Logo
Logo
×
   

Advertisement

প্রথম পাতা

প্রকাশ্য কিলিং মিশনে দুই শুটার

আদালতে হাজিরা শেষে শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন খুন

স্বজনদের দাবি, হত্যাকাণ্ডে জড়িত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন ও পুরান ঢাকা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আদালতে হাজিরা শেষে শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন খুন

Advertisement

২৮ বছরের পুরোনো একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে প্রকাশ্য খুন হন শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুন (৫৫)। এদিন তিনি প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন। সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ক্যাপ ও মাস্ক পরা দুই সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে দৌড়াতে দৌড়াতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। প্রাণরক্ষায় মামুন পেছন ফিরে দ্রুত হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি চালান। এ সময় পাঁচটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিকেল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের দাবি, পুরোনো দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সোমবার রাত ৯টা পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান সূত্রাপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই সুফল কুমার রায়। সোমবার দুপুরে মর্গের সামনে দেখা যায়, বিলাপ করছেন মামুনের স্ত্রী বিলকিস আক্তার রীপা। মৃত্যুর খবর শুনে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে ছুটে আসেন স্বজনরা। তাদের দাবি, আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন পরিকল্পিতভাবে মামুনকে হত্যা করেছে। তারা বলেন, এর আগে ২০২৩ সালেও রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় মামুনকে হত্যার চেষ্টা চালায় ইমনের লোকজন। 

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হাসপাতাল থেকে বের হচ্ছিলেন মামুন। প্রধান ফটক পার হয়ে সামনে রাস্তায় একটু এগোলেই তিনি প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের দেখতে পান। দেখার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তাকে গুলি করা হয়। এ সময় তিনি দ্রুত পেছন ফিরে দৌড় দিয়ে হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজনকেও ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। তখন দুই ব্যক্তি খুব কাছে থেকে তাকে গুলি করতে করতে ভেতরে প্রবেশ করেন। গুলি করার পর দুই ব্যক্তি অস্ত্র কোমরে গুঁজে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাস্ক পরা দুই ব্যক্তি লাল রঙের মোটরসাইকেল থেকে নেমে মামুনকে পেছন থেকে ধাওয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। জীবন বাঁচাতে দৌড়ে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে অগ্রসর হন মামুন। ওই সময় ছয় থেকে সাতটি গুলি ছোড়া হয়। দুটি গুলি ওপরের দিকে হাসপাতালের কাচে লাগে। বাকিগুলো লাগে তার শরীরে। এতে একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন মামুন। এরপরও দুর্বৃত্তরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী সিকিউরিটি গার্ড যুগান্তরকে বলেন, আমরা হাসপাতালের ভেতরের দিকে ছিলাম। দুর্বৃত্তরা একজনকে ধাওয়া করতে করতে হাসপাতালের গেটে এসে প্রথমে পায়ে গুলি করে। পরে তাকে আবার কয়েকটি গুলি করে। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রজ্জব আলী আরশ জানান, দুই ব্যক্তি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের প্রবেশমুখে এসে ওই ব্যক্তিকে পেছন থেকে গুলি করে। বেশ কয়েকটি গুলি করার পর ওই ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার বুক থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসে। এরপর সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। 

জানা যায়, নিহত মামুনের বাবার নাম এসএম ইকবাল এবং বাড়ি লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার মোবারক কলোনি এলাকায়। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন রাজধানীর আফতাবনগরে। 

ডিএমপির সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তারিক সাঈদ মামুনকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। 

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, পুরোনো দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় শুটার ছিলেন দুজন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

নিহত মামুনের স্বজনদের দাবি, ২০ বছরের বেশি সময় পর কারাগার থেকে মুক্তি পান মামুন। মুক্ত জীবনে ফিরে সংসারের ব্যয়নির্বাহে ব্যবসা শুরু করেন। মামুনের স্ত্রী রীপা জানান, মিরপুরে মামুনের গার্মেন্ট ব্যবসা রয়েছে। দুই মেয়েকে নিয়ে আফতাবনগরের এফ-ব্লকে থাকেন তারা। সোমবার সকাল ৯টার দিকে জজকোর্টে হাজিরা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন মামুন। পরে ফোনে তার মৃত্যুর খবর আসে। রীপা বলেন, ‘কারা আমার স্বামীকে খুন করেছে জানি না।’ এ সময় ‘ইমন’ নামের এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইমন ছাড়া কেউ এ কাজ করেননি। কয়েকদিন আগে ইমন লোক দিয়ে মামুনকে মারধর করেছিলেন। তবে ইমন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলতে তাৎক্ষণিকভাবে রাজি হননি রীপা। ঢামেক হাসপাতালের মর্গে মামুনের ভাগিনা মাশরুফ যুগান্তরকে বলেন, দুই বছর আগে জেল থেকে বের হয়েছিলেন মামুন। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে ব্যবসা শুরু করেন। এরপর একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু প্রতিবার ব্যর্থ হয় সন্ত্রাসীরা। হত্যার পর এখন মামুনকে সন্ত্রাসী ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভাগিনা মাশরুফ।

নিহত মামুনের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শরীরে মোট ৫টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। চিহ্নগুলো হচ্ছে-বাম গালে কানের নিচে একটি, ঘাড়ের পেছনে বামদিকে একটি, বুকের ডান পাশে একটি, বাম হাতের কবজির ওপর একটি এবং ডান হাতের কবজির ওপর একটি। এছাড়া নাকে, ওপরের ঠোঁটেও জখম ছিল। গালের ডান পাশে কালশিটে জখম, ডান হাঁটুতে ফোলা জখম দেখা যায়। বাম হাতের কবজি এবং ডান হাতের কবজির ওপরে ভাঙা পরিলক্ষিত হয়। বাম বাহুর পেছনে পুরোনো কাটা দাগ দেখা যায়। তার পরণে ছিল নেভি ব্লু রঙের ফুল প্যান্ট, গায়ে ছিল সাদা লাল-কালো-নিল রঙের ফুলহাতা গেঞ্জি। 

ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, নিহত ব্যক্তি ইমন গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন। নিহত সাঈদ মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী এবং সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি। এর আগে ২০২৩ সালে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল। সে সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে ভুবন চন্দ্র শীল নামে এক পথচারী মারা যান। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সূত্র বলছে, ঢালিউড নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ভাই সাইদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিল ঢাকার আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্রুপ ইমন-মামুন। এই গ্রুপের ইমন বর্তমানে পলাতক। একসময় রাজধানীর হাজারীবাগ, ধানমন্ডি এলাকার ত্রাস ছিল ইমন-মামুন বাহিনী। তবে পরবর্তী সময়ে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। 

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় ২০ বছরের বেশি সময় জেল খেটে ২০২৩ সালে জামিনে মুক্তি পান মামুন। এরপর তিন মাসের মাথায় তেজগাঁও বিজি প্রেস এলাকায় তাকে হত্যার চেষ্টা হয়। সে সময় রাস্তার ওপর মামুনের গাড়ি আটকে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হলে ভুবন চন্দ্র শীল নামে এক আইনজীবী গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হামলার লক্ষ্যে থাকা মামুনকে খুন করতে না পারলেও সেসময় চাপাতি দিয়ে কোপায় হামলাকারীরা। মামুন সেসময় পুলিশকে বলেছিলেন, তেজগাঁওয়ের ওই হামলার পেছনে পুলিশের আরেক তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সানজিদুল ইসলাম ইমনের হাত রয়েছে।

এদিকে সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় গত বছরের ৯ মে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারিক সাইফ মামুনসহ ৬ জন খালাস পান। তবে ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন একই ট্রাইব্যুনাল।

আদালতে খুনের মামলায় হাজিরা দিতে আসেন মামুন : ২৮ বছর আগের হিমেল হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন মামুন। ২৫ বছরের যুবক জাহিদ আমিন ওরফে হিমেলকে ১৯৯৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে মোহাম্মদপুর পিসি কালচার হাউজিং এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। সেদিন হিমেলের বন্ধু সাইদও আহত হন। এ ঘটনায় হিমেলের মা জাফরুন নাহার সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তারিক সাইফ মামুনসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অপর আসামিরা হলেন ওসমান, মাসুদ ওরফে নাজমুল হোসেন, রতন, ইমন এবং হেলাল।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মমিনুন নেসার আদালতে সোমবার মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। আদালতে হাজিরা দেন তারিক সাইফ মামুন। তবে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। এরপর আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ পাসপাতালে যান। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় তাকে গুলি করা হয়।

মামুন হত্যায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম আসছে যে কারণে : ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের সিটি পেট্রোল পাম্প ও বিজি প্রেসের মাঝামাঝি এলাকার মূল সড়কে প্রকাশ্যে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের ওপর হামলা চালায়। প্রথমে মামুনের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। একপর্যায়ে মামুন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। মামুন তখন প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে তাকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলিতে ভুবন চন্দ্র শীল নামে একজন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।

এ ঘটনার প্রায় দুই বছর দুই মাস পর সোমবার আবারও ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এবার আর তিনি বাঁচতে পারেননি।

প্রথমবার হামলার ঘটনার সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমনের নাম এসেছিল। তখন ইমন কারাগারে ছিলেন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরপরই ইমন কারাগার থেকে মুক্ত হন। বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০২৩ সালে মামুনের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সেসময় কারাগারে থাকলেও ওই ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন। একসময় ইমন ও মামুন ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ঢাকার হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও এলাকার অপরাধজগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন ইমন ও মামুন। তাদের গড়ে তোলা বাহিনীর নাম ছিল ‘ইমন-মামুন’ বাহিনী। ওই সময় এই বাহিনী রাজধানীর এসব এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি করেছিল। ২০২৩ সালে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন মামুন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কারাগার থেকেই মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ইমন।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম