১৯৭২ থেকে ২০২০: অলিম্পিকে বাংলাদেশ
jugantor
১৯৭২ থেকে ২০২০: অলিম্পিকে বাংলাদেশ

  মোজাম্মেল হক চঞ্চল  

২৩ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২৪ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসার কথা সামার অলিম্পিক গেমসের ২৯তম আসর। কিন্তু বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে গেমসের আয়োজন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। যদিও ২৪ জুলাই গেমস শুরু করতে চান আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহাদেশের ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন আইওসির সভাপতি থমাস বাখ। প্রায় সবাই নির্ধারিত সময়ে গেমস নিয়ে শঙ্কার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন।

কুবার্তিনের মূলমন্ত্র- ‘জয়লাভ নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা’ বাণীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবারও টোকিও অলিম্পিক মিশনে যাবে বাংলাদেশ দল। ২০১৬ ব্রাজিলের রিও অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয় বাংলাদেশের। কৃতী গলফার সিদ্দিকুর রহমান সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন সেবার। এবার তার খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে র‌্যাংকিং টুর্নামেন্ট স্থগিত হওয়ায়। তবে এবার সেই মাত্রাকে ভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দেশসেরা আরচার রোমান সানা। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত এই গেমসে খেলবেন তিনি।

এর আগে ১০টি অলিম্পিক আসরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রীড়ায় বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ক্রীড়াবিদরা এ আসরে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য অলিম্পিক এখনও অভিজ্ঞতা অর্জনের মঞ্চ। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ মিউনিখ অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন কাজী আনিসুর রহমান। বাংলাদেশ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের আহ্বায়ক কৃতী ক্রীড়া সংগঠক আনিসুর রহমান ওই গেমসে পর্যবেক্ষক ছিলেন।

চার বছর পর মন্ট্রিল অলিম্পিকে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দেয়। ওই দলে কোনো ক্রীড়াবিদ ছিলেন না। দলনেতা ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান কর্নেল আবদুর রহমান। পর্যবেক্ষক ফ্লাইট লে. (অব.) রুস্তম আলী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধি সুমিত রায়। ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ বর্জন করলে বাংলাদেশ ওই আসরে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি।

১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস গেমসে বাংলাদেশ প্রথম ক্রীড়াবিদ পাঠায়। তিন সদস্যের ওই দলে একমাত্র ক্রীড়াবিদ ছিলেন সাইদুর রহমান ডন। মার্চপাস্টে বাংলাদেশ দলের পতাকা বহন করেন তিনি। দলনেতা ছিলেন তৎকালীন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি মেজর জেনারেল একেএস আবদুল ওয়াহেদ। ম্যানেজার ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আবদুর রহমান। ১৯৮৮ সালে সিউলে আট সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছয়জন ক্রীড়াবিদ ও দু’জন কর্মকর্তা।

দলনেতা জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ওবায়েদুল্লাহ খান। প্রতিনিধি বিওএ’র তৎকালীন মহাসচিব মরহুম ক্যাপ্টেন সিদ্দিক আহমেদ এবং অ্যাথলেট মরহুম শাহ আলম, মরহুম শাহজালাল মোবিন, মিলজার হোসেন, শাহান উদ্দিন চৌধুরী, সাঁতারু বজলুর রহমান ও আবদুস সালাম। ১৯৯২ বার্সেলোনা অলিম্পিকে আটজনের দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকা। ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসের স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান।

কোচ আবদুল মান্নান। শুটার কাজী শাহানা পারভীন, স্প্রিন্টার গোলাম আম্বিয়া, শাহজালাল মোবিন, লংজাম্পার শাহান উদ্দিন চৌধুরী ও মেহেদী হাসান এবং সাঁতারু মোখলেছুর রহমান ছিলেন দলে। ১৯৯৬ সালে আটলান্টায় শতবর্ষ অলিম্পিক গেমসে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নেয়। দলনেতা ছিলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া সচিব এএসএম শাহজাহান, ম্যানেজার ক্রীড়া পরিষদের সচিব আখতার হোসেন খান। পর্যবেক্ষক হিসেবে গিয়েছিলেন ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক এনামুল হক, বিওএর তৎকালীন মহাসচিব বশির আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব জাফর ইমাম ও ক্যাপ্টেন সিদ্দিক আহমেদ। চার ক্রীড়াবিদ হলেন অ্যাথলেট বিমল চন্দ্র তরফদার, নিলুফার ইয়াসমিন, সাঁতারু কারার মিজানুর রহমান ও শুটার সাইফুল আলম রিংকি।

২০০০ সিডনি অলিম্পিকে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়। দলনেতা ছিলেন বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। ম্যানেজার বিওএর বর্তমান উপমহাসচিব ইমতিয়াজ খান বাবুল। ক্রীড়াবিদ অ্যাথলেট মাহবুব আলম ও ফৌজিয়া হুদা জুঁই, সাঁতারু কারার সামাদুল ইসলাম ও ডলি আক্তার এবং শুটার সাবরিনা সুলতানা ও ফিরোজ হোসেন পাখি। তাদের সঙ্গে গিয়েছিলেন বিওএর তৎকালীন সভাপতি ও সেনাবাহিনী প্রধান প্রয়াত লে. জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান এবং মহাসচিব প্রয়াত জাফর ইমাম।

২০০৪ অলিম্পিক গেমসের আসর বসে গ্রিসের এথেন্সে। পাঁচ ক্রীড়াবিদের সঙ্গে সমানসংখ্যক কর্মকর্তা গিয়েছিলেন সেবার। সেফ দ্য মিশন অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সভাপতি আবদুস সালাম, ম্যানেজার রাজশাহী বিওএ ক্রীড়া সংস্থার মাহমুদ জামাল, হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শামসুল বারী, শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদিকা আলেয়া ফেরদৌস ও চিকিৎসক ছিলেন মোহাম্মদ মাহমুদ। এথেন্সে বাংলাদেশ ক্রীড়াবিদের পাঁচ সদস্য ছিলেন অ্যাথলেট শামসুদ্দিন, শামসুন্নাহার চুমকী, সাঁতারু ডলি আক্তার, জুয়েল আহমেদ এবং শুটার আসিফ হোসেন খান।

পতাকা বহনের কৃতিত্ব পান শুটার আসিফ। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে আসিফ ৫৮৭ স্কোর গড়ে ৪৭ জনের মধ্যে ৩৫তম হয়েছিলেন। ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে জুয়েল ২৪.৪৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ৬৩তম হন ৮৬ জনের মধ্যে। সাঁতারু ডলি আক্তার ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে হিটে নিজ গ্র“পে প্রথম হয়েও ৭৫ জনের মধ্যে ৬১তম হন। ডলির টাইমিং ছিল ৩০.৭২ সেকেন্ড। (আগামীকাল)

১৯৭২ থেকে ২০২০: অলিম্পিকে বাংলাদেশ

 মোজাম্মেল হক চঞ্চল 
২৩ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২৪ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসার কথা সামার অলিম্পিক গেমসের ২৯তম আসর। কিন্তু বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে গেমসের আয়োজন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। যদিও ২৪ জুলাই গেমস শুরু করতে চান আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহাদেশের ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন আইওসির সভাপতি থমাস বাখ। প্রায় সবাই নির্ধারিত সময়ে গেমস নিয়ে শঙ্কার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন।

কুবার্তিনের মূলমন্ত্র- ‘জয়লাভ নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা’ বাণীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবারও টোকিও অলিম্পিক মিশনে যাবে বাংলাদেশ দল। ২০১৬ ব্রাজিলের রিও অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয় বাংলাদেশের। কৃতী গলফার সিদ্দিকুর রহমান সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন সেবার। এবার তার খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে র‌্যাংকিং টুর্নামেন্ট স্থগিত হওয়ায়। তবে এবার সেই মাত্রাকে ভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দেশসেরা আরচার রোমান সানা। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত এই গেমসে খেলবেন তিনি।

এর আগে ১০টি অলিম্পিক আসরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রীড়ায় বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ক্রীড়াবিদরা এ আসরে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য অলিম্পিক এখনও অভিজ্ঞতা অর্জনের মঞ্চ। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ মিউনিখ অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন কাজী আনিসুর রহমান। বাংলাদেশ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের আহ্বায়ক কৃতী ক্রীড়া সংগঠক আনিসুর রহমান ওই গেমসে পর্যবেক্ষক ছিলেন।

চার বছর পর মন্ট্রিল অলিম্পিকে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দেয়। ওই দলে কোনো ক্রীড়াবিদ ছিলেন না। দলনেতা ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান কর্নেল আবদুর রহমান। পর্যবেক্ষক ফ্লাইট লে. (অব.) রুস্তম আলী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধি সুমিত রায়। ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ বর্জন করলে বাংলাদেশ ওই আসরে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি।

১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস গেমসে বাংলাদেশ প্রথম ক্রীড়াবিদ পাঠায়। তিন সদস্যের ওই দলে একমাত্র ক্রীড়াবিদ ছিলেন সাইদুর রহমান ডন। মার্চপাস্টে বাংলাদেশ দলের পতাকা বহন করেন তিনি। দলনেতা ছিলেন তৎকালীন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি মেজর জেনারেল একেএস আবদুল ওয়াহেদ। ম্যানেজার ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আবদুর রহমান। ১৯৮৮ সালে সিউলে আট সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছয়জন ক্রীড়াবিদ ও দু’জন কর্মকর্তা।

দলনেতা জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ওবায়েদুল্লাহ খান। প্রতিনিধি বিওএ’র তৎকালীন মহাসচিব মরহুম ক্যাপ্টেন সিদ্দিক আহমেদ এবং অ্যাথলেট মরহুম শাহ আলম, মরহুম শাহজালাল মোবিন, মিলজার হোসেন, শাহান উদ্দিন চৌধুরী, সাঁতারু বজলুর রহমান ও আবদুস সালাম। ১৯৯২ বার্সেলোনা অলিম্পিকে আটজনের দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকা। ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসের স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান।

কোচ আবদুল মান্নান। শুটার কাজী শাহানা পারভীন, স্প্রিন্টার গোলাম আম্বিয়া, শাহজালাল মোবিন, লংজাম্পার শাহান উদ্দিন চৌধুরী ও মেহেদী হাসান এবং সাঁতারু মোখলেছুর রহমান ছিলেন দলে। ১৯৯৬ সালে আটলান্টায় শতবর্ষ অলিম্পিক গেমসে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নেয়। দলনেতা ছিলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া সচিব এএসএম শাহজাহান, ম্যানেজার ক্রীড়া পরিষদের সচিব আখতার হোসেন খান। পর্যবেক্ষক হিসেবে গিয়েছিলেন ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক এনামুল হক, বিওএর তৎকালীন মহাসচিব বশির আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব জাফর ইমাম ও ক্যাপ্টেন সিদ্দিক আহমেদ। চার ক্রীড়াবিদ হলেন অ্যাথলেট বিমল চন্দ্র তরফদার, নিলুফার ইয়াসমিন, সাঁতারু কারার মিজানুর রহমান ও শুটার সাইফুল আলম রিংকি।

২০০০ সিডনি অলিম্পিকে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়। দলনেতা ছিলেন বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। ম্যানেজার বিওএর বর্তমান উপমহাসচিব ইমতিয়াজ খান বাবুল। ক্রীড়াবিদ অ্যাথলেট মাহবুব আলম ও ফৌজিয়া হুদা জুঁই, সাঁতারু কারার সামাদুল ইসলাম ও ডলি আক্তার এবং শুটার সাবরিনা সুলতানা ও ফিরোজ হোসেন পাখি। তাদের সঙ্গে গিয়েছিলেন বিওএর তৎকালীন সভাপতি ও সেনাবাহিনী প্রধান প্রয়াত লে. জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান এবং মহাসচিব প্রয়াত জাফর ইমাম।

২০০৪ অলিম্পিক গেমসের আসর বসে গ্রিসের এথেন্সে। পাঁচ ক্রীড়াবিদের সঙ্গে সমানসংখ্যক কর্মকর্তা গিয়েছিলেন সেবার। সেফ দ্য মিশন অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সভাপতি আবদুস সালাম, ম্যানেজার রাজশাহী বিওএ ক্রীড়া সংস্থার মাহমুদ জামাল, হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শামসুল বারী, শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদিকা আলেয়া ফেরদৌস ও চিকিৎসক ছিলেন মোহাম্মদ মাহমুদ। এথেন্সে বাংলাদেশ ক্রীড়াবিদের পাঁচ সদস্য ছিলেন অ্যাথলেট শামসুদ্দিন, শামসুন্নাহার চুমকী, সাঁতারু ডলি আক্তার, জুয়েল আহমেদ এবং শুটার আসিফ হোসেন খান।

পতাকা বহনের কৃতিত্ব পান শুটার আসিফ। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে আসিফ ৫৮৭ স্কোর গড়ে ৪৭ জনের মধ্যে ৩৫তম হয়েছিলেন। ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে জুয়েল ২৪.৪৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ৬৩তম হন ৮৬ জনের মধ্যে। সাঁতারু ডলি আক্তার ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে হিটে নিজ গ্র“পে প্রথম হয়েও ৭৫ জনের মধ্যে ৬১তম হন। ডলির টাইমিং ছিল ৩০.৭২ সেকেন্ড। (আগামীকাল)

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন