Logo
Logo
×
   

Advertisement

আনন্দ নগর

নিজের খোঁড়া গর্তেই বিপদে টম ক্রুজ

Advertisement

Icon

আনন্দনগর ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নিজের খোঁড়া গর্তেই বিপদে টম ক্রুজ

Advertisement

টম ক্রুজ মানেই দুর্ধর্ষ অভিযান, অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা এবং টানটান উত্তেজনা। তবে এবার পরিচিত অ্যাকশন-হিরোর চরিত্র থেকে খানিকটা ভিন্ন পথে হাঁটছেন তিনি। তার অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ডিগার’-এ তাকে দেখা যাবে ধনী ও বয়স্ক তেল ব্যবসায়ী ডিগার রকওয়েল চরিত্রে। তার একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ থেকেই জন্ম নেয় বৈশ্বিক বিপর্যয়। শেষ পর্যন্ত নিজের তৈরি সংকট মোকাবিলা করে বিশ্বকে রক্ষা করতে হয় তাকেই।

আলেহান্দ্রো গনজালেস ইনারিতু পরিচালিত সিনেমাটির চূড়ান্ত ট্রেলার সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে। প্রায় আড়াই মিনিটের ট্রেলারে দেখা যায়, তেল উত্তোলন ও খনন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রকওয়েল ক্ষমতা ও সম্পদের জোরে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। কিন্তু সেই সাম্রাজ্য বিস্তারের পথেই ঘটে যায় ভয়াবহ বিপর্যয়। এরপর নিজের খোঁড়া গর্ত থেকে বেরিয়ে আসা এবং পৃথিবীকে রক্ষা করার লড়াইয়ে নামতে হয় তাকে।

‘ডিগার’ মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক ব্ল্যাক কমেডি। সিনেমাটির ভাবনাটি তুলে ধরা হয়েছে একটি তীক্ষ্ণ বাক্যে- ‘উইথ গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট ডেনিয়াবিলিটি’। অর্থাৎ, ক্ষমতা যত বড়, দায় অস্বীকারের সুযোগও তত বেশি। এ ব্যঙ্গের আড়ালে ক্ষমতা, অর্থ, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিনেমায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জন গুডম্যান। গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি চরিত্রে রয়েছেন রিজ আহমেদ, স্যান্ড্রা হুলার, মাইকেল স্টুহলবার্গ, জেসি প্লেমন্স, রবার্ট জন বার্ক ও এমা ডি’আর্সি। বিশ্বব্যাপী ‘ডিগার’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ২ অক্টোবর।

টম ক্রুজকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘মিশন ইম্পসিবল : দ্য ফাইনাল রেকনিং’ সিনেমায়। এ সিনেমার গল্প শুরু হয় ‘মিশন ইম্পসিবল : ডেড রেকনিং’-এর ঘটনার দুই মাস পর। ‘দ্য এনটিটি’ নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার সোর্স কোডের চাবি পাওয়ার পর তাকে থামাতে সময়ের বিরুদ্ধে দৌড় শুরু করে ইথান হান্ট ও তার দল। তাদের লক্ষ্য-এই নিয়ন্ত্রণহীন এআই যেন বিশ্বের অস্ত্রভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারে। বেনজি, গ্রেস, প্যারিস ও অন্যদের সহায়তায় ইথান ডুবে যাওয়া সাবমেরিন ‘সেভাস্তোপল’-এর সন্ধান করেন। সেখান থেকে ‘পদকোভা’ নামের একটি যন্ত্র উদ্ধার করাই তার লক্ষ্য। এই যন্ত্রের সাহায্যে ‘দ্য এনটিটি’কে আটকে রাখা সম্ভব। এদিকে গ্যাব্রিয়েলসহ অন্যান্য হুমকি ক্রমেই কাছে চলে আসতে থাকে। ইথানকে একের পর এক বিপজ্জনক অভিযানে নামতে হয় এবং একইসঙ্গে মোকাবিলা করতে হয় আসন্ন বৈশ্বিক বিপর্যয়ের। চূড়ান্ত সংঘর্ষে ইথান ‘পয়জন পিল’ উদ্ধার করেন এবং সেটিকে ‘পদকোভা’র সঙ্গে ব্যবহার করে ‘দ্য এনটিটি’কে আটকে ফেলেন। ফলে ভয়াবহ এক বিপর্যয়কর হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়। বিশ্বকে রক্ষা করার পর লন্ডনে নিজের দলের সদস্যদের সঙ্গে আবার মিলিত হন ইথান। এরপর সবাই নিজেদের পথে চলে যান।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম