Logo
Logo
×
   

নগর-মহানগর

বগুড়া ও কুড়িগ্রামে ১৭১৭ বস্তা সার জব্দ, জেল-জরিমানা

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা রাসায়নিক সার উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ। সারের বাজার স্বাভাবিক রাখতে দেশজুড়ে চলমান এই সাঁড়াশি অভিযানের অংশ হিসাবে বগুড়ার আদমদীঘি ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে ১৭১৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, একটা শ্রেণি সরকারকে বিব্রত করতে ষড়যন্ত্র করছে এবং সার সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে। যদিও দেশে কয়েক মাসের জন্য পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ-

বগুড়া : আদমদীঘিতে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি গুদামে ১৬৭৫ বস্তা সার মজুত রাখার দায়ে ডিলার সচিব চন্দ্র সাহাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ইউএনও মাসুমা বেগমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ওই দুই সার গুদাম সিলগালা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার নসরতপুর বাজারে এ অভিযান চালানো হয়। সার মজুতের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা গুদাম দুটি ঘিরে রেখে স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদ-সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদারকে জানান। পরে ওই অভিযান চালানো হয়।

এমপি আব্দুল মহিত বলেন, কৃষকদের সার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রি বা পাচার করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে; কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

কুড়িগ্রাম : শুক্রবার ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, বুধবার রাতে উপজেলার চরভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে বেলাল মিয়া ও মানিক উদ্দিনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গোয়ালঘর, খড়ের মাচা ও ধানের গোলা থেকে ৪২ বস্তা ইউরিয়া ও ডিএপি সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ওই দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ বলছে, কৃষকের সারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লা : এদিন কৃষকদের সার নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার রায়পুর ঈদগাহ মাঠে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) উদ্ভাবিত ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি বা খুরারোগ) ও গোটপক্স ভ্যাকসিনের টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বিএলআরআইর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান তুহিন।

মন্ত্রী বলেন, এলএসডিতে কৃষকের আর কোনো গরু মারা যাবে না। এসব রোগ প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন উৎপাদন হচ্ছে। কুমিল্লায় কারখানায় ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। দেশে উৎপাদিত হচ্ছে বলে এর দাম ধরা হয়েছে মাত্র ৫০ টাকা।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম