যুগান্তরকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী
ফুল নেওয়ার চেয়ে কাজ বেশি পছন্দ করি
Advertisement
হামিদ-উজ-জামান
প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফুল নেওয়ার চেয়ে আমি কাজ করতে বেশি পছন্দ করি। তাই সচিবদের ফুলের শুভেচ্ছা নেইনি। অতীতের সরকার তো এসব করত। আমরাও যদি অতীতের সরকার যা করেছে তাই করি তাহলে কীভাবে হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রথমদিন এসে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপে এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার দুপুরের পর তিনি আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আসেন। এ সময় সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা ফুল দিতে চাইলে তিনি অনুরোধ করে তা প্রত্যাখ্যান করেন।
এরপর অফিস থেকে বেরিয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে যাওয়ার পথে মন্ত্রী যুগান্তরকে বলেন, আমি ও আমরা ব্যতিক্রমী কিছু করতে চাই। এজন্য গতানুগতিকতার বাইরে চিন্তা করছি। তিনি আরও বলেন, আমরা কথাবার্তা কম বলে কাজ বেশি করতে চাই। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২ দিন হলো। আমি সময় নিয়ে কথা বলব। আজকে সবেমাত্র মন্ত্রণালয়ে এলাম। সবকিছু রিভিউ করি তারপরে কথা বলি। আমরা কাজে বিশ্বাসী।
আগামীর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিতে চাই। অন-টাইম আপনারা সবকিছু জানতে পারবেন। আমি কিন্তু প্রেস ফ্রেন্ডলি আপনারা সবাই জানেন। আমি সবকিছু আগে রিভিউ করি তারপর বিস্তারিত বলব।
সপ্তাহে কতদিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অফিস করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন দপ্তরে কেমন চাপ এটা আগে দেখি, তারপরে সিদ্ধান্ত।
উন্নয়নের গতি থামবে না : এদিকে যুগান্তরের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, আমরা কোথাও থামব না। সংশোধন পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। এর মধ্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য উন্নয়নের গতি বজায় রাখা। দেশের উন্নয়ন চলমান রাখা হবে। সরকারের লক্ষ্য কোনো কাজ থামিয়ে দেওয়া বা গতিহীন করা নয়; বরং কাজের গতি বজায় রেখে প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সুফলের ন্যায্যভাগ দেশের সব মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে চাই। বিশেষ করে যারা দেশের সম্পদ সৃষ্টি করেন, খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের ন্যায্য হিস্যাটা জরুরি। প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রোববার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করেন তিনি। এসময় পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বৈষম্যহীন নতুন এক দেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।
