Logo
Logo
×
   

Advertisement

বাংলার মুখ

এমপিকে দিয়ে উদ্বোধন পরে সড়কের ইট বিক্রি

জামালপুরে প্রতারক চক্রের কারসাজিতে ভোগান্তি

Advertisement

Icon

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এমপিকে দিয়ে উদ্বোধন পরে সড়কের ইট বিক্রি

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা ভাঙ্গুনী ঘাট থেকে গজারীআটা ভাঙা ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের ইট তুলে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। সড়কটি পাকা করার কথা বলে সংসদ-সদস্যকে দিয়ে উদ্বোধন করিয়ে ইট তুলে নেওয়া হলেও পরে জানা যায়, ওই সড়কের কোনো উন্নয়ন প্রকল্পই ছিল না। এতে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে সড়কটিতে ইটের সলিং নির্মাণ করা হয়। এতে পাকুল্যা, গজারীআটা, গুপীনাথপুর, হাটুভাঙ্গা, ডুয়াইলপাড়াসহ আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হয়। প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদার পরিচয়ে একটি চক্র সড়কটি পাকা করার কথা বলে পুরো সড়কের ইট খুলে নিয়ে যায়। তখন সংসদ-সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উদ্বোধন হওয়ায় প্রথমে কেউ সন্দেহ করেননি।

পরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে জানা যায়, ওই সড়ক পাকা করার কোনো প্রকল্প বা দরপত্রই হয়নি। একইভাবে সদর উপজেলার আরও দুটি গ্রামীণ সড়ক থেকেও ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ইট তুলে নেওয়ার পর সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত ও কাদার সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

পাকুল্যা গ্রামের সাইদুর রহমান বলেন, রাস্তা বেহালের কারণে কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে নিতে না পারায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। জামালপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রোজদিদ আহম্মেদ বলেন, সদর উপজেলার তিনটি সড়ক থেকে ইট তুলে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

সংসদ-সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন যুগান্তরকে বলেন, প্রতারক চক্র উন্নয়ন কাজের কথা বলে তাকে উদ্বোধনে নিয়ে যায়। পরে প্রকৃত ঘটনা জানতে পেরে তার উদ্যোগে মূল হোতা আবদুল মান্নানসহ ১১ জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং মামলা করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, দ্রুত দরপত্র আহ্বান করে সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম