দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম
ডব্লিউএফপির ভাইস প্রেসিডেন্ট সিকৃবির ড. তিলক চন্দ্র
Advertisement
সিকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব প্যারাসাইটোলজিস্টসের (ডব্লিউএফপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের প্যারাসাইটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. তিলক চন্দ্র নাথ। এরমধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়া থেকে প্রথমবারের মতো পরজীবীবিদদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ডব্লিউএফপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন এই বাংলাদেশি অধ্যাপক। তিনি ২০২৬-২০৩০ মেয়াদে সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিশ্বব্যাপী প্যারাসাইটোলজি বা পরজীবীবিদ্যা নিয়ে কাজ ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী, গবেষক ও সংশ্লিষ্টদের একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব প্যারাসাইটোলজিস্টস। মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশে পরজীবী এবং পরজীবীজনিত রোগ নিয়ে গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সংগঠনটি কাজ করে। প্রতি চার বছর পরপর আন্তর্জাতিক প্যারাসাইটোলজি কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে সংস্থাটির নেতৃত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কানাডার মন্ট্রিয়লে অনুষ্ঠিত ১৬তম ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব প্যারাসাইটোলজি সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সংস্থাটির ১৩১টি সদস্য দেশের মধ্যে ৯১টি দেশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। সংগঠন সূত্রে জানা যায়, সংস্থাটির সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি বোর্ড প্রার্থীদের কাজ ও অবদান মূল্যায়নের পর তাদের মনোনয়ন দেয়। এবারের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপ-এ চার অঞ্চল থেকে চারজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সহযোগী অধ্যাপক ড. তিলক চন্দ্র নাথ জানান, এর আগে বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়া থেকে ডব্লিউএফপি’র কোনো নেতৃত্বস্থানীয় পদে কেউ নির্বাচিত হননি। নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব সম্পর্কে ড. তিলক চন্দ্র নাথ বলেন, এটি আমার এবং বাংলাদেশের জন্য একটি বড় প্রাপ্তি। ইউরোপ, আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরা আমার কাজের মূল্যায়ন করে আমাকে ভোট দিয়েছেন, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের এবং আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত হলো। ড. তিলক চন্দ্র নাথ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে স্নাতক এবং প্যারাসাইটোলজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে দক্ষিণ কোরিয়ার চুংবুক ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
