Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

নাশকতার পাঁচ মামলা

নীরব-মজনুসহ বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মীর সাজা

গত চার মাসে ৭৭ মামলায় ১১৯৫ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নীরব-মজনুসহ বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মীর সাজা

নীরব-মজনুসহ বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মীর সাজা

Advertisement

রাজধানীতে নাশকতার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় করা পাঁচ মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৭৮ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব রায় ঘোষণা করা হয়। এ পাঁচ মামলাসহ চার মাসে ৭৭ মামলায় ১১৯৫ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত।

নীরবসহ ১৪ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড : ১০ বছর আগে তেজগাঁও থানায় করা নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতাকর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন ঢাকা সিটির সাবেক কাউন্সিলর মো. আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পলাশ, তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রাজ, সেলিম, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ, যুবদল নেতা জালাল, শ্রমিক দল নেতা শাহ আলম, আব্দুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ছাত্রদল নেতা ঝন্টু।

আদালত তাদের প্রত্যেককে পেনাল কোডের ৪৩৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নাশকতার অভিযোগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।

মজনুসহ ১৩ নেতাকর্মীর সাজা : ২০১৮ সালে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অন্য ৫ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন বিএনপি নেতা আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ, গিয়াস উদ্দিন মানিক, বদরুল আলম সবুজ, সোহাগ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ ভাসানী চাকলাদার, মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

বনানী থানায় মামলায় ২০ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড : ২০১৮ সালে রাজধানীর বনানী থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে দুই ধারায় এক বছর নয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান, শাহজাহান সরকার, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আল মামুন, হাজী সৈয়দ আহমেদ মনজুর হোসেন, মো. ইমাম হোসেন, মো. সেলিম আহমেদ রাজু, শাজাহান বাবুর্চি, মিজানুর রহমান আক্তার, মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ফাহিম। আসামিদের প্রত্যেককে দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারায় তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪২৭ ধারায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলায় ১৮ নেতাকর্মীর সাজা : ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির ডাকা মিছিলে নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীকে ৪ বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী প্রত্যেককে তিন ধারায় দুই বছর, দেড় বছর ও ছয় মাসের সাজা দেন। সব সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক। ফলে তাদেরকে দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলে নাশকতার অভিযোগ করে ৬৩ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই মো. কামরুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তারেকুল রাজ্জাক, মহিবুল্লাহ, মো. পারভেজ, মো. নাঈম হোসেন, শামসুল আলম বাবুল, তরিকুল ইসলাম বাপ্পি, রনি, মো. মোশারফ হোসেন, মাঈনুল ইসলাম অমি, মো. তুহিন, মো. জিয়া, মো. কবির, মো. সাদ্দাম হোসেন রাব্বি, মোমিনুল হক অপু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, তাসলিমা আক্তার ভূঁইয়া বেবী, মো. জিন্নাত আলী ও জিহাদ আল সিফাত।

মতিঝিল থানার মামলায় ১৩ জনের সাজা : ১৩ বছর আগে মতিঝিল থানায় করা বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ। প্রত্যেককে দুই ধারায় দুই বছর করে সাজা এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোহসিন আহম্মদ, আ. মজিদ, জাহাঙ্গীর ওরফে টেম্পু জাহাঙ্গীর, নাসিরউদ্দিন তরফদার, ওলিউল্লাহ গাজী, রেদওয়ানুল কবির, খানজাত আলী সুজন, মো. মনির হোসেন, শাহাজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আ. কাদের ও ফারুক মোল্লা। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৪ জুন কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় হরতালকারীরা একটি বাসে আগুন দেয়। এ ঘটনায় মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

 

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

১০ মাসে ১১০ হত্যাকাণ্ড খুনের জনপদ কুমিল্লা

খুনের জনপদ কুমিল্লা

অভুক্তের পেট পুরায় ভাসানীর মুসাফিরখানা ৮০ বছর ফ্রি থাকা-খাওয়া

৮০ বছর ফ্রি থাকা-খাওয়া

হুথির হাতে যাচ্ছে তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজ

হুথির হাতে যাচ্ছে তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজ

ভোর থেকে দীর্ঘ লাইন সিংড়ায় সারের জন্য কৃষকদের হাহাকার

সিংড়ায় সারের জন্য কৃষকদের হাহাকার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম