Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

তেলের মজুত পর্যাপ্ত, দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত মে মাসে

Advertisement

Icon

সংসদ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

তেলের মজুত পর্যাপ্ত, দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত মে মাসে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ফাইল ছবি

Advertisement

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যে অস্বাভাবিক অস্থিরতা থাকলেও দেশে বর্তমানে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, আগামী মাসে তেলের দাম বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী একথা বলেন। তিনি জানান, তেলের দাম সমন্বয়ের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যা প্রতিমাসেই পর্যালোচনা করা হয়। আগামী মাসে দাম বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতিতেও সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখেছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন ডিজেল মজুত আছে এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার টন দেশে পৌঁছাবে। এছাড়া ১০ হাজার ৫০০ টন অকটেন ও ১৬ হাজার টন পেট্রোল মজুত রয়েছে, যার বিপরীতে চলতি মাসেই আরও বড় চালান আসার অপেক্ষায় আছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর চিত্র তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, পাকিস্তান তেলের দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে এবং শ্রীলংকা রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে। ভারত, আফগানিস্তান ও নেপালও তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। সে তুলনায় একমাত্র বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত দাম স্বাভাবিক রেখে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করছে।

কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ‘কৃষি কার্ড’ প্রদানের জন্য নির্দেশনা : একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, সেচ মৌসুমে কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ‘কৃষি কার্ড’ প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মজুত ও পাচার রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি : জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ৩৪২টি অভিযানে ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩১ জনকে কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায়ের পাশাপাশি প্রায় ৪০ লাখ ৪৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে তদারকির জন্য ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে নিয়মিত ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম