ইউপিআরে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা আজ
jugantor
ইউপিআরে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা আজ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ মে ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা হবে আজ সোমবার। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড রহিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে এ বিষয়ে শুনানি হবে। এছাড়া সমকামীদের অধিকার, বাক-স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের অধিকার, পুলিশি নির্যাতনের বিষয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রশ্নের জবাব দেবে বাংলাদেশ। শুনানিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহিদুল হকসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক উপস্থিত থাকবেন। পর্যালোচনায় র‌্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করবে রুয়ান্ডা, আফগানিস্তান ও ইউক্রেন। ইউপিআর ওয়ার্কিং গ্র“পের মাধ্যমে ৭ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ১৪টি রাষ্ট্রের পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম এবং ২০১৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ইউপিআর পর্যালোচনা করা হয়েছিল।

ইউপিআর শুনানির আগেই জার্মানি ও উরুগুয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা, খসড়া আইসিটি আইনের ৩২ ধারা, গুম ও নির্যাতন, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি বিষয়ে আগাম প্রশ্ন রয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বাংলাদেশকে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের জবাব দেব আমরা। সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ফেব্রুয়ারিতে ২০১৩-১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবাধিকার সাফল্য ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় রিপোর্ট জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে জমা দেয়া হয়। তারই শুনানি হবে আজ সোমবার। ২০১৩ সালের শুনানিতে বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে ১৯৬টি সুপারিশ করা হয়েছিল এবং তার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯১টি মেনে নিয়েছিল। বাকি পাঁচটি ছিল মৃত্যুদণ্ড রহিত ও সমকামিতার অধিকারবিষয়ক এবং সেগুলো বাংলাদেশ মানেনি। এ বিষয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করা হবে না। কিন্তু নিরপরাধ ব্যক্তিরা যাতে এর শিকার না হয় তার ব্যবস্থা আমাদের সিস্টেমে আছে। পৃথিবীর ৩৭টি দেশ সমকামিতা সমর্থন করে না। আমাদের সমাজ এটির জন্য এখনও প্রস্তুত নয়।

ইউপিআরে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা আজ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ মে ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা হবে আজ সোমবার। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড রহিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে এ বিষয়ে শুনানি হবে। এছাড়া সমকামীদের অধিকার, বাক-স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের অধিকার, পুলিশি নির্যাতনের বিষয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রশ্নের জবাব দেবে বাংলাদেশ। শুনানিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহিদুল হকসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক উপস্থিত থাকবেন। পর্যালোচনায় র‌্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করবে রুয়ান্ডা, আফগানিস্তান ও ইউক্রেন। ইউপিআর ওয়ার্কিং গ্র“পের মাধ্যমে ৭ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ১৪টি রাষ্ট্রের পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম এবং ২০১৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ইউপিআর পর্যালোচনা করা হয়েছিল।

ইউপিআর শুনানির আগেই জার্মানি ও উরুগুয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা, খসড়া আইসিটি আইনের ৩২ ধারা, গুম ও নির্যাতন, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি বিষয়ে আগাম প্রশ্ন রয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বাংলাদেশকে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের জবাব দেব আমরা। সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ফেব্রুয়ারিতে ২০১৩-১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবাধিকার সাফল্য ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় রিপোর্ট জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে জমা দেয়া হয়। তারই শুনানি হবে আজ সোমবার। ২০১৩ সালের শুনানিতে বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে ১৯৬টি সুপারিশ করা হয়েছিল এবং তার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯১টি মেনে নিয়েছিল। বাকি পাঁচটি ছিল মৃত্যুদণ্ড রহিত ও সমকামিতার অধিকারবিষয়ক এবং সেগুলো বাংলাদেশ মানেনি। এ বিষয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করা হবে না। কিন্তু নিরপরাধ ব্যক্তিরা যাতে এর শিকার না হয় তার ব্যবস্থা আমাদের সিস্টেমে আছে। পৃথিবীর ৩৭টি দেশ সমকামিতা সমর্থন করে না। আমাদের সমাজ এটির জন্য এখনও প্রস্তুত নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন