কার স্বার্থে বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না: জিএম কাদের
jugantor
কার স্বার্থে বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না: জিএম কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদক  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, চার মাস পার হলেও কার স্বার্থে বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না, তা দেশের মানুষ জানতে চায়। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে বিদেশি টিকা আমদানির পাশাপাশি দেশে তৈরি টিকা বঙ্গভ্যাক্সের সফলতার জন্য সরকারিভাবে সহায়তা দিতে হবে।

সোমবার এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাদের বলেন, জানুয়ারিতে গ্লোব বায়োটেক ইথিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিচার্স কাউন্সিলের (বিএমআরসি) অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখনো অনুমতি মেলেনি। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা প্রতিরোধে বঙ্গভ্যাক্স টিকাকে তালিকাভুক্ত করেছে। গত বছর ২৮ ডিসেম্বর ট্রায়ালের জন্য গ্লোব বায়োটেককে বঙ্গভ্যাক্স টিকা উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। কিন্তু বিএমআরসির অনুমতি না পাওয়ায় সফলতার মুখ দেখছে না দেশে তৈরি করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স।

গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে জিএম কাদের আরও বলেন, টিকাটির অ্যানিম্যাল ট্রায়ালে এক ডোজেই কার্যকর অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও অনুরূপ ফলাফলের আশা করছেন গবেষকরা। এক ডোজের টিকা বঙ্গভ্যাক্স সিন্থেটিক্যালি তৈরি হওয়ায় তা ভাইরাসমুক্ত এবং শতভাগ হালাল। তাই বিদেশি টিকা আমদানির পাশাপাশি বঙ্গভ্যাক্স উৎপাদনে সরকারিভাবে সহায়তা করতে হবে। বঙ্গভ্যাক্স ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সফল হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বে চমক সৃষ্টি করতে পারে বাংলাদেশের বঙ্গভ্যাক্স।

কার স্বার্থে বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না: জিএম কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদক 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, চার মাস পার হলেও কার স্বার্থে বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না, তা দেশের মানুষ জানতে চায়। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে বিদেশি টিকা আমদানির পাশাপাশি দেশে তৈরি টিকা বঙ্গভ্যাক্সের সফলতার জন্য সরকারিভাবে সহায়তা দিতে হবে।

সোমবার এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাদের বলেন, জানুয়ারিতে গ্লোব বায়োটেক ইথিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিচার্স কাউন্সিলের (বিএমআরসি) অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখনো অনুমতি মেলেনি। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা প্রতিরোধে বঙ্গভ্যাক্স টিকাকে তালিকাভুক্ত করেছে। গত বছর ২৮ ডিসেম্বর ট্রায়ালের জন্য গ্লোব বায়োটেককে বঙ্গভ্যাক্স টিকা উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। কিন্তু বিএমআরসির অনুমতি না পাওয়ায় সফলতার মুখ দেখছে না দেশে তৈরি করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স।

গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে জিএম কাদের আরও বলেন, টিকাটির অ্যানিম্যাল ট্রায়ালে এক ডোজেই কার্যকর অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও অনুরূপ ফলাফলের আশা করছেন গবেষকরা। এক ডোজের টিকা বঙ্গভ্যাক্স সিন্থেটিক্যালি তৈরি হওয়ায় তা ভাইরাসমুক্ত এবং শতভাগ হালাল। তাই বিদেশি টিকা আমদানির পাশাপাশি বঙ্গভ্যাক্স উৎপাদনে সরকারিভাবে সহায়তা করতে হবে। বঙ্গভ্যাক্স ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সফল হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বে চমক সৃষ্টি করতে পারে বাংলাদেশের বঙ্গভ্যাক্স।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন