিষ্পত্তি করছেন না কেন?

তাজুল ইসলাম : এ বিষয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন। অবশ্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেক বিষয় দেখতে হবে। উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিলে সমসাময়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কোথাও কনফ্লিক্ট করবে কি না-পদমর্যাদা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আরও বেশি সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হবে কি না, তা দেখার আছে।

যুগান্তর : সমালোচনা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও ঢাকা এবং চট্টগ্রাম ওয়াসায় এমডি হিসাবে পুনরায় আগের দুই আলোচিত ব্যক্তিকে নিয়োগ (চুক্তি বৃদ্ধি) দেওয়া হয়েছে। এর কারণ কী? দেশে এ দুজনের বিকল্প যোগ্য ব্যক্তি কি নেই?

তাজুল ইসলাম : আমাদের যদি যোগ্য ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বাদ দিয়ে আরেকজন যোগ্য ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা কি খুব প্রয়োজন? একটা লোককে বারবার কেন দিলাম সেটা আগে দেখার বিষয়, তিনি মানুষকে সেবা দিচ্ছেন কি না। আগে মানুষ পানি পেত না। তিনি আসার পর পানি সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বাইরে তার বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর : সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোনো উন্নয়নমূলক প্রকল্প কি হাতে নেওয়া হয়েছে?

তাজুল ইসলাম : নির্বাচনের বিষয়ে কোনো বিশেষ প্রকল্প নেওয়ার বিষয়ে আমি অবহিত নই। দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তা পূরণের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করছি।

যুগান্তর : বর্জ্য থেকে বিদ্যুতের একটি প্রকল্প আপনারা গ্রহণ করেছেন। আমরা ভবিষ্যতে এই প্রকল্পের সুফল কতটা পেতে পারি?

তাজুল ইসলাম : সারা পৃথিবীতে এটা পরীক্ষিত। এই বর্জ্য সারা পৃথিবীতে একটা মাথাব্যথার কারণ। কিন্তু এই প্রকল্পের মাধ্যমে বর্জ্যকে পুড়িয়ে ‘বাই প্রডাক্ট’ হিসাবে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে নিঃশেষ করা হয়। আমি আশাবাদী এ প্রকল্প থেকে মানুষ সুফল পাবে।

যুগান্তর : ডিটেল অ্যারিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) নিয়ে আপনি কাজ করছেন। এটা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আপনার কি কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে?

তাজুল ইসলাম : কোনো কাজ করতে গেলে সব মানুষ যে সন্তুষ্ট হবে তা নয়। কিন্তু আমি যেটা ন্যায্য বা সঠিক, সেটাই করেছি।

যুগান্তর : সারা দেশে মানুষের মধ্যে এলজিইডি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা আছে। মন্ত্রী হিসাবে আপনি কি এলজিইডি সম্পর্কে এই ধারণা দূর করতে কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন?

তাজুল ইসলাম : আমার মনে হয়, এখন এলজিইডির গুণগত মানের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন টেকসই রাস্তাঘাট, ব্রিজ নির্মাণ হয়। আগে স্বল্পব্যয়ে রাস্তা করা হতো। এখন স্থায়িত্ব বিবেচনা করে রাস্তাঘাট, ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে।

যুগান্তর : দেশের উত্তরাঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। অনেক গভীর নলকূপ বন্ধ হয়ে গেছে। তাই শুষ্ক মৌসুমে ওইসব এলাকায় খাবার পানির সংকট দেখা দিচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে আপনারা কি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন?

তাজুল ইসলাম : আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত। এ নিয়ে কাজ করছি। ২০৩০ সালের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ খাবার পানি যাতে ভূ-উপরিস্থ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে প্রয়োজন মেটানো যায়, সেই লক্ষ্যে কার্যক্রম চলছে।

যুগান্তর : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসাবে আপনি কি নিজেকে সফল মনে করেন? যদি সফল মনে করেন তাহলে এর পেছনে যুক্তি কী? সফল মনে না করলে কারণ কী?

তাজুল ইসলাম : এটা একটি আপেক্ষিক বিষয়। আমি আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। অনেক সুফলের জন্য আমি উৎসাহিতবোধ করি। আর যেসব কাজ এখনো শেষ করতে পারিনি, এ জন্য মনে ব্যথা তো আছেই।

যুগান্তর : রীতি অনুযায়ী সব সময় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়ে থাকেন। সে ক্ষেত্রে আপনি ব্যতিক্রম। আপনি কি মনে করেন অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছেন?

তাজুল ইসলাম : আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি স্বতঃস্ফূর্ত ও যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছি বলেই মনে করি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ যে, এ রকম একটা বড় দায়িত্ব তিনি আমাকে দিয়েছেন। যে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা করার সুযোগ হচ্ছে।

যুগান্তর : আপনার কি মনে হয় না, ইচ্ছা ছিল কিন্তু মন্ত্রী হওয়ার পরও অনেক বা কিছু কাজ করতে পারেননি?

তাজুল ইসলাম : ১০টা করে সফল হয়েছি, আরও ১০টা কাজ করার ইচ্ছা তো হতেই পারে। জাতির পিতা এ দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দেওয়ার জন্য আজীবন লড়াই করে নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। আমি সব সময় নেত্রীর সঙ্গে তার পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।

Advertisement

ডেঙ্গু তাজুল ইসলাম

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম