Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনে বৈঠক

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বিভিন্ন দেশের প্রশংসা * রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে সরকারের অর্থ খরচ না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতো : আইনমন্ত্রী

Advertisement

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ মে ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার জেনেভায় পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড রহিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নতির জন্য পরামর্শ দেয়। এতে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে কিনা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ প্রশ্ন তোলে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রশ্নের জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারহানা সাইদ যুগান্তরকে বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সোমবার জেনেভায় পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের আশিটি দেশ এতে প্রতিনিধিত্ব করে। বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের মানাবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তারা বেশ কয়েকটি সুপারিশও দেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও সুসংগঠিত করা। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতন সম্পর্কে ব্যবস্থা নেয়া। এতে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা। এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে। এ পরিস্থিতি না হলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা যেত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি সবার মতামত নিয়ে প্রণয়ন করা হবে।

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম এবং ২০১৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ইউপিআর পর্যালোচনা করা হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ফেব্রুয়ারিতে ২০১৩-১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবাধিকার সাফল্য ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় রিপোর্ট জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে জমা দেয়া হয়। তারই শুনানি হয় সোমবার।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সর্বজনীন নিয়মিত পর্যালোচনা বা ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ, যা ইউপিআর নামে পরিচিত। পর্যালোচনায় র‌্যার্পোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করে রুয়ান্ডা, আফগানিস্তান ও ইউক্রেন। ইউপিআর ওয়ার্কিং গ্র“পের মাধ্যমে ৭ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ১৪টি রাষ্ট্রের পর্যালোচনা করা হবে। শুনানিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহিদুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক উপস্থিত ছিলেন।

ইউপিআর শুনানির আগেই জার্মানি ও উরুগুয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা, খসড়া আইসিটি আইনের ৩২ ধারা, গুম ও নির্যাতন, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি বিষয়ে আগাম প্রশ্ন করেছে। এসব প্রশ্নের উত্তর দেয় বাংলাদেশ। ২০১৩ সালের শুনানিতে বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে ১৯৬টি সুপারিশ করা হয়েছিল এবং তার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯১টি মেনে নিয়েছিল। বাকি পাঁচটি ছিল মৃত্যুদণ্ড রহিত ও সমকামিতার অধিকার বিষয়ক এবং সেগুলো বাংলাদেশ মানেনি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের ফ্ল্যাট জব্দ

লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের ফ্ল্যাট জব্দ

জ্বালানি ও এআই স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

জ্বালানি ও এআই স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

সিইসির পদত্যাগ দাবি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা

শিশুকে যৌন নিপীড়ন টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম