Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

রংপুরে ৪ খুন

হত্যার আগে দুজনের ৮০ বার ফোনালাপ

জেলগেটে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ * সন্দেহের তালিকায় একাধিক ব্যক্তি * ঘটনার আগে সিদ্ধার্থের পরিবার বাড়ি বিক্রি করে

Advertisement

Icon

মাহবুব রহমান, রংপুর

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

হত্যার আগে দুজনের ৮০ বার ফোনালাপ

Advertisement

রংপুর নগরীতে চার খুনের ঘটনায় জেলগেটে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আজ আবারও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আদালতে দেওয়া দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের মোটিভ নিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।

এদিকে, যুগান্তরের অনুসন্ধানে নগরীর দাসপাড়ায় (মাছুয়াপাড়ায়) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ পিসতুতো ও মামাতো ভাই। এ হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড সিদ্ধার্থ দাস। সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও কাকা বিজয় দাসের বাড়ি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির লাগোয়া। হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস আগে প্রতিবেশী বিধান চন্দ্র দাসের (স্বর্ণের দোকান মালিক) কাছে তারা ৩৫ লাখ টাকায় বাড়ি বিক্রি করে দেন। এজন্য বায়না চুক্তি করা হয়। বাড়ির দলিল করার পর ভারতের শিলিগুড়িতে সপরিবারে তাদের চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিধান চন্দ্র্র দাস জানান, দেড় মাস আগে বায়না সূত্রে তিনি জমিটি কিনেছেন।

এদিকে, দুই আসামির মোবাইল ফোনের অস্বাভাবিক কলরেকর্ডের তালিকা পেয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে তাদের মধ্যে ৮০ বার ফোনালাপ হয়েছে। এর মধ্যে আগের ১২ ঘণ্টায় তাদের মধ্যে ৩০ বার কথা হয়েছে। এছাড়া কলে একাধিক ব্যক্তি যুক্ত থাকায় সন্দেহের তালিকা বড় হচ্ছে। নতুন মাত্রায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী।

তদন্ত সংস্থা ১৯ থেকে ২২ আগস্ট ৮০ ঘণ্টার সিডিআর বিশ্লেষণ করে দেখেছে-সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের মধ্যে ৮০ বার ফোনালাপ হয়েছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগের ১২ ঘণ্টায় সিদ্ধার্থ তার দুটি নম্বর থেকে মুগ্ধের একটি নম্বরে ৩০ বার ফোনে কথা বলেছে। প্রতিটি ফোনকলের স্থিতি ছিল ১১ থেকে ১৭ সেকেন্ড। গোয়েন্দা পুলিশের ধারণা-এ হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। এটি কোনো নিছক নেশাগ্রস্ত হয়ে অতর্কিত হত্যার ঘটনা নয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিন্নাত আলী জানান, বুধবার দুই আসামিকে দ্বিতীয় দফা কারাগারের গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার ধারণা, অনেক কিছু সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আড়াল করেছে।

উল্লেখ্য, ২২ আগস্ট গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

কিশোর গ্যাং-এর বড় ভাইয়েরা আড়ালে অভিযানেও মিলছে না সুফল

অভিযানেও মিলছে না সুফল

দিল্লিতে ফের বিক্ষোভ, উত্তেজনা পতাকা ওড়ানোর আগেই আটক দীপকে ও নেহা

পতাকা ওড়ানোর আগেই আটক দীপকে ও নেহা

উত্তরায় ‘দে লারা’ গ্রুপের মুখোমুখি যুগান্তর ‘একদিন পরই বাইর হইয়া গ্যাছে, ট্যাকায় কথা কয়’

‘একদিন পরই বাইর হইয়া গ্যাছে, ট্যাকায় কথা কয়’

জ্বালানির অজুহাতে চালের দামে সাগরচুরি পরিবহণ ব্যয়ের ১৫ গুণ বোঝা ক্রেতার কাঁধে

পরিবহণ ব্যয়ের ১৫ গুণ বোঝা ক্রেতার কাঁধে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম