Logo
Logo
×
   

শেষ পাতা

টেকনাফের পাহাড়ে বন্য হাতির পাল

Icon

নাছির উদ্দীন রাজ, টেকনাফ (কক্সবাজার)

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

টেকনাফের পাহাড়ে বন্য হাতির পাল

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকার পশ্চিমে গহিন বনে হাতির পাল। সোমবার তোলা -যুগান্তর

দীর্ঘদিন পর কক্সবাজারের টেকনাফের গহিন পাহাড়ে একসঙ্গে বন্য হাতির পালের দেখা মিলেছে। বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়রা পাহাড়ের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে একটি-দুটি হাতি দেখলেও দলবদ্ধভাবে হাতির পাল প্রকাশ্যে দেখা যায়নি দীর্ঘদিন। তাই হাতির পাল দেখা স্থানীয়দের কাছে যেন সোনার হরিণ দেখা।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকার পশ্চিমে গহিন বনে সোমবার দুপুরে হাতির পালটির দেখা মেলে। হাতিগুলো সারিবদ্ধভাবে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে খাবার সংগ্রহ করছিল। এ দৃশ্য দেখতে পাহাড়ে চাষাবাদ করা স্থানীয় মানুষজন বনে ভিড় করেন। হাতি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে চারা গাছের বিস্তারেও ভূমিকা রাখে।

স্থানীয়রা জানান, দুই দশক আগেও পাহাড়গুলোয় প্রচুর বনজঙ্গল ছিল। বিচরণ করত নানা ধরনের পশুপাখি। কিন্তু বনখেকোদের গাছ কাটার কারণে বন ও পাহাড় ধ্বংস হয়েছে। ফলে হাতিসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী দেখা যেত না।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী বলেন, টেকনাফে বন্য হাতির পাল দেখা এখন সোনার হরিণ। একসময় পাহাড়ে হাতি, বাঘ, ভাল্লুক, শালিক, ময়না, বানর, হরিণ ও কালান্তর সাফসহ নানা প্রাণী দেখা যেত। বন উজাড়ের কারণে এসব প্রাণী এখন বিলুপ্তির পথে। হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাহাড়ে চারা রোপণ করে গহিন বন সৃষ্টি করতে হবে।

বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ মঙ্গলবার বিকালে বলেন, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আওতায় ১৪০ হেক্টর এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করে বনায়ন করা হয়েছে। চার দিন আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সরেজমিনে বাগান পরিদর্শন করেছেন। গাছগুলো বড় হলে টেকনাফ আবার বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রমে পরিণত হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .