প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ
অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীমের ছেলে অপহরণের কথা শুনে মঙ্গলবার পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদক্ষেপে অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে খিলগাঁওয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, অপহরণের শিকার হওয়া স্কুলছাত্রের বাবার নাম খন্দকার শামীম। তিনি সচিবালয়ের কর্মচারী। ছেলের অপহরণের খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। প্রধানমন্ত্রীকে পেয়েও যান তিনি। খন্দকার শামীমের কাছ থেকে ঘটনা শোনার পর প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ফোন করে পুলিশকে নির্দেশনা দেন।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম। তিনি যুগান্তরকে বলেন, অপহৃত ছেলেটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। দুপুর আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন তাকে জোড়পুকুর এলাকায় সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায়। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বাবা সচিবালয়ে চাকরি করেন। তিনি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে কাঁদতে কাঁদতে ঢুকে পড়েন। পরে প্রধানমন্ত্রী ফোন করে ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশনা দেন। পুলিশের রমনার ডিসি মাসুদ আলম বলেন, পুলিশ প্রথমে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে তাদের কাছে সেই নম্বর চাওয়া হয়। তারা প্রথমে নম্বর দিতে দেরি করছিল, দরকষাকষিও চলে। একপর্যায়ে মুক্তিপণ ১০ হাজার টাকায় নেমে আসে। তিনি বলেন, মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দরকষাকষির মধ্যে পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে। এরপর ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে ছেলেটিকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।
এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি আরও বলেন, ছেলেটিকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এরই মধ্যে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন উল্লেখ করে তিনি জানান, আসামি ধরতে অভিযান চলছে।
