অবিশ্বাস্যভাবে দারুণ কিছু কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি : অধরা খান
Advertisement
আনন্দনগর প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ঢাকাই সিনেমার নায়িকা অধরা খান। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকাই সিনেমার নায়িকা অধরা খান। ২০১৮ সালে ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘নায়ক’ সিনেমা দিয়ে ঢালিউডে পথচলা শুরু। এটি তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা। একই বছর পর্দায় আসে তার দ্বিতীয় সিনেমা ‘মাতাল’। দুই বছর বিরতি দিয়ে ২০২১ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত তৃতীয় সিনেমা ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’। এরপর ২০২৩ সালে ‘সুলতানপুর’ নিয়ে পর্দায় হাজির হন তিনি। সৈকত নাসির পরিচালিত এ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম একটি আলোচিত কাজ। বর্তমানে এ অভিনেত্রী অবস্থান করছেন কানাডায়। বছর দেড়েক আগে পিআর ভিসায় দেশটিতে গিয়েছেন তিনি। এখন সেখানেই ব্যস্ত হয়েছেন পেশাগত কাজ নিয়ে। হলিউডের একাধিক প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জানিয়েছেন অধরা খান।
২০২৫ সাল থেকেই অধরা কাজ করছেন নেটফ্লিক্স, অ্যামাজনের আলোচিত বেশ কিছু সিরিজে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ‘ইন্টারভিউ উইথ দ্য ভ্যাম্পায়ার’র তৃতীয় সিজন, ‘ডলহাউজ’, টিভি সিরিজ ‘স্টারলিং পয়েন্ট, ‘বোস্টন ব্লু’ প্রথম সিজন, ‘ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সি-আইথটস’, ‘ব্রিলিয়ান্ট মাইন্ডস’ সিজন-২, ‘টেল মি লাইস’। ‘নেভারম্যান’ নামে একটি সিনেমাতেও কাজ করেছেন তিনি। এ ছাড়াও বাংলাদেশি একাধিক প্রোডাকশনের কাজও করেছেন আমেরিকায়। সামনেই আসছে নতুন একটি প্রজেক্ট। এর ঘোষণা শিগগিরই দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
চলতি বছরও তিনি কানাডায় কাজ শুরু করেছেন জুন মাস থেকে। মাঝে কিছুদিন বিরতি দিয়েছিলেন। কেন, জানতে চাইলে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘মূলত কানাডার বাইরে কাজ থাকায় কানাডায় সময় দিতে পারিনি। ওই সময় আমি আমেরিকায় ছিলাম। ওখানে কিছু কাজ করেছি। তাছাড়া জুনে কানাডায় বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন থাকায় সেখানে কাজ কিছুটা স্লো ছিল। তবে আগস্ট থেকে সব প্রোডাকশনের কাজ করছি। কারণ শীতে এখানে সেভাবে কাজ করা অনেক কঠিন। সবকিছু বরফে ঢাকা থাকে। তাই ওরা আউটডোরে যত কাজ থাকে চেষ্টা করে গরমকালেই করার জন্য। বাকিগুলো শীতে ইনডোরে শুটিং করে নেয়। মূলত শীতকালেই ইনডোরের সব কাজ হয়।’
অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, গতবারের চেয়ে এবারের সিজনে বিজ্ঞাপনের কাজ বেশি করা হচ্ছে তার। অধরা বলেন, ‘বিজ্ঞাপন কিংবা যতগুলো সিরিজের কাজ করছি, এগুলো রিলিজ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত বলতে পারছি না। এখানে প্রোডাকশনের অনেক নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। তবে এটুকু বলতে পারি, অবিশ্বাস্যভাবে খুব ভালো ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি।’
দেশের বাইরে কাজ করে কতটা তৃপ্ত? অধরা বলেন, ‘নিজের দেশের বাইরে গিয়ে অন্য দেশে এসে সেখানে এত অল্প সময়ে এতটুকু রিচ করাও আমার কাছে অনেক বড় বিষয়, যেখানে বিদেশে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতাই আমার ছিল না। কারণ, আমি দেশেই কাজ করে অভ্যস্ত ছিলাম।’
হলিউডের প্রজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে অধরা বলেন, ‘এখানে আসলে কাজ করা অনেক কঠিন, আবার সহজও। আমরা দেশে যেভাবে আরাম আয়েশে কাজ করতাম, সেটা এখানে সম্ভব নয়। এখানে অনেকবার অডিশন দিয়ে একটি প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। তারপর শুটিংয়েও অনেক বিধি-নিষেধ থাকে। চাইলেও নিজের ইচ্ছামতো কিছু করা সম্ভব নয়। এ কারণেই এখানকার কাজগুলো খুব মানসম্মত হয়। দর্শকরাও পছন্দ করেন।’
এদিকে দেশে অধরা খান অভিনীত দুটি সিনেমা বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর একটি হলো সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘দখিন দুয়ার’। আরেকটি জাহিদ হোসেনের ‘ঋতুকামিনী’। এ সিনেমায় তিনি সজলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়াও তার কাজের তালিকায় অসমাপ্ত কিছু সিনেমাও আছে। এগুলো হলো ‘গিভ অ্যান্ড টেক’, ‘উন্মাদ’, ‘ঠোকর’, ‘দ্য রাইটার’, ‘বখাটে’ ইত্যাদি।
