Logo
Logo
×
   

Advertisement

বাংলার মুখ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

ডোমারে ঘুস নিয়ে ঘটনা ধামাচাপা এটিও’র

Advertisement

Icon

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

ডোমারে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ঘুস গ্রহণ এবং এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় পর্যন্ত গড়ালেও দীর্ঘদিনেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর গোবনাতী ইউনিয়নের সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম একই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন-এমন অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে আটক করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা নেন এবং ওই বিদ্যালয়ে না আসার শর্ত দেন। পরে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিন বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামকে অনুপস্থিত পান। যৌন হয়রানির অভিযোগের কারণে তিনি অনুপস্থিত-এমন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে এটিও রুহুল আমিন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করেন এবং চাকরির ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা ঘুস। এ-সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন। ঘুস গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি যদি ঘুস গ্রহণ করে থাকি, তাহলে তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’ তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের অপকর্ম ঢাকতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রথম দফায় দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় নোটিশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দ্বিতীয় নোটিশের জবাব পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, ওটা একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, সব মীমাংসা হয়ে গেছে। ঘটনাটি সঠিক নয়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম