Logo
Logo
×
   

শেষ পাতা

ফের গ্যাসের সন্ধান

কৈলাসটিলা কূপে প্রতিদিন মিলবে ৫০ লাখ ঘনফুট

১০ বছরে পাওয়া যাবে ৩ হাজার কোটি টাকার গ্যাস * দু-তিন দিনের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস দেওয়া যাবে

Icon

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কৈলাসটিলা কূপে প্রতিদিন মিলবে ৫০ লাখ ঘনফুট

সিলেটের কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের ১ নম্বর কূপ প্রায় ৬ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও মিলেছে গ্যাসের সন্ধান।

সিলেটের কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের ১ নম্বর কূপ প্রায় ৬ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও মিলেছে গ্যাসের সন্ধান। সেখানে মজুত রয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। প্রতিদিন এ কূপ থেকে ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস তোলা যাবে। বড় ধরনের ত্রুটি না হলে আগামী ১০ বছর এই কূপ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকার গ্যাস উত্তোলন করা যাবে। আর দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে এ গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যাবে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামাণিক।

গ্যাস ফিল্ডের কর্মকর্তাদের মতে, ১৯৬১ সালে কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের এই কূপটি খনন করা হয়। খননের পর ৬টি স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ১৯৮৩ সাল থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। সবশেষ চতুর্থ স্তর থেকে ওয়ার্ক ওভারের মাধ্যমে গ্যাস উত্তোলনের সময় ২০১৯ সালে হঠাৎ কূপটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৩ সালে সরকার পুরাতন কূপগুলো পুনরায় ওয়ার্কওভারের সিদ্ধান্ত নেয়। সিলেট গ্যাস ফিল্ডের অন্যান্য প্রকল্পের পাশাপাশি কৈলাসটিলাসহ ৩টি কূপ ওয়ার্কওভারের জন্য ২২০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

১২ আগস্ট এই কূপটি ওয়ার্কওভারের কাজ শুরু করে বাপেক্স। প্রায় ৩ মাস কাজ শেষে ১২ নভেম্বর প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু হয়। সবশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় সিলেট গ্যাস ফিল্ড। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, প্রায় ২২শ মিটার গভীরে এই কূপে নতুন একটি স্তর ছিল যেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন হয়নি। তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী মজুত রয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

তিনি জানান, বর্তমানে গ্যাসের যে চাপ রয়েছে তাতে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ লাখ ঘনফুট হারে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে। এই হারে উত্তোলন হলে আগামী ১০ বছর এই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে। মজুত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে যে দামে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করা হয়, সেই হিসাবে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

জাতীয় গ্রিডে কবে নাগাদ এই গ্যাস যুক্ত করা যাবে এমন প্রশ্নে তিনি জানান, যেহেতু কূপটি পুরাতন এবং এখানে প্রসেস প্ল্যান্টের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে, তাতে করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যাবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম