Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

বাংলাদেশ-চীনে নজর রাখতে হলদিয়া নদীতে ঘাঁটি করছে ভারত

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ-চীনে নজর রাখতে হলদিয়া নদীতে ঘাঁটি করছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া নদীতে নতুন একটি নৌঘাঁটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নৌবাহিনী। চীনের নৌবাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতা এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পরিবর্তিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে উত্তর বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক উপস্থিতি জোরদার করতে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

শীর্ষ প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘাঁটিটি হবে একটি নৌ ‘ডিটাচমেন্ট’ (পুরো নৌবাহিনীর একটি বড় ঘাঁটির মতো নয় বরং ছোট আকারের নৌযান মোতায়েনের জন্য পৃথক ইউনিট হিসাবে কার্যকর হবে) হিসাবে কাজ করবে। এখানে মূলত ছোট আকারের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হবে।

এই নৌঘাঁটির জন্য হলদিয়ার বিদ্যমান ডক কমপ্লেক্স ব্যবহার করা হবে। এতে অতিরিক্ত অবকাঠামো গড়ে তোলার তেমন প্রয়োজন হবে না। তাই ঘাঁটিতে দ্রুত কার্যক্রম চালু করা যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে একটি নির্দিষ্ট জেটি নির্মাণ এবং জাহাজ ও নৌসেনাদের কার্যক্রম পরিচালনার যাবতীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা থেকে ঘাঁটির দূরত্ব হবে ১০০ কিলোমিটার। হলদিয়ায় নৌঘাঁটি স্থাপন করা হলে হুগলি নদী থেকে অল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছানো সম্ভব হবে ভারতীয় নৌসেনাদের।

ভারতীয় নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে বেশ কয়েকটি ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফটস (এফআইসি) এবং নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফটস (এনডব্লিউজেএফএসি)-এর মতো দ্রুতগামী সামরিক নৌযান ও যুদ্ধজাহাজ। এসব সামরিক নৌযান ও যুদ্ধজাহাজের গতি ৪০ থেকে ৪৫ নট, অর্থাৎ ঘণ্টায় ৭৪ দশমিক ০৮ থেকে ৮৩ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার।

ভারতীয় নৌবাহিনীর এফআইসি এবং এনডব্লিউজেএফএসি সিরিজের যুদ্ধজাহাজগুলো বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সামরিক নৌযান। এই নৌযানগুলোকে সমৃদ্ধ করা হবে সিআরএন-৯১ স্বয়ংক্রিয় মেশিনগান এবং ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সুইসাইডাল ড্রোন নাগাস্ত্র সিস্টেমসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রে। প্রস্তাবিত নতুন এই ঘাঁটিতে ১০০ জন সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিক সার্বক্ষণিকভাবে থাকবেন বলে জানা গেছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম