Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

মহান ভাষার মাস

জ্ঞানের সব শাখায় বাংলাকে স্থান দিতে হবে: সালেহ হাসান নকীব

Advertisement

Icon

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

জ্ঞানের সব শাখায় বাংলাকে স্থান দিতে হবে: সালেহ হাসান নকীব

Advertisement

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য হচ্ছে-মাতৃভাষার লালন ও চর্চাকে শক্তিশালী করা। রাষ্ট্রীয় জীবনের যতগুলো অঙ্গ আছে তার সবটিতেই মাতৃভাষার চর্চাকে শক্তিশালী করতে হবে। কোরিয়া বা জাপানে কোনো ফেব্রুয়ারি নেই বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও তাদের কোনো প্রাপ্তি নেই। কিন্তু তারা জ্ঞানের সব শাখায় নিজেদের ভাষা নিয়ে এসেছে। আমাদেরও সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার, সেটা হচ্ছে মানুষ যেহেতু চিন্তাভাবনা করে নিজ ভাষায়, তাই জ্ঞান অর্জনের যতগুলো মাধ্যম আছে তার সবটিতেই বাংলাকে নিয়ে আসতে হবে।

যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব। তিনি আরও বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি যে কাজটা করা প্রয়োজন ছিল তা আমরা করতে পারিনি। কাজটা হলো-পৃথিবীর জ্ঞানভান্ডার সেখানে, যেসব বই-পুস্তক পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য, সেগুলোর অত্যন্ত চমৎকার অনুবাদ বাংলা ভাষায় করে ফেলা। জ্ঞানের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় বিচরণ করতে গেলে আমাদের ছাত্ররা মাতৃভাষাতেই সেটা করতে পারে। এই বিষয়টার ব্যাপারে কোনোরকম পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি।

হাসান নকীব বলেন, এই কাজটা এতই বড় যে এখানে সরাসরি রাষ্ট্রের ইনভলভমেন্ট ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন আমাদের বাংলা একাডেমি আছে, এই প্রতিষ্ঠানের যে সামর্থ্য সেটাকে বহু গুণে বাড়িয়ে ক্লাসিক ও বিখ্যাত পুস্তকগুলোর একটা বাংলা ভার্সন বের করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও তাদের কারিকুলাম ফ্রেম করে এই কাজগুলো করতে পারে। কিন্তু অবশ্যই রাষ্ট্রের উদ্যোগ থাকতে হবে।

উপাচার্য বলেন, আমাদের যে ইতিহাস আছে এই ইতিহাস তো অন্য জাতির নেই। ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে দিয়ে বাংলা ভাষার চর্চা আরও বাড়ানো। এই ভাষার ভেতর দিয়েই একটা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরি করে নিজ ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে পড়াশোনা করতে হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম