নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর নির্বাচনি পর্ষদ উদ্বোধন
সততা ও মেধার ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নৌবাহিনী প্রধানকে অ্যাডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিচ্ছেন। রোববার বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে -আইএসপিআর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক্ষেত্রে তিনি কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যের ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনি পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।
রোববার বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
নির্বাচনি পর্ষদ সূচনার আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনীর প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে অ্যাডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাকে অভিনন্দন জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদোন্নতি পর্ষদে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন। প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের (এডিএসআই) স্মারক ফলক উন্মোচন করেন। এসময় তিনি এডিএসআইর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি এসিওসির ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানের শত্রু বিমানকে ইন্টারসেপশন ও চট্টগ্রাম হতে ইউএভির লাইভ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টারের ট্রুপস ইনসারশন অবলোকন করেন। পরে তিনি বিমাবাহিনীর অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স ও এর গবেষণা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় বিমানবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় তৈরি বিভিন্ন ধরনের ইউইএভির উড্ডয়ন দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় আধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বিমানবাহিনীর গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসাবে বিবেচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
