আইনি ব্যবস্থা চেয়ে ১০ আইনজীবীর দুদকে অভিযোগ
jugantor
নীতিমালা ছাড়াই ইসির সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়
আইনি ব্যবস্থা চেয়ে ১০ আইনজীবীর দুদকে অভিযোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৮ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা ছাড়াই কমিশনের বিরুদ্ধে সাড়ে সাত কোটি টাকা খরচের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সব কমিশনারসহ সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। বিষয়টি অনুসন্ধান করে মামলা দায়েরের জন্য বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবী।

আবেদনে বলা হয়, যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত পদ ছাড়াই ‘বিশেষ বক্তা, ‘কোর্স পরিচালক’ ও ‘কোর্স উপদেষ্টা’ হিসাবে ভাতা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি এবং খাত পরিবর্তন করে ভাতা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনাররা, বর্তমান সচিব, সদ্য সাবেক সচিব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। উল্লিখিত ব্যক্তিরা সরকারের সাত কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন করেছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, এরূপ কর্মকাণ্ড আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই অভিযোগ আমলে নিয়ে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে অনুসন্ধান, তদন্ত পরিচালনা এবং মামলার অনুরোধ করা হলো। আবেদনের সঙ্গে ৩ জানুয়ারি যুগান্তর পত্রিকায় ‘নীতিমালা ছাড়াই সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়, প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে ঘুম হারাম ইসির’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করা হয়।

আবেদনকারী ১০ আইনজীবী হলেন, মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জুবায়েদুর রহমান, মো. আবদুস সবুর দেওয়ান, আল রেজা মো. আমির, আবদুল্লাহ হিল মারুফ ফাহিম, জিএম মুজাহিদুর রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান ও মো. জহিরুল ইসলাম।

নীতিমালা ছাড়াই ইসির সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়

আইনি ব্যবস্থা চেয়ে ১০ আইনজীবীর দুদকে অভিযোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৮ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা ছাড়াই কমিশনের বিরুদ্ধে সাড়ে সাত কোটি টাকা খরচের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সব কমিশনারসহ সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। বিষয়টি অনুসন্ধান করে মামলা দায়েরের জন্য বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবী।

আবেদনে বলা হয়, যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত পদ ছাড়াই ‘বিশেষ বক্তা, ‘কোর্স পরিচালক’ ও ‘কোর্স উপদেষ্টা’ হিসাবে ভাতা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি এবং খাত পরিবর্তন করে ভাতা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনাররা, বর্তমান সচিব, সদ্য সাবেক সচিব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। উল্লিখিত ব্যক্তিরা সরকারের সাত কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন করেছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, এরূপ কর্মকাণ্ড আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই অভিযোগ আমলে নিয়ে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে অনুসন্ধান, তদন্ত পরিচালনা এবং মামলার অনুরোধ করা হলো। আবেদনের সঙ্গে ৩ জানুয়ারি যুগান্তর পত্রিকায় ‘নীতিমালা ছাড়াই সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়, প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে ঘুম হারাম ইসির’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করা হয়।

আবেদনকারী ১০ আইনজীবী হলেন, মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জুবায়েদুর রহমান, মো. আবদুস সবুর দেওয়ান, আল রেজা মো. আমির, আবদুল্লাহ হিল মারুফ ফাহিম, জিএম মুজাহিদুর রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান ও মো. জহিরুল ইসলাম।