Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

সরকার বেশি ঋণ নেওয়ায় বেসরকারি খাতে কমেছে

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সরকার বেশি ঋণ নেওয়ায় বেসরকারি খাতে কমেছে

Advertisement

রাজস্ব আয় কম হওয়ায় ব্যয় মেটাতে সরকার বেশি মাত্রায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে। সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান কমেছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমায় দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হয়েছে। তবে ব্যাংকগুলোতে তারল্য পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য বাড়ছে। আন্তঃব্যাংকে আমানতের সুদের হার কমায় ঋণের সুদের হার কমতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের তুলনায় মার্চে এ হার সামান্য কমেছে। বুধবার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর-ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারি-মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়েছে। বার্ষিক ভিত্তিতে বেড়েছে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশ কম। আলোচ্য সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে ৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের বেশি মাত্রায় ঋণ গ্রহণের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশ কম হয়েছে।

এদিকে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের তুলনায় অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে সরকারি খাতে পুঞ্জীভূত ঋণ বেড়েছিল ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে তা বেড়ে ১২ দশমিক ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বার্ষিক ভিত্তিতে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি। সরকারের রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হওয়ায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। ফলে সরকারের নিট ঋণ বেড়ে যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্প্রতি গৃহীত সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের বিপরীতে আরোপিত স্থগিত সুদের একটি বড় অংশই মওকুফ করতে পারবে। এছাড়া আগে গ্রাহকের ঋণ আদায় পরে নিষ্পত্তি করতে হলে তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সমান অর্থ আদায় করতে হতো। ফলে সুদ মওকুফও সীমাবদ্ধ ছিল। এখন তহবিল ব্যবস্থাপনার চেয়ে কমবেশি সুদ মুওকুফ করা যাবে। ফলে ব্যাংকগুলো বেশি সুদ মওকুফ করে খেলাপি ঋণ কমাতে পারবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম