Logo
Logo
×
   

নগর-মহানগর

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত ১

Icon

খুলনা ব্যুরো ও কয়রা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত ১

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনীর’ সদস্যদের গোলাগুলিতে এক জেলে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন ময়দাপাশা খালের এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুলাভাই বাহিনীর প্রধানসহ ২ বনদস্যু। ঘটনাস্থল হতে কোষ্টগার্ডের সদস্যরা ৬টি একনালা বন্দুক, ৭২ রাউন্ড গুলিসহ বনদস্যুদের ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে।

নিহত শওকত সরদার (৬০) উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশ্বরীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তবে তিনি তেতুলতলারচরার গুচ্ছ গ্রামে নদীর পাড়ে থাকতেন। তার ছেলে মফিজুলের সঙ্গে বনদস্যুদের যোগাযোগ ছিল। মফিজুল ডাকাতদের ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিল। সেই টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার বাবা শওকত সরদারকে ডাকাতরা ২০ দিন আগে জিম্মি করে নিয়ে গিয়েছিল। এই সময়ে শওকত বনদস্যু বাহিনীর কাছেই জিম্মি ছিল। তার ৩ ছেলে ২ মেয়েসহ স্ত্রী রয়েছে।

কোস্টগার্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলি বিনিময়ের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ৩ জনকে উদ্ধার করে প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শওকত সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া গুরুতর আহত বাহিনী প্রধান রবিউল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শুক্রবার উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরেক বনদস্যু ইস্রাফিল (৩০) কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার আরিফুর ইসলাম বাদী হয়ে কয়রা থানায় মামলা করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, রবিউল ইসলামই সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘দুলাভাই বাহিনী’র প্রধান। একসময় সুন্দরবনে ‘ইলিয়াস বাহিনী’ নামে পরিচিত একটি বনদস্যু চক্রের ত্রাস ছিল। সেই বাহিনীর প্রধান ইলিয়াস নিহত হওয়ার পর ২০২৪ সালে তার দুলাভাই রবিউল ইসলাম নতুন করে এই দল গঠন করে। এরপর থেকেই স্থানীয়দের মুখে মুখে এটি ‘দুলাভাই বাহিনী’ নামে পরিচিতি পায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সোহাইল বলেন, শওকত হোসেনের লাশ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বনদস্যুতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .