Logo
Logo
×
   

Advertisement

প্রথম পাতা

বিচার ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলে টিআইবির ক্ষোভ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিচার ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলে টিআইবির ক্ষোভ

Advertisement

বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ স্থগিতের সুপারিশে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ প্রতিক্রিয়া জানায়।

টিআইবি বলছে, সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ, পৃথক সচিবালয় এবং মানবাধিকার কমিশন-তিনটি অধ্যাদেশ হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশন ও তথ্য অধিকারবিষয়কসহ স্থগিতের সুপারিশপ্রাপ্ত অন্য অধ্যাদেশগুলো সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত যাচাই-বাছাই শেষে আইনে পরিণত করতে হবে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক উদ্যোগ ছিল। এর মধ্যে বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এগুলো বাতিল বা স্থগিত করা সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও অত্যন্ত হতাশাজনক।

তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন ও বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা এবং গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত বিধানের অভাবে মানুষের জীবন কতটা দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে-তা ক্ষমতাসীন দলের প্রধানসহ কর্তাব্যক্তিদের বিস্মৃত হওয়ার কথা নয়! কারণ তারা প্রায় সবাই ভুক্তভোগী। কর্তৃত্ববাদ ও রক্তক্ষয়ী জুলাই অভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতা থেকে তারা শিক্ষা নিয়ে থাকলে অধ্যাদেশগুলো হুবহু বিল আকারে অনুমোদন করে দেশবাসীকে তার প্রমাণ দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আইনের দুর্বলতা থাকলে তা সংশোধন করা যেতে পারে। তবে কোনোভাবেই যেন দায়মুক্তির সুযোগ সৃষ্টি না হয়। এছাড়া দুদক অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতিতে যেসব সংস্কার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে সেগুলোর আলোকে সংশোধন করে দ্রুত বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা উচিত। পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এতে একটি স্বাধীন ও পেশাদার পুলিশ ব্যবস্থা গঠনের প্রতিফলন নেই। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে তথ্যের সংজ্ঞা, কর্তৃপক্ষের আওতা এবং কমিশনের কাঠামো উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্থগিত হওয়া সব অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে পরিণত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম