সুযোগসন্ধানী কিছু লোকের কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পণ্যের সরবরাহ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কিছু সুযোগসন্ধানী লোকের কারণে জিনিসপত্রের মূল্য বেড়ে যায়। সে লক্ষ্যে রোজার ঈদের আগে যেভাবে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে, সেভাবে মনিটরিং করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন; যাতে ভোক্তারা কোনো অসুবিধায় না পড়েন, ন্যায্যমূল্যে জিনিসপত্র পান। এটা আমাদের কাজের জন্য সহায়ক হয়েছে, কাজে গতি পাবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
কৃত্রিমভাবে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে জানিয়ে সোমবার বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মনিটরিং আবার সচল করব। যাতে ঈদকে সামনে রেখে বাজার থেকে কেউ সুযোগ-সুবিধা নিতে না পারেন। এটা নিয়মিত মনিটরিং, একটা স্বাভাবিক গতিতে এ কার্যক্রম চলে। রমজানে ও ঈদে আমাদের বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। আমাদের অভিভাবক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন। তাহলে আমাদের কার্যক্রম জোরদার হবে, দৃশ্যমান হবে।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ঈদ পর্যন্ত কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না। এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি। পণ্যের চাহিদা ও জোগান এবং পণ্যের মূল্য যাতে নির্দেশক মূল্যের কাছাকাছি থাকে, সেটি রাখার চেষ্টা থাকবে। তবে আমরা তো ন্যায্যমূল্যের দোকান খুলিনি, এটা তো মুক্তবাজার অর্থনীতি।’
বাজার মনিটরিংয়ের অবহেলা থেকে কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানের আগে-পরে আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে তৎপর ছিলাম। নতুন সরকার আসার পর সময়টা কম ছিল, জোরটা অনেক বেশি ছিল। বাজারে যাতে কোনোভাবে খাদ্যের কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের কোনো সংকট না হয়, সেদিকে লক্ষ্য ছিল।’
ভোজ্যতেল প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ডলারের দাম বাড়লেও কুরবানির ঈদের আগে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয়ন করা হবে না। আশ করছি উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকরা সে সময় পর্যন্ত মূল্য বাড়াবেন না।
ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্যের দাম বেড়ে ভোক্তাদের ওপর চাপ পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আপনাদের নিশ্চিত করে বলতে চাই, ডলারের সমন্বয় ১০-১৭ টাকা। এতে ভোক্তা পর্যায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না।
