Logo
Logo
×
   

Advertisement

প্রথম পাতা

একাধিক ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার

নিষিদ্ধ দল ঠেকাতে ব্যাপক তৎপরতা

Advertisement

সিরাজুল ইসলাম

সিরাজুল ইসলাম

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নিষিদ্ধ দল ঠেকাতে ব্যাপক তৎপরতা

ফাইল ছবি

Advertisement

কিছুটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার জন্য গোপন তৎপরতা চালাচ্ছে-এমন তথ্যে তৎপর হয়ে উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবগুলো বিভাগ। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। গুলশানে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একটি বড় ধরনের ঝটিকা মিছিল সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। গোয়েন্দারাও ওই মিছিলের বিষয়ে আগাম কোনো তথ্য জানতে পারেননি।

এ কারণে মিছিলটি ঘিরে আওয়ামী লীগের গোপন বা প্রকাশ্যে যে কোনো কার্যক্রম নিয়ে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। নিষিদ্ধ দলটির মিছিল ঠেকাতে ব্যর্থতার দায়ে এরই মধ্যে গুলশান জোনের ডিসি ও থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঠিক একই সময়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল হাসান সম্প্রতি এক কথোপকথনে স্পষ্ট দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগ আবার ফিরবে, আওয়ামী লীগ এলে কিছুই হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে, এই মাসেই শেখ হাসিনার আসা উচিত ছিল। শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না।’

অনেকের মতে, পেছন থেকে আওয়ামী লীগের বড় ধরনের সহায়তা ছিল বলেই পদে বসে ওই ওসি এমন দেশবিরোধী আলোচনা করতে পারেন। তাই রাকিবকে নিয়েও চলছে সরকারের নানামুখী তদন্ত। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করার নেপথ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চ বা মাঝারি পর্যায়ের একটা অংশের মদদ থাকতে পারে বলে এতদিন যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল; একাধিক ঘটনায় তা কিছুটা প্রকাশ হওয়ায় এর নেপথ্য কারণ বের করার চেষ্টা করছে সরকার। এজন্য নজর রাখা হচ্ছে বিতর্কিত পুলিশের কর্মকাণ্ডের ওপর।

২০০৯ থেকে ২০২৪-আওয়ামী আমলের সাড়ে ১৫ বছরের দলীয়করণের জের ধরে প্রশাসনের ভেতরে এখনো কিছু অদৃশ্য নেটওয়ার্ক রয়ে গেছে, যা আওয়ামী লীগকে গোপনে ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে যে কোনো গোপন আঁতাত ও অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। অশুভ রাজনৈতিক তৎপরতা এবং যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখে দিতে ছক আঁকছে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

সূত্র জানায়, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা এবং দেশ-বিদেশে পলাতক নেতাকর্মীরা মাঠে নামার গোপন ছকের অংশ হিসাবে মাঝে মধ্যেই ঝটিকা মিছিল ও গোপন আস্তানায় মিটিং করছে। এসব ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানে না, ঠিক এমনটি নয়। বরং কোনো কোনো ঘটনায় তাদের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে মিছিল বের করারও তথ্য সামনে আসছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর দিনের বেলায় কূটনৈতিক জোন গুলশানে ঝটিকা মিছিলটি করার আগে মিছিলকারীরা গুলশান থানা পুলিশের বেশ কয়েকজনের সহায়তা পেয়েছিলেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোপন চ্যাট বক্সের স্ক্রিন শট থেকে জানা যায়, মিছিলের আগের রাতেই পরের দিনের কর্মসূচি ঠিক করা হয়। গুলশান থানা পুলিশের আশ্বাসও পায় তারা। সে মোতাবেক মিছিল যখন বের করা হয় তখন সড়কে কোনো পুলিশ সদস্য বা দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন না। ফলে নির্বিঘ্নে মিছিলটি বের করার সুযোগ পায় তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি কেবল গুলশানের মিছিলের ক্ষেত্রেই ঘটছে তা নয়, রাজধানীসহ সারা দেশেই এভাবে ভেতরে ভেতরে ফ্যাসিস্টদের দোসর পুলিশ নানাভাবে নিষিদ্ধ দলটিকে সহায়তার চেষ্টা করছে।

জানা গেছে, আওয়ামীপন্থি পুলিশের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা দেশ থেকে পালিয়ে বিদেশে আশ্রয় নিয়ে নানাভাবে পুলিশ বাহিনীকে সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান ও চাকরিচ্যুত অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম পুলিশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য জুলাই আন্দোলনে পুলিশ হত্যা কার্ড নিয়ে খেলছেন। আন্দোলনে দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা ও কয়েক হাজার আন্দোলনকারীকে পঙ্গু করে দেওয়া বিষয়টি চেপে গিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে পেশাগত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সম্প্রতি বিদেশে বসে দাবি করে তিনি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। তার দাবি, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর সমর্থন থাকা রাজনৈতিক দলকে কেবল নিষেধাজ্ঞা বা পুলিশি শক্তি দিয়ে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ২০২৪ সালের সহিংসতায় কোনো হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত না হওয়া এবং কিছু থানা ও স্থাপনা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের নিচের পর্যায়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক কাজ করছে বলে তথাকথিত একটি টক শোতে যুক্ত হয়ে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন। তিনি বলেন, পুলিশ যখন কেবল ঝটিকা মিছিল ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী আটক করতে তাদের ৯০ শতাংশ মনোযোগ দিচ্ছে, তখন দেশের ক্রাইম কন্ট্রোল ও জঙ্গিবাদবিরোধী কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে। তার এ ধরনের বক্তব্যে পুলিশে থাকা আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তাদের উসকে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এতে কিছুটা উৎসাহ পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তারা বলছেন, মনিরুলদের এ ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তায় পুলিশ বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বাহিনীর কাজের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এদিকে শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে এলে তাকে হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে মানবতাবিরোধী আচরণ করেছে, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ঝটিকা মিছিল ও সমাবেশ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়তা বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে নানাভাবে চেষ্টা করছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে দেশের সীমান্তঘেঁষা জেলাগুলো এবং রাজধানী ঢাকার কয়েকটি স্পটে হঠাৎ ব্যানার নিয়ে কয়েক মিনিটের মহড়া দিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পুলিশের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরির কৌশল নিয়েছে তারা। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান, উত্তরা, পিরোজপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, বরিশাল, বাগেরহাট ও নেত্রকোনার ঝটিকা মিছিল ভাবিয়ে তুলেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। ঝটিকা মিছিল নিয়ে মাঠ পুলিশে কিছুটা আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। কারণ পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, কোনো এলাকায় ঝটিকা মিছিল হলে তার দায় এসপি, ডিসি ও ওসিকে নিতে হবে। ইতোমধ্যেই এ বক্তব্যের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যানুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লীগ সভাপতি পলাতক ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির গোপন পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন, বিশেষ করে যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কিছু নিষ্ক্রিয় সদস্যকে অর্থায়ন করে এই তৎপরতায় নামানোর চেষ্টা চলছে। এক্ষেত্রে পুলিশের ভেতরে থাকা আওয়ামীপন্থি বেশকিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে। এদেরই একজন ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ওসি রাকিবুল হাসান। কেবল রাকিবুল একাই নন, তার মতো অনেকেই গোপনে এখনো বিগত শাসকগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের আশা প্রকাশ করছেন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও ক্লিপ ও দিকনির্দেশনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে সরকারের অর্থনৈতিক বা আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত সংকটগুলোকে হাইলাইট করে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। দৃশ্যমান কর্মসূচির বদলে ছোট ছোট গ্রুপ বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে যোগাযোগ রেখে কর্মী ভিত্তি টিকিয়ে রাখার কৌশল হাতে নিয়েছে দলটি।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে যে ধ্বংসাত্মক অবস্থায় ফেলে গেছে, তার রেশ কাটাতে সময় লাগছে। গত ৫ আগস্টের পর পুলিশের ভেতরের শৃঙ্খলা ও মনোবল পুনর্গঠনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন সংঘর্ষে বেশকিছু পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় বাহিনীর একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সুযোগকেও কাজে লাগাতে চাচ্ছে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী মহল এবং পুলিশে থাকা তাদের সহযোগী ও পলাতক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে ক্ষোভ থাকলেও পেশাদার পুলিশ বাহিনী কখনো কোনো অপশক্তির পুনর্বাসনে সহযোগী হতে পারে না বলে তারা জানিয়েছেন।

পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাই পুলিশের মূল কাজ। রাজনৈতিক পক্ষপাত না করে পেশাদারত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, বিগত সময়ে পুলিশে ব্যাপক দলীয়করণ হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ছিল না। অনিয়মের মাধ্যমে দলীয় লোককে সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছিল। সরকারি নির্দেশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ বা স্থগিত রয়েছে। তাই তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম করতে না দেওয়া এবং তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব। কোনো পুলিশ সদস্যের রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে কাজ করা উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এমন কাজ বাহিনীর মর্যাদা ও দেশের শৃঙ্খলা নষ্ট করে। তাই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ বা বিতর্কিত কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। এ লক্ষ্যে রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি প্রবেশপথ এবং স্পর্শকাতর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি দ্বিগুণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) ড. নাঈম আশফাক চৌধুরী সাম্প্রতিক সময়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার ভাইরাল হওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে অত্যন্ত কঠোর মন্তব্য করেন। যুগান্তরকে তিনি বলেন, কোনো পেশাদার বাহিনীর সদস্য হিসাবে কেউ যদি রাজনৈতিক আশ্রয় বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে কথা বলেন, তবে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এএইচএম শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল বা নিষিদ্ধ সংগঠনের যে কোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠ পুলিশের তৎপরতা চলছে। তিনি বলেন, ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে বেশকিছু নেতাকর্মী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার ও রিমান্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। সম্প্রতি গুলশানে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায়ই গ্রেফতার করা হয়েছে ৭৪ জনকে। পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি ও গুলশান থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংযুক্ত করা হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসিকে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম