রপ্তানিমুখী দুই সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক
বন্ধ কারখানার তালিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সচিবালয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিজিএমইএ’র প্রতিনিধিদলের সদস্যরা -পিআইডি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রপ্তানিমুখী বন্ধ শিল্পকারখানার তালিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ তালিকা চান। এ সময় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এসব কারখানা চালু করতে সব ধরনের পলিসি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে সরকারের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ-সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দীপু ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহসভাপতি (শ্রম) রেজওয়ান সেলিম, ভিদিয়া অমৃত খান, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মোহাম্মদ শরিফ চৌধুরী প্রমুখ। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সিনিয়র সহসভাপতি অমল পোদ্দার, সহসভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারওয়ার সোহেল, সহসভাপতি মো. শামসুজ্জামান ও ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ।
বৈঠকে এলডিসি গ্রাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ, বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু ও শ্রম আইনের সংশোধনী আনতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাওয়া হয়। একই সঙ্গে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর পাশাপাশি বর্তমানে চালু থাকা কারখানাগুলো যাতে বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে নীতিগত ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি এনবিআর ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত জটিলতাগুলো লিখিত আকারে জমা দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত এক ব্যবসায়ী নেতা যুগান্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের পক্ষ থেকে বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ওয়াকিবহাল আছেন বলে জানান। তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অতীতে নানা কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চালু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য যত ধরনের নীতিগত সহায়তা দরকার, তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে সরকারি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কলকারখানা চালু করতে বেসরকারি খাতের সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
