Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী ইমরানের সাক্ষ্য

শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল ‘নো রিলিজ নো ট্রিটমেন্ট’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: আমার অন্ধত্বের জন্য দায়ী হাসিনা-পারভীন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল ‘নো রিলিজ নো ট্রিটমেন্ট’

Advertisement

জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি দেন ঢাকা কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ইমরান। আন্দোলনের সময় তিনি রাজধানীতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসা নিতে গিয়ে কেমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল, সেই বর্ণনা সোমবার তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সাক্ষ্যে ইমরান বলেছেন, তিনি হাসপাতালে থাকার সময় তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের দেখতে যান। কথাবার্তা বলে আন্দোলনকারী বুঝতে পেরে তিনি হাসপাতালের কর্মীদের ‘নো রিলিজ, নো ট্রিটমেন্ট’ নির্দেশ দিয়ে যান। স্বাভাবিক হাঁটার ক্ষমতা হারানোয় হুইলচেয়ারে করে এসে ট্রাইব্যুনালের সামনে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। এদিন তৃতীয় সাক্ষী হিসাবে পুলিশের গুলিতে চোখ হারানো গৃহকর্মী পারভীন (২৭) সাক্ষ্য দেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, ‘শেখ হাসিনার কারণে আমার চোখ হারিয়েছি। সবকিছুর জন্য শেখ হাসিনা দায়ী।’ তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় আহত হন।

সোমবার বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। ১১টা ৩৭ মিনিটে জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন ইমরান। ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তার জবানবন্দি শেষ হয়। এরপর আসামিদের পক্ষে তাকে জেরা শুরু করেন আইনজীবী আমির হোসেন। প্রায় ৪৫ মিনিট জেরা করেন তিনি। এরপর পারভীন নামে ২৭ বছরের এক নারী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন। তিনি জুলাই আন্দোলনে চোখ হারিয়েছেন। তাকেও জেরা করেন আইনজীবী। তার সাক্ষ্য শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আন্দোলন দমনে ১৪০০ জনকে হত্যার উসকানি, প্ররোচনা ও নির্দেশ দান, ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসেবিলিটি’ এবং ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের’ মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়। এ মামলায় কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে এদিন আদালতে হাজির করা হয়। সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ করার শর্তে তিনি ‘রাজসাক্ষী’ হয়েছেন।

জবানবন্দিতে আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, গত বছর জুলাইয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হলে প্রথম থেকেই তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯ জুলাই বিকালে বিজয়নগর পানির ট্যাংক এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে তার হাঁটুর নিচে গুলি লাগে। ওই সময় দুই সহযোদ্ধাকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যেতে দেখার কথা জবানবন্দিতে তুলে ধরেন ইমরান। তিনি বলেন, অন্যরা তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কেউ ভর্তি নিচ্ছিল না। পরে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসরা পা কেটে ফেলার কথা বলেন। এই শিক্ষার্থী বলেন, ওই সময় তার পা হাঁটু থেকে গোড়ালি পর্যন্ত চামড়ার সঙ্গে ঝুলছিল, মনে হচ্ছিল ভেতরে হাড় আর নেই। সে কারণে তারও মনে হচ্ছিল, পা কেটে ফেলার কোনো বিকল্প বোধহয় নেই। তবে তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা পা কাটার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। তখন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে পঙ্গু হাসপাতালে (জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান) নিয়ে যেতে বলেন।

ইমরান বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার সময় ধানমন্ডিতে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসার সামনে যৌথ বাহিনী অ্যাম্বুলেন্স আটকায়। সেখানে তাদের প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। তাদের মনে হচ্ছিল, হয়তো ‘গুলি করে’ মেরেও ফেলতে পারে। ওই অ্যাম্বুলেন্সে ইমরানের সঙ্গে ছিলেন দুজন রক্তদাতা এবং তার দুই বন্ধু। তাদের একজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি মুক্তি পান। ইমরান বলেন, ১৯ জুলাই রাতে কারফিউ ছিল। রাত ১১টার সময় তিনি পঙ্গু হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে তার একটি অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসকরা বুঝতে পারছিলেন না, তার পা রক্ষা করার কোনো উপায় আছে কি না। এরপর চিকিৎসকরা তাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে পাঠান। সেখানে তারা তার স্নায়ু পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন, পা বাঁচানো সম্ভব। তখন তাকে আবার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। ওই রাতে তার আরেকটি অস্ত্রোপচার হয়। এভাবে চলতে থাকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত। যারা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, ২৭ জুলাই তাদের দেখতে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আসা উপলক্ষ্যে আগের দিন থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, দেওয়ালে রং করা, ফ্যান মোছাসহ বিভিন্ন কাজ করা হয়। তাতে ‘হয়রানির’ মধ্যে পড়তে হয় অভিযোগ করে ইমরান জানান, ২৬ তারিখ রাতে তাদের ‘ঘুমাতে দেওয়া হয়নি’।

ওইদিন সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। ইমরান জানান, ওই সময় তার সঙ্গেও কথা বলেন তখনকার সরকারপ্রধান। ইমরানের ভাষ্য, কথা বলার সময় শেখ হাসিনাকে ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করেছিলেন তিনি। শেখ হাসিনা তখন তাকে ‘আপা’ ডাকতে বলেন। সাক্ষ্যে ইমরান বলেন, তিনি কোথায় পড়াশোনা করেন, হলে থাকেন কি না এবং কেন হলে থাকেন না-এসব বিষয়ে শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন তাকে। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন, ইমরানও আন্দোলনকারী। ইমরানের কাছে শেখ হাসিনা জানতে চান-তাকে গুলি পুলিশ করেছে কি না। ইমরান তাকে বলেন, পুলিশ তাকে সরাসরি গুলি করে। পুলিশের পোশাকে অন্য কেউ ছিল কি না, সেটা তিনি (হাসিনা) জানেন না।

এই তরুণ আদালতকে বলেন, সেদিন হাসপাতালে আহত আরও ৪/৫ জনের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা। পরে চলে যাওয়ার সময় হেল্প ডেস্কের কাছে গিয়ে ‘নো রিলিজ, নো ট্রিটমেন্ট’ নির্দেশ দিয়ে যান। ইমরান বলেন, বিষয়টি শুনতে পেলেও সে সময় বুঝতে পারেননি ‘নো রিলিজ, নো ট্রিটমেন্ট’ বলতে শেখ হাসিনা কী বুঝিয়েছেন। পরে তার ঠিকঠাক ট্রিটমেন্ট ‘হচ্ছিল না’। তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল সকাল ৮টায়। সেজন্য আগের রাত ১২টা থেকে তাকে পানি পর্যন্ত খেতে দেয়নি। কিন্তু ৮টার অপারেশনের কথা বলে তাকে থিয়েটারে নেওয়া হয় দুপুর আড়াইটার দিকে।

তিনি বলেন, তার পা পচে বিকট দুর্গন্ধ ছড়িয়েছিল। আশপাশের লোকজন গন্ধে থাকতে পারত না। সরকারি যে অ্যান্টিবায়োটিক, তা তার শরীরে কাজ করছিল না। তার পা থেকে পুঁজ নিয়ে আইসিডিডিআর,বিতে পরীক্ষা করানো হয়। তখন তারা বলে, তাকে দামি অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। কিন্তু বাইরে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে হাসপাতালে আনার অনুমতি ছিল না। ইমরান বলেন, তার বাবা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে রিলিজ দেওয়া হয়নি। তখন বুঝতে পারেন, তাকে রিলিজ বা ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে না। তার ‘পা কেটে জেলে নিয়ে যাবে’। ৫ আগস্টের পর ইমরানকে সাধারণ ওয়ার্ড থেকে কেবিনে নেওয়া হয়। এখন যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে বলে আদালতকে জানান তিনি। জীবনের এই পরিস্থিতির জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে দায়ী করেন ইমরান।

এরপর জুলাই আন্দোলনে আহত নারী পারভীন ১৮ জুলাই যাত্রাবাড়ীর নৃশংসতার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ঢাকায় থাকার সময় তিনি দিনমজুর হিসাবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো গত বছরের ১৮ জুলাই সকালে যাত্রাবাড়ীতে যান। সেখান থেকে লেগুনায় জুরাইন এলাকায় যান। বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাজ করে জুরাইন স্ট্যান্ডে যান। কিন্তু সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে হেঁটে বাসার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। যাত্রাবাড়ী আসার পর দেখতে পান অনেক মানুষ আহত হয়ে পড়ে আছেন। কারও হাত নেই, কারও পা নেই। যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে রক্তাক্ত ১৮-১৯ বছর বয়সি এক ছেলের কাছে যান। সেই ছেলেকে তুলে রিকশার খোঁজ করছিলেন। এমন সময় যাত্রাবাড়ী থানা থেকে ১৪-১৫ জন পুলিশ এসে তাদের গুলি করে। গুলি ছেলেটির পিঠে লেগেছিল। তিনি হাত তুলে গুলি না করতে বললে পুলিশ কাছে গিয়ে গুলি করে, যা তার বাঁ চোখে লাগে। পুলিশ আরও গুলি করলে তার তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগে। একপর্যায়ে সেই ছেলেসহ পড়ে যান উল্লেখ করে পারভীন বলেন, সেই ছেলে তাকে চেপে ধরে একটা শ্বাস নেয়। তারপর তার হাত ছেড়ে দেয় এবং ছেলেটির শরীর ভারী হয়ে যায়। তিনি তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন। পরে মানুষ এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ কেস বলে প্রথমে চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করা হয় বলে উল্লেখ করেন পারভীন। তিনি বলেন, পরে মানুষের চাপে চিকিৎসা দিতে শুরু করেন চিকিৎসকরা। তার চোখের রক্ত পড়া বন্ধ করার জন্য আড়াই শ টাকার একটি ড্রপ আনতে বলে হাসপাতাল থেকে। তবে তার কাছে টাকা ছিল না। অন্য একজন নারী সেই টাকা দেন। এরপর সেই ড্রপ তার চোখে দেওয়া হয়। আর কোনো চিকিৎসা না দিয়ে সেই রাতে চিকিৎসকরা চলে যান। পারভীন বলেন, সেই রাতে এক নারীর মোবাইল ফোন দিয়ে তিনি তার স্বামীকে ঘটনা জানান। তার স্বামী পরদিন সকাল ১০টায় ঢাকায় আসেন। চিকিৎসকরা তার স্বামীকে অস্ত্রোপচারের জন্য কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে বলেন। তার স্বামী ঢাকার বাসায় গিয়ে কানের স্বর্ণের দুল বিক্রি করে টাকা নিয়ে আসেন। সেই টাকায় অস্ত্রোপচার করে চোখ থেকে তিনটি গুলি বের করা হয়। এর তিন-চারদিন পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তার চোখ ও শরীরে আরও গুলি দেখতে পান। তখন তাড়াতাড়ি অস্ত্রোপচারের কথা বললেও ৫ আগস্টের আগে এই হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়নি।

পারভীন আরও বলেন, তিনি বর্তমানে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার শিশু দুই ছেলেসন্তান আছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের গুলিতে তার বাঁ চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। আর ডান চোখে ঝাপসা দেখেন। কান্না করে পারভীন বলেন, ‘এক বছর কীভাবে কাটাইছি, কেউ খবর নিছে? বুড়া মানুষের মতো পইড়া আছি। জবানবন্দিতে পারভীন আরও বলেন, তার অন্ধ হওয়ার কারণ শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার নির্দেশে পুলিশ গুলি করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার আগেই যেন বিচার হয়। সঠিক বিচার না হলে ভবিষ্যতে যে সরকার আসবে, তারাও মানুষ হত্যা করবে।

পরে তাকে জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ছাড়া আরও ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, বিএম সুলতান মাহমুদ, গাজী এমএইচ তামিম, মইনুল করিম, সাইমুম রেজা তালুকদার ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।

প্রসিকিউশন জানায়, এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে মোট অভিযোগ পড়েছে ৪৫০টি। এর মধ্যে মিস কেস হয়েছে ৩০টি। ৪টি মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়েছে। অভিযোগ গঠন হয়েছে ২টি মামলায়। সাক্ষ্যগ্রহণ ১টি মামলায়। ৩০ মামলায় মোট আসামি ২০৯ জন। গ্রেফতার আসামি ৮৪ জন।

Advertisement

শেখ হাসিনা

Advertisement

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে রিসোর্টে ১০ পর্যটকের মৃত্যু আগুনে শেষ আনন্দভ্রমণ

আগুনে শেষ আনন্দভ্রমণ

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন এমন প্রধানমন্ত্রীই চায় জনগণ

এমন প্রধানমন্ত্রীই চায় জনগণ

এনসিটিবির দরপত্রে বড় কারসাজি বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট

বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট

সতর্ক করার পরও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট: ফায়ার সার্ভিস ডিজি

সতর্ক করার পরও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট: ফায়ার সার্ভিস ডিজি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম