রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান
স্থানীয় নির্বাচনের আগেই কোন্দল নিরসনের নির্দেশ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের উদ্ভাবিত স্মার্ট কারে চড়ে তাকে উৎসাহ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -পিআইডি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চলতি বছরের মধ্যে মূল দলের জাতীয় কাউন্সিলের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে চায় বিএনপি। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি চার মাস পর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন এবং একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া জাতীয় সংসদের মতো মন্ত্রীদের দলের কাছে জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি দলের সংসদ-সদস্যদের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শনিবার বিএনপি ও তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের জেলা-মহানগর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দলীয় প্রধান এসব নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বেলা পৌনে ১১টায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়। রাত ৮টার দিকে তা শেষ হয়। সভা শেষে নেতারা জানান, এসব মতবিনিময়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও তৃণমূলে সরকার এবং দলীয় নেতাকর্মীদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। এদিন (শনিবার) নেতাকর্মীদের জীবনধারা শৃঙ্খলার মধ্যে আনারও নির্দেশনা দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, তাদের সময়ের কাজ সময়ে শেষ করা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথভাবে সহায়তা করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। এছাড়া সাংগঠনিকভাবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম মতবিনিময় সভায় সরকারের আড়াই মাসের অগ্রগতির বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়। রমজান এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে দেশের পরিবেশ খুব একটা স্বাভাবিক ছিল না। এ পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সেভাবে মনোনিবেশ করা সম্ভব হয়নি। তবে শিগ্গিরই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের দিকে অগ্রসর হবে বিএনপি। এজন্য নেতাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, সভায় সরকারের এ আড়াই মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জ্বালানি খাত, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতির কথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নেতাদের জানান। এককথায়-মন্ত্রীরা নিজেদের কাজের জবাবদিহি করেন দলের নেতাদের কাছে। এ সময় প্রশ্নোত্তরপর্বে নেতারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যার কথা তুলে ধরেন। কী করলে এলাকায় উন্নয়ন হবে। কী কী করলে জনগণ, এলাকা এবং দলের জন্য খারাপ-তাও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন নেতারা।
মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া নেতারা জানান, সভায় মন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণলায়ে তাদের উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং কাজের বিষয়ে নেতাদের অবহিত করেন। মন্ত্রীদের জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক এবং ছাত্রদলের ৬ জন নেতা প্রশ্ন করেন। এর মধ্যে নেতারা নিজ এলাকার অবস্থা তুলে ধরে তা উন্নয়নের জন্য পরামর্শ দেন। পাশাপাশি নেতারা বর্তমান শিক্ষার মান নিয়েও হতাশা প্রকাশ করে তা পরিবর্তন করে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
সভা শেষে নেতারা জানান, ফ্যাসিবাদী আমলে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন তৃণমূল থেকে আসা বেশ কয়েকজন নেতা। এ সময় তৃণমূলের কয়েকজন নেতা স্থানীয় বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন। তাদের ভাষ্য, স্থানীয় বিএনপির নেতারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে পাত্তা দিতে চান না। এমনকি দলীয় কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে না।
সভায় বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাসনে থেকেও আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে সফল একটা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছেন। একই সঙ্গে সফল নির্বাচনে জয়লাভের মধ্যে সরকার এসেছে। আমরা যেন তার এ নেতৃত্ব, দলের নেতাকর্মীদের যে আত্মত্যাগ-এই সবকিছুকে স্মরণ করে আমরা দলকে আরও সুসংগঠিত করি। তৃণমূল পর্যায়ে সব মানুষের কাছে আমাদের দলের যে কাজগুলো হচ্ছে, সেগুলো পৌঁছে দিই এবং একটা যোগসূত্র রক্ষা করি। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র আগামী দিনে সরকারের রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়ে সারা দেশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৯ শতাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনভর চলা এ সভায় উঠে এসেছে সরকারের ৮০ দিনের কর্মকাণ্ড এবং আগামী দিনের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা। একই সঙ্গে সভায় তৃণমূলের মতামত গ্রহণ করেছেন হাইকমান্ড।
সভার একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ আইনমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সড়ক পরিবহণমন্ত্রী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বক্তৃতা করেন। প্রত্যেক মন্ত্রী ১৫ থেকে ৩০ মিনিট তার প্রেজেন্টেশন বা বক্তৃতায় ৮০ দিনে তাদের কার্যকলাপ তুলে ধরেছেন। আগামী দিনে সরকার কীভাবে কাজ করবে, তাও তুলে ধরেন তারা। পরে হাউজ থেকে উপস্থিত নেতাদের ৭-৮টা করে প্রশ্ন নেন তারা এবং সেগুলোর উত্তর দিয়েছেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার পরিবর্তে গাইবান্ধার এমপি মোহাম্মদ শামীম কায়সার বক্তব্য তুলে ধরেন।
সভায় অংশ নেওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর বিএনপির এক নেতা বলেন, এখানে সরকারের ১১ জন মন্ত্রী নেতাকর্মীদের সামনে বিগত ৮০ দিনে সরকার কী ধরনের কার্যকলাপ করেছে, তা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের কনফিউশন আছে। যেমন : জুলাই সনদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তো অনেক কিছু করছে, এ কাজটা কেন হচ্ছে? তারপর নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার কী ভাবছে-এ বিষয়গুলো সভায় পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রীরা।
তিনি আরও বলেন, আমরা যখন বিভিন্ন এলাকায় যাই, তখন অনেক মানুষ আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চান, আমরা যেন সেগুলোর উত্তর দিতে পারি; এর জন্য এটা একধরনের ওয়ার্কশপ সেশন বলতে পারেন।
সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ মিনিটের একটা সভার রূপরেখা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন।
সূত্র জানায়, সভায় হামের বিষয়টি তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি পুরো ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করেন এবং বিগত সময়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থা কীভাবে ভেঙে পড়েছে, সেটারও ব্যাখ্যা করেন। একই সঙ্গে এটা কীভাবে পুনরুদ্ধার করছেন-এগুলো নিয়ে ব্যাখ্যা করেন। বিগত সময়ের মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, যেগুলো ট্রায়ালে চলে গেছে, সেগুলো আদালতে সমাধান হবে।
মতবিনিময় সভা শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির গণমাধ্যমকে বলেন, শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। একটি হচ্ছে সরকারের বয়স প্রায় তিন মাস। এ তিন মাসে সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে, সেখানে কী কী কারণে সে পদক্ষেপগুলো নিল, সেগুলো নেতাকর্মীদের জানানো হয়েছে। নেতাকর্মীরা যেন সাধারণ মানুষকে সেগুলো জানান, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নেতাকর্মীদের থেকে সুনির্দিষ্টভাবে সরকারপ্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা জানতে চেয়েছেন, আর কী কী ব্যবস্থা নিলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হতে পারবে। এসব বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের পরিচালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান।
সভাস্থলের বাইরে রাস্তায় সকাল থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। যুবদল, ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী অনেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন করেছেন। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। সভা শেষে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার ইস্যুতে প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে ১ হাজার করে লিফলেট দেওয়া হয়, যা সাধারণ মানুষের কাছে বিতরণ করা হবে।
শিক্ষার্থী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম উদ্ভাবিত ‘স্মার্ট কার’-এ চড়ে তাকে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওয়াকিমুল। এ সময় তার বানানো ছোট বাহনটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্মার্ট কারটি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল। ব্যাটারিচালিত বিশেষ এই যানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘এ টু আই স্মার্ট কার।’
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাহন তৈরি করায় ১৭ বছরের ওই তরুণের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি কম খরচে আরও আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শও দেন। পাশাপাশি এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীকে স্মার্ট কার তৈরির পুরো গল্পটি শোনান ওয়াকিমুল। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই তরুণ জানান, এক সময় তিনি সারাদিন বাসায় বসে থাকতেন, বাইরে বের হতে পারতেন না। কীভাবে বাইরে একা চলাফেরা করা যায়, সেই চিন্তা থেকে কারটি বানানো শুরু করেন।
ওয়াকিমুল যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়েন। বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ওয়াকিমুল জানান, সহযোগিতা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও উন্নত মানের স্মার্ট কার বানানো সম্ভব। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়াও প্রবীণরাও সেটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ওয়াকিমুলের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার দুলাল। তিনি জানান, গাড়িটি বৈদ্যুতিক চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বর ও কনেকে প্রধানমন্ত্রীর শুভকামনা : রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে সন্ধ্যায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। একইস্থানে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত দিনব্যাপী কর্মসূচি চলছিল। বিয়ের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত ও নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার নির্দেশ দেন। পরে নবদম্পতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং বর ও কনেকে তিনি শুভকামনা জানান।
