Logo
Logo
×
   

Advertisement

নগর-মহানগর

সিলেটে কমিটি গঠন শিগ্গির

কেউ এমপি, কেউ প্রশাসক বিএনপি গোছাবে কে

দ্বৈত দায়িত্বে শীর্ষ নেতারা, তৃণমূলে ক্ষোভ

Advertisement

Icon

সংগ্রাম সিংহ, সিলেট

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কেউ এমপি, কেউ প্রশাসক বিএনপি গোছাবে কে

Advertisement

সিলেট বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কেউ সংসদ-সদস্য (এমপি), কেউ প্রশাসক। এর পাশাপাশি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করছেন তারা। বিভাগের চার জেলায়ই অনেকটা এমন চিত্র। ফলে বিএনপিতে দেখা দিয়েছে সাংগঠনিক স্থবিরতা। নেতৃত্বের দ্বৈত ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বহুমুখী দায়িত্বে নেতাদের ব্যস্ততার কারণে সাংগঠনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, আমরা ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায় অতিক্রম করে এখন জেলায় এসেছি। দ্রুত জেলা কমিটি সম্পন্ন করে জাতীয় সম্মেলনে অংশ নেওয়া হবে।

বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রত্যেক দল সরকারে গেলে ত্যাগীরা পুরস্কৃত হন। এবারও একের পর এক পুরস্কার গুটিকয়েক নেতার হাতে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হাতেই আবার দল গোছানোর দায়িত্ব। প্রত্যেক কাজ সুনিপুণভাবে করতে শ্রম, সময় ও পরিকল্পনা প্রয়োজন। পদ ও দায়িত্বের ভারে ন্যুব্জ নেতাদের ওপর আরও দায়িত্ব দিলে সুফল আশা করা কঠিন। বছরের পর বছর জেল খাটা এবং অসংখ্য মামলায় আসামি হওয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা এখন প্রত্যাশা। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জেলা সভাপতি হয়েও নির্বাচন সমন্বয়কের দায়িত্ব শতভাগ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। নতুন কমিটি হবে নাকি বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে, তা কেন্দ্র ঠিক করবে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মন্ত্রিসভায় কাজ করতে পারলে জেলায় দায়িত্ব পালনে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ-সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতা দেখেই কেন্দ্র দায়িত্ব দেয়। কাজ করার সক্ষমতা থাকলে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিলেও সমস্যা হয় না। কিছু লোক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় সিলেট মহানগর বিএনপির নতুন নেতৃত্ব পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। নতুন কার্যালয়ে কার্যক্রম স্থানান্তর করে সংগঠন চাঙা করার চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিতর্ক ও পদকেন্দ্রিক কোন্দল এড়িয়ে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন ইউনিট শক্তিশালী করতে চায়।

বিভাগে দল পুনর্গঠন ও জাতীয় কাউন্সিল সামনে রেখে ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর জরুরি সাংগঠনিক সভা ডেকেছে কেন্দ্র। ১৪ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের সঙ্গে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাদের নিয়ে সভা হবে। এমন তথ্য দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ জানান, জাতীয় সম্মেলন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দ্রুত দল গোছানোর তাগিদ রয়েছে।

সিলেট বিভাগে রয়েছে ৪১ উপজেলা, ২০ পৌরসভা ও ৩৩৯ ইউনিয়ন পরিষদ। তৃণমূলে রয়েছে তিন হাজারের বেশি ওয়ার্ড ইউনিট। সিলেট জেলায় ১৩ উপজেলা, ৫ পৌরসভা ও ১০৬ ইউনিয়ন রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম