গবেষণা প্রতিবেদন: ধূমপায়ী যক্ষ্মা রোগীদের মৃত্যুর হার দ্বিগুণ
jugantor
গবেষণা প্রতিবেদন: ধূমপায়ী যক্ষ্মা রোগীদের মৃত্যুর হার দ্বিগুণ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশজুড়ে প্রতি বছর সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ এ রোগের কারণে মৃত্যুবরণ করে। ধূমপানের কারণে যক্ষ্মা রোগীর মৃত্যুর শঙ্কা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘আর্ক ফাউন্ডেশন’ পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় তামাক বর্জন : বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীদের শতকরা ১৮ ভাগ ধূমপায়ী। পুরুষ রোগীদের প্রতি তিনজনে একজন ধূমপান করেন।

এ ক্ষেত্রে যক্ষ্মা রোগীদের তামাক সেবনের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর সংক্ষিপ্ত কাউন্সেলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তামাক বর্জনে সহায়তা পেলে প্রতি বছর বাংলাদেশে ১৪ হাজার যক্ষ্মা রোগী এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। সেমিনারে বক্তারা বলেন, সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত বাংলাদেশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যক্ষ্মার চিকিৎসা ব্যবস্থায় তামাক নিয়ন্ত্রণ ও তামাক ব্যবহার সংশ্লিষ্ট তথ্য সংযোজন এবং তামাক বর্জনে রোগীদের সহায়তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) মো. সাইদুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন। অনুষ্ঠানে গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্য উপস্থাপন করেন আর্ক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. রুমানা হক।

গবেষণা প্রতিবেদন: ধূমপায়ী যক্ষ্মা রোগীদের মৃত্যুর হার দ্বিগুণ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশজুড়ে প্রতি বছর সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ এ রোগের কারণে মৃত্যুবরণ করে। ধূমপানের কারণে যক্ষ্মা রোগীর মৃত্যুর শঙ্কা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘আর্ক ফাউন্ডেশন’ পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় তামাক বর্জন : বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীদের শতকরা ১৮ ভাগ ধূমপায়ী। পুরুষ রোগীদের প্রতি তিনজনে একজন ধূমপান করেন।

এ ক্ষেত্রে যক্ষ্মা রোগীদের তামাক সেবনের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর সংক্ষিপ্ত কাউন্সেলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তামাক বর্জনে সহায়তা পেলে প্রতি বছর বাংলাদেশে ১৪ হাজার যক্ষ্মা রোগী এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। সেমিনারে বক্তারা বলেন, সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত বাংলাদেশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যক্ষ্মার চিকিৎসা ব্যবস্থায় তামাক নিয়ন্ত্রণ ও তামাক ব্যবহার সংশ্লিষ্ট তথ্য সংযোজন এবং তামাক বর্জনে রোগীদের সহায়তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) মো. সাইদুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন। অনুষ্ঠানে গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্য উপস্থাপন করেন আর্ক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. রুমানা হক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন