তিন ইউনিয়নের নামকরণ
মিরাকেলি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বগুড়ায় নিজ নির্বাচনি এলাকায় তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি দাবি করেছেন, তার সন্তানের নামের সঙ্গে মিল রেখে নয়, একটি ইউনিয়ন দুটি উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় ‘সীমান্ত’ এবং আরেকটি দূরবর্তী হওয়ায় ‘দিগন্ত’ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, মিরাকেলি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে। সোমবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলামের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন।
এর আগে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এলাকায় একটি ইউনিয়নে উনার মীর বংশের নামে ‘মীরবাড়ি’ নামকরণ করেছেন। উনার দুই সন্তান দিগন্ত ও সীমান্তের নামে দুটো ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী নাকচ করেছেন। আমরা বাহবা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী যা চান সেটাই তো মন্ত্রীদের চাওয়ার কথা। বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ে নাম সংশোধনী করতে অনেক সময় কেটে গিয়েছিল। এখন একই সংস্কৃতি আমাদের মাঝে ফিরছে। প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম এ বিষয়ে বলেন, মোকামতলার সৈয়দপুর এবং দেউলিড়-এ দুটি ইউনিয়ন ছিল অনেক বড়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলাপ্রশাসক যাচাই-বাছাই করে গণশুনানি করে নতুন নামকরণ করেছেন। সৈয়দপুর ইউনিয়ন গাবতলী ও সোনাতলা উপজেলার সীমান্তে। সীমান্তবর্তী হওয়ায় এর নাম করা হয়েছে ‘সীমান্ত’ ইউনিয়ন। আরেকটি গাইবান্ধার কাছে, এটি অনেক দূরবর্তী হওয়ায় এর নাম রেখেছে ‘দিগন্ত’।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘সীমান্ত ও দিগন্ত নাম রয়েছে উল্লেখ করে শাহে আলম বলেন, ‘মিরাকেলি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে ঠিকই। আমাদের সন্তানের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত, মীর দিগন্ত। আমার যদি ইনটেনশন থাকত, তাহলে জেলা প্রশাসককে বলতাম ‘নাম রাখেন মীর সীমান্ত, না হলে মীর দিগন্ত’। কিন্তু নামের আগে তো মীর নেই।’ সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা এ সময় টেবিল চাপড়ে প্রতিমন্ত্রীকে সমর্থন জানান। মীর শাহে আলম তখন বলেন, ‘আল্লাহ বাঁচাইছে, সংসদ সদস্য বলেনি যে, বিজিবির সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেড, ওটা আমার ব্যাংক। উনি দয়া করে বলেননি যে, খুলনা থেকে পার্বতীপুরে যে ট্রেন যায় সীমান্ত এক্সপ্রেস, সেটিও আমার ট্রেন, বা উনি যে দয়া করে বলেননি, গুলশান ১-এ যে দিগন্ত টাওয়ার রয়েছে, সেটিও আমার।’
