Logo
Logo
×
   

Advertisement

নগর-মহানগর

অভ্যুত্থানের পর ৪৮১ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট/লাল মুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে চব্বিশের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৪৮১ জনের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি দলীয় সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ-সদস্য রুহুল আমীন দুলালের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সব শহীদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

এর মাধ্যমে তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেওয়া সম্ভব হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন।

২৩১১ জন সার ডিলার অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত : জামায়াতে ইসলামীর সংসদ-সদস্য (সিরাজগঞ্জ-৪) আসনের রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষকদের মাঝে সঠিক সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে সার সরবরাহের অব্যাহত রাখতে দেশে ১১ হাজার ৫ জন সার ডিলার নিয়োজিত রয়েছে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এসএম জিলানীর প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান সার ডিলারের মধ্যে বিসিআইসির নিয়োগকৃত ৫ হাজার ৬৬৯ জন এবং বিএডিসির ৫ হাজার ৩৩৬ জন। সরকার তথ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত ২ হাজার ৩১১ জনের তালিকা তৈরি করেছে। অভিযুক্তদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। অনিয়মের মাত্রা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ডিলারশিপ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর (গাজীপুর-৪) সালাহ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ইটভাটার ব্যবহারের জন্য ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কাটার ফলে ১৫ হাজার ৪৫০ একর জমি আবাদ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। জামালপুর-২ আসনের সুলতান মাহমুদ বাবুর প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণ এবং ২ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম