ঋণের নামে ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ
Advertisement
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জনতা ব্যাংক থেকে ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এ মামলাটি করেন প্রধান কার্যালয়ের ডিডি সিরাজুল হক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সমন্বিত জেলা চট্টগ্রাম-১-এর ডিডি সুবেল আহমেদ।
মামলায় আসামি করা হয়েছে ব্যবসায়ী ও গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের এমডি রাশেদুল আলম, পরিচালক ফারজানা বেগম, আবদুস সবুর, শহিদুল আলম, সাইফুল আলম, ওসমান গনি, খন্দকার রবিউল হক, খন্দকার জহিরুল হক, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক সিরাজুল করিম মজুমদার, জনতা ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক কামরুল আহছান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মাসফিউল বারী, সাবেক মহাব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান খান, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল জব্বার, একই ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম, সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসলাইল হোসেন, জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আহমেদ, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খন্দকার সাবেরা ইসলাম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক আবুল কাশেম, সাবেক পরিচালক অজিত কুমার পাল, সাবেক পরিচালক কেএম শামছুল আলম, সাবেক পরিচালক আসাদ উল্লাহ, সাবেক পরিচালক ড. শেখ সামশুদ্দিন আহমেদ, জনতা ব্যাংকের সাবেক সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আবুল মনসুর, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আবদুল ওয়াদুদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক শামীম আলম কোরাশী, শেখ মো. জামিনুর রহমান, ড. এসএম মাহফুজুর রহমান, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আবদুল মজিদ ও বেগম রুবীনা আমিন।
এস আলম গ্রুপভুক্ত গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের নামে জনতা ব্যাংক গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের এমডি রাশেদুল আলমসহ অন্যরা জনতা ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরীর জীবন বীমা ভবন করপোরেট শাখায় ঋণের জন্য আবেদন করেন। নিয়ম ভেঙে ঋণের সীমা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠানটিতে ঋণ দেওয়া হয়। ফলে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাৎ এবং আত্মসাতের সহায়তা করে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। ভবন করপোরেট শাখায় ঋণের জন্য আবেদন করেন। নিয়ম ভেঙে ঋণের সীমা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠানটিতে ঋণ দেওয়া হয়। ফলে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাৎ এবং আত্মসাতের সহায়তা করে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
