সিরিয়ায় কুর্দিদের গ্রাম দখলে নিয়েছে তুর্কি বাহিনী
jugantor
সিরিয়ায় কুর্দিদের গ্রাম দখলে নিয়েছে তুর্কি বাহিনী

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরিয়ার কুর্দি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের তৃতীয় দিনে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কয়েকটি গ্রাম দখলে নিয়েছে তুর্কি বাহিনী।

সোমবার তুর্কি গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার সিরীয় বিদ্রোহীদের সঙ্গে নিয়ে দেশটির আফরিন অঞ্চলের গ্রামগুলো দখলে নেয় তুর্কি সেনারা। তবে কুর্দি যোদ্ধারা জানিয়েছে, দুটি গ্রাম পুনর্দখলে নিয়েছে তারা। এর আগে আফরিন থেকে কুর্দিশ পিপলস প্রটেকশন ইউনিটের (ওয়াইপিজে) সদস্যদের ধরা হবে- তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের এমন ঘোষণার পরই দেশটির সেনারা সেখানে বিমান হামলা শুরু করে। এদিকে চলমান এ অভিযান নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় তুরস্ক পিছপা হবে না বলে জানিয়েছেন এরদোগান। সোমবার সরাসরি সম্প্রচারিত একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এরদোগান বলেন, ‘আফরিনকে সন্ত্রাসীমুক্ত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পিছপা হব না। বিষয়টি নিয়ে আমরা আমাদের রাশিয়ার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলব। এ নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি রয়েছে।’ এদিকে হামলা না করতে তুরস্ককে হুশিয়ারি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু মার্কিন হুশিয়ারি উপেক্ষা করেই ‘অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ’ নামের ওই অভিযান শুরু করে তুর্কি সেনারা। মার্কিন হুশিয়ারির নিন্দাও জানিয়েছে দেশটির। ১৫৩টি কুর্দি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তুর্কি সেনারা। হামলা শুরুর পর আফরিন থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া। আইএসবিরোধী যুদ্ধে ওয়াইপিজেকে সবচেয়ে সক্রিয় বাহিনী মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র তুরস্ক। শনিবার তুর্কি সরকার নিজের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা ও স্থিতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী আফরিন প্রদেশে তাদের ভাষায় সন্ত্রাসী পিকেকে, পিওয়াইডি ও আইএস নির্মূলে স্থল অভিযান শুরু করে।

সিরিয়ায় কুর্দিদের গ্রাম দখলে নিয়েছে তুর্কি বাহিনী

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরিয়ার কুর্দি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের তৃতীয় দিনে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কয়েকটি গ্রাম দখলে নিয়েছে তুর্কি বাহিনী।

সোমবার তুর্কি গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার সিরীয় বিদ্রোহীদের সঙ্গে নিয়ে দেশটির আফরিন অঞ্চলের গ্রামগুলো দখলে নেয় তুর্কি সেনারা। তবে কুর্দি যোদ্ধারা জানিয়েছে, দুটি গ্রাম পুনর্দখলে নিয়েছে তারা। এর আগে আফরিন থেকে কুর্দিশ পিপলস প্রটেকশন ইউনিটের (ওয়াইপিজে) সদস্যদের ধরা হবে- তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের এমন ঘোষণার পরই দেশটির সেনারা সেখানে বিমান হামলা শুরু করে। এদিকে চলমান এ অভিযান নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় তুরস্ক পিছপা হবে না বলে জানিয়েছেন এরদোগান। সোমবার সরাসরি সম্প্রচারিত একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এরদোগান বলেন, ‘আফরিনকে সন্ত্রাসীমুক্ত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পিছপা হব না। বিষয়টি নিয়ে আমরা আমাদের রাশিয়ার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলব। এ নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি রয়েছে।’ এদিকে হামলা না করতে তুরস্ককে হুশিয়ারি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু মার্কিন হুশিয়ারি উপেক্ষা করেই ‘অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ’ নামের ওই অভিযান শুরু করে তুর্কি সেনারা। মার্কিন হুশিয়ারির নিন্দাও জানিয়েছে দেশটির। ১৫৩টি কুর্দি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তুর্কি সেনারা। হামলা শুরুর পর আফরিন থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া। আইএসবিরোধী যুদ্ধে ওয়াইপিজেকে সবচেয়ে সক্রিয় বাহিনী মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র তুরস্ক। শনিবার তুর্কি সরকার নিজের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা ও স্থিতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী আফরিন প্রদেশে তাদের ভাষায় সন্ত্রাসী পিকেকে, পিওয়াইডি ও আইএস নির্মূলে স্থল অভিযান শুরু করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন