Logo
Logo
×
   

Advertisement

আনন্দ নগর

অভিনয়ে নাদিয়ার ২৫ বছর পার

Advertisement

Icon

আনন্দনগর প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

অভিনয়ে নাদিয়ার ২৫ বছর পার

Advertisement

নাচ দিয়ে শুরু, এরপর অভিনয় ও বিজ্ঞাপনে মডেলিং-তিন অঙ্গনেই সমান ব্যস্ততায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন নাদিয়া আহমেদ। নৃত্যশিল্পী, নাট্যাভিনেত্রী ও মডেল হিসাবে দীর্ঘ ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে দর্শকের ভালোবাসা ধরে রেখেছেন তিনি। অভিনয়জীবনের রজতজয়ন্তী পার করার পাশাপাশি আজ নিজের জন্মদিনও উদযাপন করছেন এ শিল্পী। ছোটবেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’তে নাচ ও অভিনয়ে পুরস্কৃত হওয়ার মধ্য দিয়ে নাদিয়ার পথচলা শুরু। অভিনয়ের আগে নাচেই তার হাতেখড়ি। প্রয়াত হাবিবুল চৌধুরীর কাছে নাচ শেখার পর শিশু একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন। পরে ‘বাফা’ থেকে সাত বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। রাইজা খানম ঝুনু, সোহেল রহমান, শিবলী মহম্মদ, শামীম আরা নীপা ও দীপা খন্দকারের কাছ থেকেও নৃত্যশিক্ষা নিয়েছেন তিনি।

অভিনয়ে তার গুরু এডওয়ার্ড বাড়ই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পোস্টমাস্টার’-এর রতন চরিত্রে তার লেখা স্ক্রিপ্টে অভিনয় করেই ‘নতুন কুঁড়ি’তে পুরস্কৃত হন নাদিয়া। এরপর বিটিভির ‘বারো রকমের মানুষ’ নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান। মাঝে বিরতি থাকলেও ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন। মোহন খানের ‘দূরের মানুষ’-এর পর রেজানুর রহমানের ‘ছায়াকায়া’ নাটকে অভিনয় করে সম্ভাবনাময়ী অভিনেত্রী হিসাবে বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন।

দীর্ঘ অভিনয়যাত্রায় সর্বশেষ দীপ্ত টিভির ‘বকুলপুর’ নাটকে ‘প্রিন্সেস দিবা’ ও পরে ‘চেয়ারম্যান দিবা’ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। নৃত্যে এখনো সক্রিয় তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘আনন্দ মেলা’ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে স্বামী অভিনেতা এফ এস নাঈমের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের।

রজতজয়ন্তী প্রসঙ্গে নাদিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিনের পথচলায় দেশে-বিদেশে মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি সহশিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক, নাট্যকার, নৃত্যসংশ্লিষ্ট সবাই এবং দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’ তার মতে, জীবনে বড় হতে অধ্যবসায় ও সততার কোনো বিকল্প নেই।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম