স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক অর্থায়ন
আমদানি রপ্তানিতে কমল ঋণের সুদ হার
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বৈদেশিক বাণিজ্যে স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের ক্ষেত্রে সুদের হার বা মোট খরচের হার বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণীত ভিত্তি সুদ হার সোফর (সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট) রেট বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক মুদ্রার ভিত্তি সুদের হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ যোগ করে সুদের হার নির্ধারিত হবে।
এ হারে ব্যাংকগুলোকে আমদানিতে অর্থায়ন, রপ্তানি বিল কেনা ও অগ্রিম আমদানির বিল পরিশোধ করতে হবে। ওই সীমার মধ্যে থেকেই সেবার সুদ, ফি বা কমিশন এবং অন্যান্য চার্জ দিতে হবে।
সোমবার এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা জারির দিন থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক বাণিজ্যের খরচ কমবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক বাণিজ্যের ওইসব সেবার বিপরীতে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে হয়। এ খাতে খরচ কমলে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমে অর্থ সাশ্রয় হবে।
বর্তমানে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট বা সোফর রেট হচ্ছে ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর সঙ্গে আরও ৩ শতাংশ যোগ করলে ঋণের সুদের হার দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ এখন থেকে আমদানি রপ্তানি বা অন্যান্য বৈদেশিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে সেবার মোট খরচ হবে ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আগে এ খাতে খরচ হতো ৮ থেকে ৯ শতাংশ। ফলে এ খাতে খরচ কমবে। ব্যাংকগুলোকে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে ও অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ইউরো মুদ্রায় ভিত্তি সুদের হার ইউরোর রেট এখন ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এর সঙ্গে ৩ শতাংশ যোগ করলে খরচ হবে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
সূত্র জানায়, এ খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত মুনাফা করত। যে কারণে এতে খরচ বেশি হতো। এখন থেকে এ হার বেঁধে দেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলোর মুনাফা যেমন কমবে, তেমনি আমদানি রপ্তানিতে খরচও কমবে।
