রৌমারীতে আটকের পর মাদক গিলে ফেলল যুবক
নির্যাতনের অভিযোগ
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
রৌমারী থানা। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রৌমারীতে ইয়াবাসহ প্যাকেট গিলে ফেলায় হাফিজুর রহমান নামের মাদক কারবারিকে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে রৌমারী থানার দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। পরে আহত ওই কারাবারিকে গ্রেফতার না করে রক্তাক্ত অবস্থায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।
শনিবার দুপুরে রৌমারীর যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় হাফিজুরকে জামালপুরে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তার স্বজনদের। অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য হলেন-এএসআই প্রদীপ চন্দ রায় ও ওসি কাওসার আলী।
জানা গেছে, আহত হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরপাড়ের বাসিন্দা খবিরন বেওয়া বলেন, শনিবার দুপুরে আমার বাড়ির বাঁশঝাড়ে বসে ইয়াবা সেবন করছিল প্রতিবেশী হাফিজুর। এ সময় হাফিজুরের কাছে থাকা ইয়াবার একটা প্যাকেট পায় পুলিশ। পরে পুলিশের হাত থেকে ইয়াবার প্যাকেজটি ছিনিয়ে নিয়ে গিলে ফেলে হাফিজুর। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা তার মুখ ও গলা টিপে ধরেন এবং গিলে খাওয়া ইয়াবা বের করতে বলেন। এ সময় হাফিজুরের নাকে-মুখে রক্ত এলে কয়েকজন মিলে ধরাধরি করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এ সময় পুলিশও চলে যায় বলে জানান তিনি।
হাফিজুরের বোন নাজমা খাতুন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার ভাইয়ের নাকে-মুখে রক্ত বের হচ্ছে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিন সন্ধ্যার পর জামালপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে রৌমারী থানার এএসআই প্রদীপ চন্দ্র রায় বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তাকে গ্রেফতার করার মতো সিচুয়েশন ছিল না। ওসি স্যারের পরামর্শে চলে আসি। তবে এ ঘটনায় রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী কিছুই জানেন বলে দাবি করেন।
