Logo
Logo
×
   

Advertisement

প্রথম পাতা

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ

আ.লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে বিদায় নেয়

গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে * জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক * জুলাই অভ্যুত্থানে হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

Advertisement

Icon

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আ.লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে বিদায় নেয়

জাতীয় সংসদ ভবনে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের সংসদ-সদস্যরা প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেন -সংগৃহীত

Advertisement

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি সরকারের ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ইতিহাস টেনে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে ২০০১ সালের জুন মাসে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল। ২০০১ সালের অক্টোবরে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের দায়িত্ব নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ প্রণয়ন করে। এর ফলে বিশ্বে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পায়। তিনি বলেন, ২০০৬ সালের অক্টোবরে বিএনপি যখন রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়, তার অনেক আগেই বিশ্বে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার হিসাবে স্বীকৃতি পায়। এবারও দুর্নীতি দমন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণই হবে বর্তমান সরকারের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণে মো. সাহাবুদ্দিন এসব কথা বলেন। এ সময় জাতীয় সংসদের সভাপতির আসনে ছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)। ভাষণে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ করেন। বক্তব্য শেষে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেন। ভাষণে একবারও তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। বিএনপি সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে দেশের জন্য কী কী করবে তার বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

এছাড়া ভাষণে তিনি আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট উল্লেখ করেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ড, টাকা লুট করে দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন বানানো, খুন ও গুমের বর্ণনা দেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার বিবরণও তুলে ধরেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ‘হাসিনার ফ্যাসিবাদ’ মুক্ত হওয়ার কথাও ওঠে আসে তার বক্তব্যে। তার বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারদলীয় সংসদ-সদস্যরা হাত চাপড়ে স্বাগত জানান।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৩৩ মিনিটে যখন ভাষণ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন বিরোধী দলের আসনে থাকা জামায়াত জোটের এমপিরা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। এ সময় তারা ‘জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি চলবে না’ লেখা লাল রঙের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। সংসদ কক্ষে বেলা ৩টা ৩৬ মিনিটে রাষ্ট্রপতি প্রবেশ করলে প্রচলিত রীতিতে সংসদ নেতা ও সরকারি দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান। তবে বিরোধী দলের সদস্যদের একটি অংশ প্রতিবাদের অংশ হিসাবে নিজেদের আসনে বসে থাকেন। বিউগলে জাতীয় সংগীত বাজতে শুরু করলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সংসদের কর্মকর্তারা জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সদস্যদের দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন। তখন অনেকে দাঁড়ালেও কয়েকজন সদস্য বসে ছিলেন। তবে এ সময় জামায়াত জোটের সদস্যদের প্রতিবাদ বন্ধ রেখে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি সংসদে তার ভাষণ শুরু করলে বিরোধী দলের সদস্যরা হট্টগোল করতে থাকেন। তিনি ভাষণ চালিয়ে যান। একপর্যায়ে তারা স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় স্পিকার সংদীয় কার্যপ্রণালি বিধি, সংবিধান ও রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ভাষণের কথা বারবার বললেও তা আমলে নেননি বিরোধীদলীয় সংসদ-সদস্যরা।

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণের শুরুতেই বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই উদ্বোধনী অধিবেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। হাজারো শহীদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এই মহান জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল এবং এই নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন, মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির আন্তরিক উদ্যোগ এবং সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান জাতীয় সংসদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। জাতীয় সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের পাশাপাশি কয়েকজন স্বতন্ত্র সদস্যও রয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এই সংসদে আপনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। জাতীয় সংসদের সব সদস্যের প্রতিও রইল প্রাণঢালা অভিনন্দন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারদলীয় এমপিরা টেবিল চাপড়ে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে স্বাগত জানান।

মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর-উত্তম, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব নেতার অবদানকেও আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। বাংলাদেশে তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যিনি দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে প্রতিবার সামনের কাতারে থেকে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন।

সেই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, আমি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের এবং দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি, যাদের অসামান্য ত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়ে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সহস্রাধিক মানুষ শহীদ হয়েছেন। নারী, পুরুষ, শিশুসহ আহত ও পঙ্গু হয়েছেন কমপক্ষে ত্রিশ হাজার মানুষ। পাঁচ শতাধিক মানুষ চোখ হারিয়ে অন্ধত্ব বরণ করেছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া সাহাবুদ্দিন বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ছিল ‘ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে’ জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সমাজ বিনির্মাণ। সেই লক্ষ্য অর্জনে ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র মেরামতের অংশ হিসাবে জনগুরুত্বপূর্ণ খাত সংস্কারের লক্ষ্যে ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই স্লোগানকে উপজীব্য করে দলীয় নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিল। তিনি বলেন, ইশতেহারে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কারে গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসন-এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন কঠোর হস্তে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। এই দুটি বিষয় নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছে। আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দলীয় বাহিনী হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের পুলিশের সার্বিক সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ পেশাদার, আধুনিক এবং দক্ষ বাহিনী হিসাবে গড়ে তুলতে বদ্ধাপরিকর।

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জন-আস্থা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। ইসি যাতে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসে বলীয়ান থাকতে পারে বর্তমান সরকার আগামী দিনের নির্বাচনি কার্যক্রমে সেটা সমুন্নত রাখবে। ইসির মতো দেশের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আইনানুযায়ী স্বাধীনভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে বর্তমান সরকার সেটা নিশ্চিত করবে।

ভাষণে রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। তিনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন। মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিষয়ে তথ্য জানান। কৃষি, অর্থনীতির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপে নেবে বলে আশা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি নিয়ে কাজ করছে। দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। নারীর উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি দারিদ্র্যবিমোচন, সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক পড়াশোনা ও ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি সরকার নিয়েছে।

বর্তমান সরকারের সামনের দিনের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, নবগঠিত সরকারের সামনে দারিদ্র্যবিমোচন, দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণই বড় চ্যালেঞ্জ। পথ কঠিন হলেও রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই বাধা অতিক্রম অসম্ভব নয়। সরকারি এবং বিরোধী দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করলে খুব সহজেই দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে। যেসব পরিকল্পনা সামনে রেখে জনরায়ে সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছে, সেই অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সামাজিক, প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক, আইনশৃঙ্খলা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও ভাষণে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম