পারমাণবিক শর্ত ও আস্থার সংকট
ব্যর্থ বৈঠক, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা শেষে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা। এই ব্যর্থ আলোচনার পর রোববার উভয় দেশের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ ত্যাগ করে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছে। এর ফলে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের মার্কিন শর্ত এবং ওয়াশিংটনের প্রতি তেহরানের আস্থার অভাবের কারণেই মূলত আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। চুক্তি না হওয়ায় এখন উভয় পক্ষই একে অপরকে দুষছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ দম্ভ বজায় রেখে বলেছেন, চুক্তি হোক বা না হোক তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে জয় পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ‘উপযুক্ত সময়ে’ ইরানকে ‘শেষ করে দেবে’ মার্কিন বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, চুক্তিতে না আসাটা ইরানের জন্যই সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ। মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসলামাবাদ ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চুক্তিতে না পৌঁছেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি। আমরা আমাদের রেড লাইন বা চূড়ান্ত শর্তগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি। আমরা এমন একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই-তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সরঞ্জামও খুঁজবে না, যা দিয়ে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যায়। এটাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য।
অন্যদিকে ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই ব্যর্থতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরান ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র তাদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যুক্তি ও নীতি বুঝতে পেরেছে। এখন তাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা আমাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবে কি না।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত’ দাবির কারণেই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ইরানি অন্যান্য গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য হলেও মূলত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির প্রশ্নেই আলোচনা ভেস্তে যায়।
আলোচনা চলাকালে জেডি ভ্যান্স অন্তত এক ডজনবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে আলোচনা চলার মাঝেই শনিবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের কাছে দম্ভ করে বলেছিলেন, চুক্তির আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। ট্রাম্প বলেন, চুক্তি হলো কি হলো না, তাতে আমার কিছু যায় আসে না, কারণ আমরাই জিতেছি।
এদিকে ইসরাইলের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভার সদস্য জিভ এলকিন আর্মি রেডিওকে বলেছেন, আলোচনার পথ এখনো খোলা আছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানিরা আগুন নিয়ে খেলছে।
যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার আহ্বান : শান্তি আলোচনা শেষে প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি বলেন, আলোচনার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের অবশ্যই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে হবে। এটা ভেস্তে গেলে পুরো বিশ্বই হুমকিতে পড়বে। তবে ইসরাইল বলছে, লেবাননে তাদের অভিযান মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। রোববারও লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি হামলায় কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাতে হিজবুল্লাহর রকেট লঞ্চারে হামলা চালিয়েছে। জবাবে লেবানন থেকে রকেট ছোড়া হলে সীমান্তঘেঁষা ইসরাইলি গ্রামগুলোয় সাইরেন বেজে ওঠে। অথচ ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি হলো, লেবাননেও যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে।
হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য দাবি : ইরানের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালির নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ ও ট্রানজিট ফি আদায়, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ছাড়। অন্যদিকে, ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। রোববার সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো কথা বলেননি। তবে শনিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর প্রথমবার তেলভর্তি তিনটি সুপারট্যাংকার প্রণালি পার হয়েছে। শিপিং ডেটা অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর উপসাগর থেকে বের হওয়া এগুলোই প্রথম জাহাজ। তবে এখনো শত শত ট্যাংকার দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে উপসাগর থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায় আটকে আছে।
কেন ভেস্তে গেল আলোচনা : যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না-এমন সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই আলোচনা ভেস্তে গেছে। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উচ্চাভিলাষ তাদের নেই। অন্যদিকে ইরানের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত’ দাবির কারণেই মূলত ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। তাছাড়া তেহরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন।
আলোচনা অব্যাহত থাকবে : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, দুই দেশের কারিগরি দল এখন বিস্তারিত প্রস্তাব ও ‘বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া’ বিনিময় করছে। কিছু বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছে। তবে এখনো ২-৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, অবিশ্বাস ও সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক বৈঠকেই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব এমন আশা করা স্বাভাবিক ছিল না। কেউই তা আশা করেনি।
আবার কি শুরু হবে যুদ্ধ : ইরান যদি কোনো চুক্তিতে না আসে, তবে ট্রাম্প আগেই হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন। ফলে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধের শঙ্কা স্বাভাবিকভাবেই জোরালো হয়েছে। বিবিসির বিশ্ব সংবাদদাতা জো ইনউড তার তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণে বলেছেন, উভয় পক্ষই এই আলোচনায় এসেছিল নিজেদের বিজয়ী দাবি করে। তাই শুরু থেকেই সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন ছিল। তবে এখনই যুদ্ধ শুরু হওয়ার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইনউডের মতে, ইরানের ওপর হামলা পুনরায় শুরু হবে কি না, এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা নেই। তবে সম্ভাবনা যে বেড়েছে, তা নিশ্চিত।
হরমুজ অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের, টোল আদায়ে অনড় ইরান: ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এবার হরমুজ প্রণালি ‘অবরোধ’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন নৌবাহিনী অবিলম্বে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। এদিকে হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই। মেহের নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য এখন থেকে ইরানের জাতীয় মুদ্রা ‘রিয়ালে’ টোল পরিশোধ করতে হবে। খবর এপি, দ্য গার্ডিয়ান ও আল-জাজিরার।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘একটি পর্যায়ে হরমুজ দিয়ে ‘সবাইকে ঢুকতে দেওয়া হবে এবং বের হতে দেওয়া হবে’-এমন অবস্থানে পৌঁছাব আমরা। কিন্তু ইরান সেটি হতে দিচ্ছে না। অবিলম্বে কার্যকর হওয়া এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বের সেরা নৌবাহিনী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টাকারী যে কোনো জাহাজ অবরোধ করা শুরু করবে।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘আমি আমাদের নৌবাহিনীকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এমন প্রতিটি জাহাজকে খুঁজে বের করতে ও গতিরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছি, যারা ইরানকে টোল (শুল্ক) দিয়েছে। যারা বেআইনিভাবে টোল দেবে, গভীর সমুদ্রে তাদের কোনো নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে না।’
এদিকে হাজি বাবাই স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের পার্লামেন্টের ২৫০ জন সদস্য সর্বসম্মতভাবে টোল আদায়ের পরিকল্পনা সমর্থন করেছেন এবং সর্বোচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ে কোনো পরিস্থিতিতেই কারও সঙ্গে আপস করা হবে না। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের তেল রপ্তানি প্রতিদিন ১৬ লাখ ব্যারেল ছাড়িয়ে গেছে উল্লেখ করে দেশটির ডেপুটি স্পিকার দাবি করেন, ইরানের তেল এখন কার্যত নিষেধাজ্ঞামুক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, ইরানি জাতি তাদের দাবির প্রশ্নে এক ইঞ্চিও পিছু হটবে না। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজ থেকে টোল আদায়ের ইরানি পরিকল্পনা অবৈধ বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) প্রধান আরসেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাগিদ দিয়েছেন। আইএমও মহাসচিব আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হরমুজের মতো প্রণালিতে টোল আদায়ের অধিকার কোনো দেশের নেই। যে কোনো ধরনের টোল আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হওয়া অসম্ভব নয় : ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান জানালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তি হওয়া অসম্ভব নয় বলে মনে করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাপকালে পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেন। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষ হওয়ার পর পুতিন ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে এই ফোনালাপ হয়।
হরমুজ দিয়ে কোন জাহাজ যাবে তা ইরান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না : পরিকল্পিত অবরোধের পক্ষে যুক্তি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন জাহাজ যাবে আর কোনটি যাবে না, তা ইরান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিনি বলেন, হয় সব জাহাজ সেখানে নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ পাবে, নয়তো একটিও পাবে না। ফক্স নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান তাদের পছন্দের দেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি করে টাকা কামাবে-সেটা আমরা হতে দেব না। হয় সবাই সুযোগ পাবে, না হয় কেউ না; এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’ ট্রাম্প জানান, এই অবরোধ ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মতোই হবে, তবে এর পরিধি হবে অনেক বড়। এর ফলে আরও বেশি তেলবাহী ট্যাংকার তেল কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। একই সঙ্গে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি এক দিনেই ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে পারি। আমি তাদের পুরো জ্বালানি খাত, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসহ সব স্থাপনা ধ্বংস করে দিতে পারি, যা তাদের জন্য হবে বিশাল এক ধাক্কা।’
